গণহত্যার প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে হবে

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০২৬, ২০: ২১
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং গণহত্যা দিবস স্মরণে আলোচনা সভা। সংগৃহীত ছবি

গণহত্যা দিবসের আলোচনায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তি ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা গণনায় জোর দিতে বলছেন বক্তারা। একই সঙ্গে কেউ যেন মুক্তিযুদ্ধের নামে অন্যায় বৈষয়িক সুবিধা লাভ করতে না পারে, সেদিকেও নজর দেওয়ার তাগিদ দেন তারা।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং গণহত্যা দিবস স্মরণে আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ এ দেশের সাধারণ মানুষের। কিন্তু তাদের কথা কমই মনে রাখা হয়েছে। পাকিস্তানি হানাদারদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের জনমানুষ যে সুদীর্ঘ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধকে রূপান্তরে পরিণত করেছে, তা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণে রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণে একাডেমির সচিব ড. মো. সেলিম রেজা বলেন, স্বাধীনতা আমাদের রক্তার্জিত ফসল। লক্ষ লক্ষ মানুষের ত্যাগে আমাদের আজকের এই প্রিয় বাংলাদেশ। স্বপ্নের স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে আমাদের দৃঢ় শপথ নিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, ‘স্বাধীনতার জন্য বাংলার মানুষের লড়াই একদিনের নয়, সুদীর্ঘ সময়ের। আর শুধু নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের জন্য নয় বরং আর্থসামাজিক ও সর্বাত্মক মুক্তির জন্য মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার পঞ্চান্ন বছর পেরিয়ে স্বদেশের স্বাধীনতার বেদিমূলে প্রাণদানকারী শহিদের স্বপ্নকে সফল করতে আমাদের সবাইকে নতুন করে প্রতিজ্ঞা নিতে হবে।’

এ ছাড়াও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি ও সাংবাদিক আতাহার খান, গবেষক ও কথাসাহিত্যিক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী ও গবেষক পাভেল পার্থ।

বাংলা একাডেমির সহপরিচালকের (চলতি দায়িত্ব) মাহবুবা রহমানের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন লিলি হক, আবৃত্তি করেন শারমিন সুলতানা ইসলাম। দেশাত্মবোধক গান গেয়েছেন পিয়াল হাসান ও নাজিফা ইবনাত কবির।

সম্পর্কিত