স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি— শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অর্থাৎ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় যাতে দেশ এগিয়ে যেতে পারে এবং নৈতিক মানসম্পন্ন তেমন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অবশ্যই কাজ করবে।’ এই যাত্রায় দেশের বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
এর আগে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে পায়ে হেঁটেই অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সরকারের পদস্থ ব্যক্তি, কূটনীতিক, পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও সামরিক-বেসামরিক পদস্থ ব্যক্তি, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিকসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
পদক অনুষ্ঠানে একুশে ফেব্রুয়ারির তাৎপর্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক। বলা যায়, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের সংস্কৃতি চেতনার প্রাণপ্রবাহ। একুশে ফেব্রুয়ারি একদিকে মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এবং একইসঙ্গে এটি ছিল জালিমের বিরুদ্ধে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। সুতরাং ফেব্রুয়ারি মানেই আত্মপরিচয় উপলব্ধির মাস। আমাদের শেকড় সন্ধানী মাস’।
এসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘রাজনীতিবিদরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকলেও একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, জ্ঞানী-গুণীজন দিকনির্দেশনার ভূমিকা পালন করে থাকেন। একটি রাষ্ট্র এবং সমাজে কৃতি মানুষের সংখ্যা যত বেশি বাড়তে থাকবে সমৃদ্ধি এবং নৈতিকতার মানদণ্ডে সেই সমাজ তত বেশি আলোকিত হতে থাকবে। সুতরাং রাষ্ট্র তার নিজের প্রয়োজনেই জ্ঞানী-গুণী মানুষদের সম্মানিত করে’।
একুশে পদকের প্রবর্তন প্রসঙ্গে বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন। এটি শুধু একটি পদকই নয়, বরং এই পদকের মধ্য দিয়ে ৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলিকে স্মরণে আনার পাশাপাশি যেসব বিজ্ঞজন শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, গবেষণা ও চর্চায় নিজেদের এবং রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন তাদের সঙ্গে আপামর জনসাধারণের পরিচয় ঘটে’।
১৯৭৬ সালে মাত্র তিনটি বিষয়ে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, গবেষণা, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ কমপক্ষে ১২টি ক্ষেত্রে এই পদক দেওয়া হচ্ছে। একে একটি ‘ইতিবাচক অর্জন’ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জ্ঞান-বিজ্ঞান কিংবা সাহিত্য চর্চার ধারা আরও শাণিত এবং বিকশিত হোক এই প্রত্যাশা করছি আমরা সকলে। শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্প-সাহিত্যের চর্চাকে আরও বেগবান করতে রাষ্ট্র এবং সরকার তার দায়িত্ব অবশ্যই পালন করবে।’
তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অর্থাৎ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় যাতে দেশ এগিয়ে যেতে পারে এবং নৈতিক মানসম্পন্ন তেমন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অবশ্যই কাজ করবে। আমাদের এই যাত্রায় দেশের বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা অবশ্যই প্রত্যাশিত’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতি বছরের মতন এ বছর আমরা দেশের জ্ঞানী-গুণী, কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও ভাষাসংগ্রামীদের একুশে পদকে ভূষিত করেছি। জ্ঞানী-গুণীদের কর্ম এবং কর্মময় জীবনের সঙ্গে আপামর জনগণের পরিচয় করিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব’।
বিশ্ব সাহিত্যে একদিন বাংলা সাহিত্য আলো ছড়াবে এমন আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘একুশ আমাদের অবিনাশী চেতনা। স্বাধিকার অর্জনের বীজমন্ত্র। এবার আমরা ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর অতিক্রম করে ৭৫ বছরে পদার্পণ করছি। অমর একুশের ভাষা শহীদদের স্মরণে প্রবর্তিত আজকের একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ভাষাসংগ্রামীদের। আল্লাহ তাদের মৃত্যুকে শহীদি মৃত্যু হিসেবে কবুল করুন। আজ যারা একুশে পদকে ভূষিত হলেন আপনাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা। আপনাদের সৃজনমুখর জীবন আরও দীর্ঘ হোক, কল্যাণময় হোক। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিশ্চয়ই একদিন বিশ্ব সাহিত্যের জগতে আলো ছড়াবে’।
এর আগে বাংলা ভাষা ও শিল্প-সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের একুশে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এবছর একুশে পদক পেয়েছেন— চলচ্চিত্রে ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলায় অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাশ্যুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার, ভাস্কর্যে তেজশ হালদার যশ এবং নৃত্যে অর্থী আহমেদ।
এছাড়া প্রতিষ্ঠান হিসেবে এবছর একুশে পদক পেয়েছে ব্যান্ড দল ‘ওয়ারফেজ’।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি— শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অর্থাৎ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় যাতে দেশ এগিয়ে যেতে পারে এবং নৈতিক মানসম্পন্ন তেমন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অবশ্যই কাজ করবে।’ এই যাত্রায় দেশের বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
এর আগে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে পায়ে হেঁটেই অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সরকারের পদস্থ ব্যক্তি, কূটনীতিক, পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও সামরিক-বেসামরিক পদস্থ ব্যক্তি, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিকসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
