স্ট্রিম প্রতিবেদক

গণহত্যা দিবসের আলোচনায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তি ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা গণনায় জোর দিতে বলছেন বক্তারা। একই সঙ্গে কেউ যেন মুক্তিযুদ্ধের নামে অন্যায় বৈষয়িক সুবিধা লাভ করতে না পারে, সেদিকেও নজর দেওয়ার তাগিদ দেন তারা।
মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং গণহত্যা দিবস স্মরণে আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ এ দেশের সাধারণ মানুষের। কিন্তু তাদের কথা কমই মনে রাখা হয়েছে। পাকিস্তানি হানাদারদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের জনমানুষ যে সুদীর্ঘ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধকে রূপান্তরে পরিণত করেছে, তা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণে রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণে একাডেমির সচিব ড. মো. সেলিম রেজা বলেন, ‘স্বাধীনতা আমাদের রক্তার্জিত ফসল। লক্ষ লক্ষ মানুষের ত্যাগে আমাদের আজকের এই প্রিয় বাংলাদেশ। স্বপ্নের স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে আমাদের দৃঢ় শপথ নিতে হবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, ‘স্বাধীনতার জন্য বাংলার মানুষের লড়াই একদিনের নয়, সুদীর্ঘ সময়ের। আর শুধু নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের জন্য নয় বরং আর্থসামাজিক ও সর্বাত্মক মুক্তির জন্য মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার পঞ্চান্ন বছর পেরিয়ে স্বদেশের স্বাধীনতার বেদিমূলে প্রাণদানকারী শহিদের স্বপ্নকে সফল করতে আমাদের সবাইকে নতুন করে প্রতিজ্ঞা নিতে হবে।’
এ ছাড়াও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি ও সাংবাদিক আতাহার খান, গবেষক ও কথাসাহিত্যিক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী ও গবেষক পাভেল পার্থ।
বাংলা একাডেমির সহপরিচালকের (চলতি দায়িত্ব) মাহবুবা রহমানের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন লিলি হক, আবৃত্তি করেন শারমিন সুলতানা ইসলাম। দেশাত্মবোধক গান গেয়েছেন পিয়াল হাসান ও নাজিফা ইবনাত কবির।

গণহত্যা দিবসের আলোচনায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তি ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা গণনায় জোর দিতে বলছেন বক্তারা। একই সঙ্গে কেউ যেন মুক্তিযুদ্ধের নামে অন্যায় বৈষয়িক সুবিধা লাভ করতে না পারে, সেদিকেও নজর দেওয়ার তাগিদ দেন তারা।
মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং গণহত্যা দিবস স্মরণে আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ এ দেশের সাধারণ মানুষের। কিন্তু তাদের কথা কমই মনে রাখা হয়েছে। পাকিস্তানি হানাদারদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের জনমানুষ যে সুদীর্ঘ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধকে রূপান্তরে পরিণত করেছে, তা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণে রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণে একাডেমির সচিব ড. মো. সেলিম রেজা বলেন, ‘স্বাধীনতা আমাদের রক্তার্জিত ফসল। লক্ষ লক্ষ মানুষের ত্যাগে আমাদের আজকের এই প্রিয় বাংলাদেশ। স্বপ্নের স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে আমাদের দৃঢ় শপথ নিতে হবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, ‘স্বাধীনতার জন্য বাংলার মানুষের লড়াই একদিনের নয়, সুদীর্ঘ সময়ের। আর শুধু নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের জন্য নয় বরং আর্থসামাজিক ও সর্বাত্মক মুক্তির জন্য মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার পঞ্চান্ন বছর পেরিয়ে স্বদেশের স্বাধীনতার বেদিমূলে প্রাণদানকারী শহিদের স্বপ্নকে সফল করতে আমাদের সবাইকে নতুন করে প্রতিজ্ঞা নিতে হবে।’
এ ছাড়াও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি ও সাংবাদিক আতাহার খান, গবেষক ও কথাসাহিত্যিক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী ও গবেষক পাভেল পার্থ।
বাংলা একাডেমির সহপরিচালকের (চলতি দায়িত্ব) মাহবুবা রহমানের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন লিলি হক, আবৃত্তি করেন শারমিন সুলতানা ইসলাম। দেশাত্মবোধক গান গেয়েছেন পিয়াল হাসান ও নাজিফা ইবনাত কবির।

দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট আগামীকাল শুক্রবার (১২ জুন) থেকে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ মিনিট আগে
আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ সব কথা বলেন।
১ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী ও বাস্তবতাবিবর্জিত বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এনসিপির ছায়া বাজেট কমিটির প্রধান ও কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ এ মন্তব্য করেন।
১ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগের অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ১৬ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা।
১ ঘণ্টা আগে