স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিশ্বজুড়ে চলমান সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন বন্ধ এবং বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে টিএসসিতে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘নো ওয়ার, নো এম্পায়ার’ শীর্ষক কনসার্টে শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অংশ নেন।
কনসার্টের শুরুতে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডিতে নিহত শ্রমিকদের স্মরণে নীরবতা পালন করা হয়। সংগীত পরিবেশন করেন অরূপ রাহী, আহমেদ হাসান সানী, ইলা লালালালা, ওয়ারদা আশরাফ, কফিল আহমেদ ও কুয়াশা মূর্খ। এছাড়া ‘কোরাস’, ‘বাংলা ফাইভ’, ‘দ্যা কমরেড’, ‘মাভৈ’, ‘সমগীত’ ও ‘সহজিয়া’।
কনসার্টের অন্যতম আয়োজক মাহা মির্জা স্ট্রিমকে বলেন, ‘এই আয়োজন কেবল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং যুদ্ধ, আগ্রাসন ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান। ফিলিস্তিন, ইরান, লেবানন, ভেনিজুয়েলা ও কিউবাসহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় চলমান দখলদারত্ব ও গণহত্যার বিরুদ্ধে সংহতি জানানোই আমাদের উদ্দেশ্য।’
মাহা মির্জা আরও বলেন, প্রস্তাবিত মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের সংবিধান ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের কৃষি, মৎস্য ও গার্মেন্টস শিল্পকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলবে।
আরেক আয়োজক বাকি বিল্লাহ বলেন, ‘সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা ও ইসরায়েল যুদ্ধবাজ। আমরা বিশ্বজুড়ে তাদের সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় ও দুর্ভোগের বিরুদ্ধে বার্তা দিতে চাইছি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা ট্যারিফ চুক্তি কার্যকর থাকলে পোল্ট্রি, ডেইরি ও কৃষি খাত নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখা অসম্ভব।’ তিনি আরও বলেন, মুনাফার লোভে শক্তিশালী দেশগুলো দরিদ্র ও দুর্বল দেশগুলোর ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়। এ ধরনের অর্থনৈতিক ও সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষকে সংহতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
কনসার্টে জানানো হয়, সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো তাদের বাণিজ্যিক স্বার্থে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে কুক্ষিগত করতে চায়। এই ‘দেশবিরোধী’ চুক্তি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাদের প্রতিবাদী অবস্থান অব্যাহত থাকবে।

বিশ্বজুড়ে চলমান সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন বন্ধ এবং বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে টিএসসিতে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘নো ওয়ার, নো এম্পায়ার’ শীর্ষক কনসার্টে শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অংশ নেন।
কনসার্টের শুরুতে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডিতে নিহত শ্রমিকদের স্মরণে নীরবতা পালন করা হয়। সংগীত পরিবেশন করেন অরূপ রাহী, আহমেদ হাসান সানী, ইলা লালালালা, ওয়ারদা আশরাফ, কফিল আহমেদ ও কুয়াশা মূর্খ। এছাড়া ‘কোরাস’, ‘বাংলা ফাইভ’, ‘দ্যা কমরেড’, ‘মাভৈ’, ‘সমগীত’ ও ‘সহজিয়া’।
কনসার্টের অন্যতম আয়োজক মাহা মির্জা স্ট্রিমকে বলেন, ‘এই আয়োজন কেবল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং যুদ্ধ, আগ্রাসন ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান। ফিলিস্তিন, ইরান, লেবানন, ভেনিজুয়েলা ও কিউবাসহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় চলমান দখলদারত্ব ও গণহত্যার বিরুদ্ধে সংহতি জানানোই আমাদের উদ্দেশ্য।’
মাহা মির্জা আরও বলেন, প্রস্তাবিত মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের সংবিধান ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের কৃষি, মৎস্য ও গার্মেন্টস শিল্পকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলবে।
আরেক আয়োজক বাকি বিল্লাহ বলেন, ‘সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা ও ইসরায়েল যুদ্ধবাজ। আমরা বিশ্বজুড়ে তাদের সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় ও দুর্ভোগের বিরুদ্ধে বার্তা দিতে চাইছি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা ট্যারিফ চুক্তি কার্যকর থাকলে পোল্ট্রি, ডেইরি ও কৃষি খাত নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখা অসম্ভব।’ তিনি আরও বলেন, মুনাফার লোভে শক্তিশালী দেশগুলো দরিদ্র ও দুর্বল দেশগুলোর ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়। এ ধরনের অর্থনৈতিক ও সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষকে সংহতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
কনসার্টে জানানো হয়, সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো তাদের বাণিজ্যিক স্বার্থে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে কুক্ষিগত করতে চায়। এই ‘দেশবিরোধী’ চুক্তি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাদের প্রতিবাদী অবস্থান অব্যাহত থাকবে।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই ঘণ্টায় ঝুটের গোডাউন, একটি ভোজ্য তেলের পাম্পের গোডাউন, গাড়ির ডেকোরেশনের দোকান এবং সামনে থাকা কয়েকটি মুদিদোকান পুড়ে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এতে সুনামগঞ্জসহ সংলগ্ন হাওর অববাহিকায় আকস্মিক বন্যার (ফ্ল্যাশ ফ্লাড) ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় কৃষকদের জমির বোরো ধান দ্রুত কেটে ফেলার নির্দেশনা দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
২ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সোভিয়েত ইউনিয়নের সেনাদের স্মরণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকার উদ্যোগে রাজধানীর ধানমন্ডি লেক এলাকায় এই আয়োজন করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়লেও তা এখনও কার্যকর হয়নি। মালিকরা নতুন তালিকা না দেওয়ায় আগের ভাড়াই নিচ্ছেন পরিবহন শ্রমিকরা। তবে যাত্রীদের আশঙ্কা, বাসমালিকরা দ্রুতই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবেন। মূল চিন্তা, সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করে কিনা তা নিয়ে।
৩ ঘণ্টা আগে