পদক অনুষ্ঠানে একুশে ফেব্রুয়ারির তাৎপর্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক। বলা যায়, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের সংস্কৃতি চেতনার প্রাণপ্রবাহ। একুশে ফেব্রুয়ারি একদিকে মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এবং একইসঙ্গে এটি ছিল জালিমের বিরুদ্ধে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। সুতরাং ফেব্রুয়ারি মানেই আত্মপরিচয় উপলব্ধির মাস। আমাদের শেকড় সন্ধানী মাস’।
এসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘রাজনীতিবিদরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকলেও একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, জ্ঞানী-গুণীজন দিকনির্দেশনার ভূমিকা পালন করে থাকেন। একটি রাষ্ট্র এবং সমাজে কৃতি মানুষের সংখ্যা যত বেশি বাড়তে থাকবে সমৃদ্ধি এবং নৈতিকতার মানদণ্ডে সেই সমাজ তত বেশি আলোকিত হতে থাকবে। সুতরাং রাষ্ট্র তার নিজের প্রয়োজনেই জ্ঞানী-গুণী মানুষদের সম্মানিত করে’।
একুশে পদকের প্রবর্তন প্রসঙ্গে বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন। এটি শুধু একটি পদকই নয়, বরং এই পদকের মধ্য দিয়ে ৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলিকে স্মরণে আনার পাশাপাশি যেসব বিজ্ঞজন শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, গবেষণা ও চর্চায় নিজেদের এবং রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন তাদের সঙ্গে আপামর জনসাধারণের পরিচয় ঘটে’।
১৯৭৬ সালে মাত্র তিনটি বিষয়ে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, গবেষণা, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ কমপক্ষে ১২টি ক্ষেত্রে এই পদক দেওয়া হচ্ছে। একে একটি ‘ইতিবাচক অর্জন’ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জ্ঞান-বিজ্ঞান কিংবা সাহিত্য চর্চার ধারা আরও শাণিত এবং বিকশিত হোক এই প্রত্যাশা করছি আমরা সকলে। শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্প-সাহিত্যের চর্চাকে আরও বেগবান করতে রাষ্ট্র এবং সরকার তার দায়িত্ব অবশ্যই পালন করবে।’
তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অর্থাৎ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় যাতে দেশ এগিয়ে যেতে পারে এবং নৈতিক মানসম্পন্ন তেমন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অবশ্যই কাজ করবে। আমাদের এই যাত্রায় দেশের বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা অবশ্যই প্রত্যাশিত’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতি বছরের মতন এ বছর আমরা দেশের জ্ঞানী-গুণী, কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও ভাষাসংগ্রামীদের একুশে পদকে ভূষিত করেছি। জ্ঞানী-গুণীদের কর্ম এবং কর্মময় জীবনের সঙ্গে আপামর জনগণের পরিচয় করিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব’।
বিশ্ব সাহিত্যে একদিন বাংলা সাহিত্য আলো ছড়াবে এমন আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘একুশ আমাদের অবিনাশী চেতনা। স্বাধিকার অর্জনের বীজমন্ত্র। এবার আমরা ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর অতিক্রম করে ৭৫ বছরে পদার্পণ করছি। অমর একুশের ভাষা শহীদদের স্মরণে প্রবর্তিত আজকের একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ভাষাসংগ্রামীদের। আল্লাহ তাদের মৃত্যুকে শহীদি মৃত্যু হিসেবে কবুল করুন। আজ যারা একুশে পদকে ভূষিত হলেন আপনাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা। আপনাদের সৃজনমুখর জীবন আরও দীর্ঘ হোক, কল্যাণময় হোক। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিশ্চয়ই একদিন বিশ্ব সাহিত্যের জগতে আলো ছড়াবে’।
এর আগে বাংলা ভাষা ও শিল্প-সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের একুশে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এবছর একুশে পদক পেয়েছেন— চলচ্চিত্রে ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলায় অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাশ্যুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার, ভাস্কর্যে তেজশ হালদার যশ এবং নৃত্যে অর্থী আহমেদ।
এছাড়া প্রতিষ্ঠান হিসেবে এবছর একুশে পদক পেয়েছে ব্যান্ড দল ‘ওয়ারফেজ’।

রাজধানীর হাতিরঝিল থানাধীন পশ্চিম উলন এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে ছয়বছর বয়সী এক কন্যা শিশুর মরদের উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনা ‘ধামাচাপা’ দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে অভিযোগ করে দায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে হাতিরঝিল থানার সামনে বিক্ষোভ করেছেন শিশুটির স্বজন ও প্রতিবেশীরা।
২ মিনিট আগে
ফেনীর সোনাগাজীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে আইয়ুব নবী তারেক (২৬) নামে তাঁতি দলের এক নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের গুণক গ্রামে এই হত্যাকাণ্ড হয়। তারেক ওই গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে এবং বগাদানা ইউনিয়ন তাঁতি দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
১৩ মিনিট আগে
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর শিশু তাবাসসুম খাতুনের (৪) বস্তাবন্দি মরদেহ পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামের আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উন্মুক্ত সেপটিক ট্যাংকে মরদেহটি বস্তাবন্দি অবস্থায় দেখেন স্থানীয় এক কৃষক।
১৬ মিনিট আগে
সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ‘আমরা সড়ক নিরাপদ রাখতে চাই।
১৮ মিনিট আগে