স্ট্রিম প্রতিবেদক

সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন একটি মামলার রায় পক্ষে এনে দেওয়ার কথা বলে সদ্য অব্যাহতি পাওয়া সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার এই সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) মো. আবুল হাসানকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও প্রজ্ঞাপনে এর কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী মো. সারোয়ার খালেদ নামের ওই ব্যক্তি কয়েকদিন আগে এই অভিযোগ করলেও সোমবার তা গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে আসে।
নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে এএজি মো. আবুল হাসানকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের দ্বিতীয় দিনে এই অভিযোগের বিষয়টি আমাকে অবহিত করা হয়। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় আমি সংশ্লিষ্ট সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে কথা বলি। অভিযোগের বিষয়ে তার জবাব আমার কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি।’
সিলিকন রিয়েল এস্টেট (প্রাইভেট) লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. সারোয়ার খালেদ সম্প্রতি অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে আবুল হাসানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের এই লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) কর্তৃক দায়েরকৃত একটি রিট পিটিশনে ২০২৪ সালের ২৬ মে হাই কোর্ট সিলিকন রিয়েল এস্টেটের বিরুদ্ধে রুল ও নির্দেশনা জারি করে। এই রুল তিন মাসের মধ্যে খারিজ (ডিসচার্জ) করিয়ে দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল হাসান ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা নেন। পূর্ব পরিচিত আরেক আইনজীবী মো. ফখরুল ইসলামের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে তাকে এই নগদ টাকা পরিশোধ করা হয়।
টাকা নেওয়ার এক বছর পার হলেও আবুল হাসান মামলায় কোনো পদক্ষেপ নেননি বলে অভিযোগকারীর দাবি।
তার অভিযোগ, বারবার তাগাদা দিলেও আবুল হাসান বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। পরবর্তীতে অন্য আইনজীবী নিয়োগের জন্য তার কাছ থেকে মামলার অনাপত্তিপত্র (এনওসি) নেওয়া হলেও তিনি ওই ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা আর ফেরত দেননি। আপসের চেষ্টা করেও তার কাছ থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী সারোয়ার খালেদ স্ট্রিমকে বলেন, শুরুতে বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে আবুল হাসান তার আস্থা অর্জন করেন এবং দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। বিশেষ করে হাই কোর্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে জরুরি ভিত্তিতে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল।
সারোয়ার খালেদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি আর্থিক সংকটের মধ্যেও ধারদেনা করে একাধিক কিস্তিতে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদান করেন। এসব লেনদেনের বেশিরভাগই নগদে হয়েছে এবং আদালতের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। তার অফিসের কর্মীরাও এই লেনদেনের সাক্ষী রয়েছেন এবং লেজারে তারিখসহ টাকার হিসাব সংরক্ষিত আছে।
অভিযুক্ত আইনজীবী এখন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছেন জানিয়ে এই ব্যবসায়ী বলেন, ‘পরবর্তীতে তিনি নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে বিষয়টি স্পষ্ট হলে আমরা সরাসরি বৈঠকে বসি এবং টাকা ফেরত ও এনওসি দেওয়ার অনুরোধ জানাই। তিনি এনওসি দিলেও টাকা ফেরত দেননি এবং এরপর থেকে যোগাযোগ এড়িয়ে যাচ্ছেন।’
পুরো ঘটনার সমর্থনে তার কাছে কল রেকর্ড, লেনদেনের হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষ্য রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি জানান, গত রোজার আগেই অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছিল।
গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তাদের দক্ষতা মূল্যায়ন কার্যক্রম চলাকালে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছিলেন আরও দুই সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুহা. মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন ও আহমদ মুসাননা চৌধুরী। সেই ঘটনার কয়েক দিনের মাথায় এবার সুনির্দিষ্ট আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে নিয়োগ বাতিল হলো আরেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের।

সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন একটি মামলার রায় পক্ষে এনে দেওয়ার কথা বলে সদ্য অব্যাহতি পাওয়া সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার এই সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) মো. আবুল হাসানকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও প্রজ্ঞাপনে এর কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী মো. সারোয়ার খালেদ নামের ওই ব্যক্তি কয়েকদিন আগে এই অভিযোগ করলেও সোমবার তা গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে আসে।
নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে এএজি মো. আবুল হাসানকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের দ্বিতীয় দিনে এই অভিযোগের বিষয়টি আমাকে অবহিত করা হয়। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় আমি সংশ্লিষ্ট সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে কথা বলি। অভিযোগের বিষয়ে তার জবাব আমার কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি।’
সিলিকন রিয়েল এস্টেট (প্রাইভেট) লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. সারোয়ার খালেদ সম্প্রতি অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে আবুল হাসানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের এই লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) কর্তৃক দায়েরকৃত একটি রিট পিটিশনে ২০২৪ সালের ২৬ মে হাই কোর্ট সিলিকন রিয়েল এস্টেটের বিরুদ্ধে রুল ও নির্দেশনা জারি করে। এই রুল তিন মাসের মধ্যে খারিজ (ডিসচার্জ) করিয়ে দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল হাসান ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা নেন। পূর্ব পরিচিত আরেক আইনজীবী মো. ফখরুল ইসলামের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে তাকে এই নগদ টাকা পরিশোধ করা হয়।
টাকা নেওয়ার এক বছর পার হলেও আবুল হাসান মামলায় কোনো পদক্ষেপ নেননি বলে অভিযোগকারীর দাবি।
তার অভিযোগ, বারবার তাগাদা দিলেও আবুল হাসান বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। পরবর্তীতে অন্য আইনজীবী নিয়োগের জন্য তার কাছ থেকে মামলার অনাপত্তিপত্র (এনওসি) নেওয়া হলেও তিনি ওই ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা আর ফেরত দেননি। আপসের চেষ্টা করেও তার কাছ থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী সারোয়ার খালেদ স্ট্রিমকে বলেন, শুরুতে বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে আবুল হাসান তার আস্থা অর্জন করেন এবং দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। বিশেষ করে হাই কোর্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে জরুরি ভিত্তিতে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল।
সারোয়ার খালেদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি আর্থিক সংকটের মধ্যেও ধারদেনা করে একাধিক কিস্তিতে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদান করেন। এসব লেনদেনের বেশিরভাগই নগদে হয়েছে এবং আদালতের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। তার অফিসের কর্মীরাও এই লেনদেনের সাক্ষী রয়েছেন এবং লেজারে তারিখসহ টাকার হিসাব সংরক্ষিত আছে।
অভিযুক্ত আইনজীবী এখন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছেন জানিয়ে এই ব্যবসায়ী বলেন, ‘পরবর্তীতে তিনি নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে বিষয়টি স্পষ্ট হলে আমরা সরাসরি বৈঠকে বসি এবং টাকা ফেরত ও এনওসি দেওয়ার অনুরোধ জানাই। তিনি এনওসি দিলেও টাকা ফেরত দেননি এবং এরপর থেকে যোগাযোগ এড়িয়ে যাচ্ছেন।’
পুরো ঘটনার সমর্থনে তার কাছে কল রেকর্ড, লেনদেনের হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষ্য রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি জানান, গত রোজার আগেই অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছিল।
গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তাদের দক্ষতা মূল্যায়ন কার্যক্রম চলাকালে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছিলেন আরও দুই সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুহা. মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন ও আহমদ মুসাননা চৌধুরী। সেই ঘটনার কয়েক দিনের মাথায় এবার সুনির্দিষ্ট আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে নিয়োগ বাতিল হলো আরেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের।

যশোর-নড়াইল মহাসড়কের তারাগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৯০০ গ্রাম স্বর্ণ (গোল্ড পেস্ট) ও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ ওয়াজিদ আলী আমিন আহমেদ (৩১) নামে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশের চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ অন্যান্য বড় হাসপাতালে ১০ জন করে সশস্ত্র আনসার সদস্য মোতায়েন করার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
৮ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি সাশ্রয় ও সরকারি ব্যয় কমাতে সরকারের নির্দেশনার আলোকে সুপ্রিম কোর্টের ভার্চ্যুয়াল শুনানির সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে কক্সবাজার জেলায় বোরো ধানের চাষ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। প্রয়োজনীয় ডিজেল না পাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে হাজারো সেচপাম্প। এতে জেলার অন্তত ২৫ হাজার হেক্টর জমির ধানখেত শুকিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে