স্ট্রিম প্রতিবেদক

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল আকারের বাজেটকে ‘উচ্চাকাঙ্ক্ষী’ আখ্যা দিয়েছে । প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বাজেটে প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, তা অর্জন করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। এই লক্ষ্য পূরণে কাঠামোগত সংস্কার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সুশাসনের কোনো বিকল্প নেই।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এদিনই সন্ধ্যায় বাজেট-পরবর্তী এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।
মাত্র চার মাসের মধ্যে এমন একটি পূর্ণাঙ্গ বাজেট প্রণয়নের জন্য অর্থমন্ত্রী ও তাঁর দলকে সিপিডির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে এটি একটি প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া উল্লেখ করে তিনি জানান, শুক্রবার সকালে বিস্তারিত বিশ্লেষণ তুলে ধরা হবে।
উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা
প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ৫ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের ঘরে থাকতে পারে। সেখান থেকে এক লাফে ৬.৫ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ বেশ উচ্চাকাঙ্ক্ষী। তবে অর্থনীতির আকার ও জনসংখ্যার বিবেচনায় এটি অর্জন অসম্ভব নয়। এর জন্য পূর্বশর্ত হলো— বেসরকারি বিনিয়োগে গতি আনা, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি খাতে গতিশীলতা তৈরি।
মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ঘরে রয়েছে। এক বছরের মধ্যে এটিকে সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনতে হলে টাকার বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির সাথে রাজস্ব নীতির সঠিক সমন্বয় করতে হবে।
বাস্তববর্জিত রাজস্ব ও রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা
বাজেটে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে সিপিডি। ফাহমিদা খাতুন বলেন, ঐতিহাসিকভাবেই আমাদের রাজস্ব আদায়ে দুর্বলতা রয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি মাত্র ৬ দশমিক ৯ শতাংশ। বছর শেষে আগের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে হলে শেষ তিন মাসে প্রায় ৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দরকার, যা একেবারেই অসম্ভব।
একইভাবে রপ্তানির অনুমিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলে সিপিডি। সংস্থাটি জানায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক (মাইনাস ২ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ)। অথচ আগামী দুই মাসের মধ্যে এটি ৯ দশমিক ২ শতাংশ হবে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরের জন্য প্রায় ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে। অনুমিতি বা লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবসম্মত না হলে বাজেটের পুরো শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে বলে সতর্ক করেন তিনি।
ব্যাংক নির্ভরতা ও ব্যক্তিখাতে ঋণপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা
আগামী অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৩ দশমিক ৬ শতাংশ ধরা হয়েছে। এই ঘাটতি মেটাতে সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। সিপিডি মনে করে, সরকারের মাত্রাতিরিক্ত ব্যাংক নির্ভরতা ব্যক্তিখাতের জন্য নেতিবাচক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
ড. ফাহমিদা বলেন, সরকার যদি ব্যাংক থেকে প্রচুর ঋণ নেয়, তবে ব্যক্তিখাত ঋণ নিতে গেলে তারল্য সংকট (লিকুইডিটি ক্রাইসিস) তৈরি হবে। ক্রাউডিং আউট ইফেক্টের ফলে ঋণের সুদের হার বেড়ে যাবে, যা বর্তমান সরকারের ‘বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ’ সৃষ্টির লক্ষ্যের সাথে সাংঘর্ষিক।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ইতিবাচক করনীতি
বাজেটে প্রত্যক্ষ করের দিকে মনোযোগ দেওয়া এবং কর অব্যাহতি কমানোর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে সিপিডি। এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে সৌর বিদ্যুতের প্যানেল ও যন্ত্রপাতিতে শুল্ক শূন্য করা এবং বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) আমদানিতে কর ছাড় দেওয়ার বিষয়টিকে ‘সবুজ অর্থনীতির দিকে যাওয়ার একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত’ বলে মন্তব্য করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা
শিক্ষা খাতে জিডিপির ১ দশমিক ৭৯ শতাংশ এবং স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ করার প্রস্তাবকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মনে করে সিপিডি। পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বরাদ্দ বাড়িয়ে জিডিপির ২ দশমিক ১১ শতাংশ করা এবং সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প সম্প্রসারণের উদ্যোগেরও প্রশংসা করা হয়। তবে সিপিডি জোর দিয়ে বলেছে, শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। সুবিধাভোগীদের ডেটাবেস শক্তিশালী করে প্রকৃত অভাবীদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ দেন ফাহমিদা খাতুন।
সংস্কারের উপযুক্ত সময় এখনই
বাজেটে এনবিআরের কর নীতি ও প্রশাসনের পৃথকীকরণ, ব্যাংকিং খাতের পুনর্গঠন এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার অটোমেশনের কথা বলা হয়েছে। সিপিডি বলছে, যেকোনো সংস্কারই সাধারণত অজনপ্রিয় হয়। তবে যেহেতু এটি বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেট, তাই বড় ও কঠিন সংস্কারগুলো বাস্তবায়নের জন্য এখনই সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।
ড. ফাহমিদা খাতুন তাঁর বক্তব্যের শেষে বলেন, বাজেটের এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারের প্রবল রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রয়োজন। এসব নিশ্চিত করা গেলেই কেবল প্রস্তাবিত এই বাজেটের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল আকারের বাজেটকে ‘উচ্চাকাঙ্ক্ষী’ আখ্যা দিয়েছে । প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বাজেটে প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, তা অর্জন করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। এই লক্ষ্য পূরণে কাঠামোগত সংস্কার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সুশাসনের কোনো বিকল্প নেই।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এদিনই সন্ধ্যায় বাজেট-পরবর্তী এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।
মাত্র চার মাসের মধ্যে এমন একটি পূর্ণাঙ্গ বাজেট প্রণয়নের জন্য অর্থমন্ত্রী ও তাঁর দলকে সিপিডির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে এটি একটি প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া উল্লেখ করে তিনি জানান, শুক্রবার সকালে বিস্তারিত বিশ্লেষণ তুলে ধরা হবে।
উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা
প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ৫ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের ঘরে থাকতে পারে। সেখান থেকে এক লাফে ৬.৫ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ বেশ উচ্চাকাঙ্ক্ষী। তবে অর্থনীতির আকার ও জনসংখ্যার বিবেচনায় এটি অর্জন অসম্ভব নয়। এর জন্য পূর্বশর্ত হলো— বেসরকারি বিনিয়োগে গতি আনা, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি খাতে গতিশীলতা তৈরি।
মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ঘরে রয়েছে। এক বছরের মধ্যে এটিকে সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনতে হলে টাকার বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির সাথে রাজস্ব নীতির সঠিক সমন্বয় করতে হবে।
বাস্তববর্জিত রাজস্ব ও রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা
বাজেটে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে সিপিডি। ফাহমিদা খাতুন বলেন, ঐতিহাসিকভাবেই আমাদের রাজস্ব আদায়ে দুর্বলতা রয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি মাত্র ৬ দশমিক ৯ শতাংশ। বছর শেষে আগের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে হলে শেষ তিন মাসে প্রায় ৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দরকার, যা একেবারেই অসম্ভব।
একইভাবে রপ্তানির অনুমিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলে সিপিডি। সংস্থাটি জানায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক (মাইনাস ২ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ)। অথচ আগামী দুই মাসের মধ্যে এটি ৯ দশমিক ২ শতাংশ হবে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরের জন্য প্রায় ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে। অনুমিতি বা লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবসম্মত না হলে বাজেটের পুরো শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে বলে সতর্ক করেন তিনি।
ব্যাংক নির্ভরতা ও ব্যক্তিখাতে ঋণপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা
আগামী অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৩ দশমিক ৬ শতাংশ ধরা হয়েছে। এই ঘাটতি মেটাতে সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। সিপিডি মনে করে, সরকারের মাত্রাতিরিক্ত ব্যাংক নির্ভরতা ব্যক্তিখাতের জন্য নেতিবাচক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
ড. ফাহমিদা বলেন, সরকার যদি ব্যাংক থেকে প্রচুর ঋণ নেয়, তবে ব্যক্তিখাত ঋণ নিতে গেলে তারল্য সংকট (লিকুইডিটি ক্রাইসিস) তৈরি হবে। ক্রাউডিং আউট ইফেক্টের ফলে ঋণের সুদের হার বেড়ে যাবে, যা বর্তমান সরকারের ‘বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ’ সৃষ্টির লক্ষ্যের সাথে সাংঘর্ষিক।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ইতিবাচক করনীতি
বাজেটে প্রত্যক্ষ করের দিকে মনোযোগ দেওয়া এবং কর অব্যাহতি কমানোর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে সিপিডি। এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে সৌর বিদ্যুতের প্যানেল ও যন্ত্রপাতিতে শুল্ক শূন্য করা এবং বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) আমদানিতে কর ছাড় দেওয়ার বিষয়টিকে ‘সবুজ অর্থনীতির দিকে যাওয়ার একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত’ বলে মন্তব্য করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা
শিক্ষা খাতে জিডিপির ১ দশমিক ৭৯ শতাংশ এবং স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ করার প্রস্তাবকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মনে করে সিপিডি। পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বরাদ্দ বাড়িয়ে জিডিপির ২ দশমিক ১১ শতাংশ করা এবং সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প সম্প্রসারণের উদ্যোগেরও প্রশংসা করা হয়। তবে সিপিডি জোর দিয়ে বলেছে, শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। সুবিধাভোগীদের ডেটাবেস শক্তিশালী করে প্রকৃত অভাবীদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ দেন ফাহমিদা খাতুন।
সংস্কারের উপযুক্ত সময় এখনই
বাজেটে এনবিআরের কর নীতি ও প্রশাসনের পৃথকীকরণ, ব্যাংকিং খাতের পুনর্গঠন এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার অটোমেশনের কথা বলা হয়েছে। সিপিডি বলছে, যেকোনো সংস্কারই সাধারণত অজনপ্রিয় হয়। তবে যেহেতু এটি বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেট, তাই বড় ও কঠিন সংস্কারগুলো বাস্তবায়নের জন্য এখনই সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।
ড. ফাহমিদা খাতুন তাঁর বক্তব্যের শেষে বলেন, বাজেটের এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারের প্রবল রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রয়োজন। এসব নিশ্চিত করা গেলেই কেবল প্রস্তাবিত এই বাজেটের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নবম বেতন কাঠামোয় সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা আর সর্বোচ্চ এক লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এই নতুন কাঠামো ১ জুলাই থেকে বাস্তবায়ন হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
১ ঘণ্টা আগে
রাজবাড়ীর কালুখালী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে চাঁদা দাবি, মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে বিএনপির দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুন) অভিযান চালিয়ে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
দেশের সব রপ্তানিমুখী খাতের জন্য কাস্টমস বন্ড সুবিধা সম্প্রসারণসহ ব্যবসা সহজ করতে একগুচ্ছ প্রস্তাব করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে সংসদে বাজেট বক্তৃতায় এসব সংস্কারের কথা জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী রাজনৈতিক দল প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে বিক্ষোভ করেছে। তবে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ (কালো টাকা সাদা) করার সুযোগ না রাখায় সাধুবাদ জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
২ ঘণ্টা আগে