জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

২ আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

হাইকোর্ট ভবন। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির মামলায় রাজধানীর দুটি আসনের ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ সব নির্বাচনী সরঞ্জাম হেফাজতে নিতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ওই দুই আসন ঢাকা-১৬ ও ঢাকা-৪ আসনে বিজয়ী প্রার্থীদের নোটিশও দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গঠিত বিচারপতি জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার (৮ মার্চ) শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এ ছাড়া পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৮ জুন দিন ধার্য করেছেন।

আদালতে ঢাকা-১৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক এবং ঢাকা-৪ আসনের একই দলের প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

পরে রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলে আমিনুল হককে ৩ হাজার ৩৬১ ভোট এবং তানভীর আহমেদকে ২ হাজার ৯২০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত দেখানো হয়েছে। এ দুটি আসনে যথাক্রমে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন এবং মোহাম্মদ সৈয়দ জয়নুল আবেদিনকে বিজয়ী দেখানো হয়েছে।

আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এই আইনজীবী জানান, নির্বাচনের ফলাফল এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেখানে কোনো প্রার্থীর এজেন্টের সই নেওয়া হয়নি। কিছু জায়গায় থাকলেও তা অসম্পূর্ণ। তিনি বলেন, ‘আমরা আদালতে অকাট্য ভিডিও প্রমাণ দেখিয়েছি, যেখানে দেখা যাচ্ছে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিজে বিজয়ী প্রার্থীর পক্ষে ব্যালটে সিল মারছেন।’

এ ছাড়া পিটিশনে নির্বাচনের আগে থেকেই ভোটার ও বিএনপির পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখানো, কালো টাকার প্রভাব এবং বিজয়ী প্রার্থীদের পক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজ করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত পিটিশন দুটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। একসঙ্গে আদালত অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেন, এই দুই নির্বাচনী এলাকার ব্যালট বাক্স, ব্যালটের মুড়ি বই থেকে শুরু করে সব ধরনের নির্বাচনী সরঞ্জাম যেন সুরক্ষিত অবস্থায় হেফাজতে রাখা হয়।

সম্পর্কিত