বিএনপির প্রার্থী মাধবী মারমার প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে ইসিতে ছাত্রদল নেত্রীর আবেদন

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ০০
ইসিতে কথা বলছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক চন্দ্রা চাকমা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত নারী প্রার্থী মাধবী মারমার প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আপিল করেছেন দলটির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক চন্দ্রা চাকমা। আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) বরাবর তিনি এই আপিল করেন। আপিল শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই তথ্য জানান।

এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি চন্দ্রা চাকমা। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীত নারী প্রার্থী মাধবী মারমা জেলা পরিষদের সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ না করে, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়াই গত ২১ এপ্রিল জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। যা আইনগতভাবে অবৈধ। সেজন্য আমি তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বরাবর আবেদন করেছি। আশা করি নির্বাচন কমিশন থেকে এ বিষয় গুরুত্বর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এ সময় তিনিও সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী ছিলেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমিও একজন প্রার্থী ছিলাম। বিএনপি থেকে নমিনেশন কিনেছিলাম এবং নির্বাচন কমিশন অফিস থেকেও আমি কিনেছিলাম।’

সরকার তো স্থানীয় সরকারগুলোকে বিলুপ্ত করেছিল, পার্বত্য জেলাগুলোতে বিলুপ্ত হয়েছে কিনা জানতে চাইলে চন্দ্রা চাকমা বলেন, ‘অন্যান্য জেলা পরিষদের আইন এক ধরনের, আর তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের আইন আরেকধরনের। জেলা পরিষদের আইনে কিন্তু লেখা আছে যে পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ইত্যাদি জনসেবক বলে গণ্য হইবেন। এটা একটা বিষয়। আরেকটি বিষয় হচ্ছে চেয়ারম্যান ও সদস্যরা পদত্যাগ সরকারের উদ্দেশে সইযুক্ত পত্রের মাধ্যমে চেয়ারম্যান এবং চেয়ারম্যানের উদ্দেশ্যে সইযুক্ত পত্র যোগে যে কোনো সদস্য স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারবেন। পদত্যাগ গ্রহণ হওয়ার তারিখ থেকে পদত্যাগ কার্যকর হবে এবং পদত্যাগকারীর পদ শূন্য হবে।’

মাধবী মারমা পদত্যাগ করেননি দাবি করে তিনি বলেন, ‘উনি ২১ তারিখে কিন্তু এখানে তার মনোনয়নপত্র সবকিছু দাখিল করেছেন। যার কারণে তিনি জেলা পরিষদের আইন যেমন লঙ্ঘন করেছেন, তেমনি নির্বাচন কমিশনের আইনও লঙ্ঘন করেছেন।'

তবে চন্দ্রা চাকমার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাধবী মারমা। মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমার ইতিমধ্যে পদত্যাগ করা হয়ে গেছে এবং এটার কপি অনুমোদন হয়ে যেখানে যাওয়ার সেখানে চলেও গেছে। আমি ২০ এপ্রিল পদত্যাগ করেছি।’

সম্পর্কিত