স্ট্রিম প্রতিবেদক

মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ এবং নির্যাতিত ২ লাখ নারীর পূর্ণাঙ্গ জাতীয় তালিকা প্রণয়নসহ তাঁদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান জনস্বার্থে এই নোটিশ পাঠান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) মহাপরিচালক বরাবর এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, ৩০ লাখ শহীদ এবং ২ লাখ নারীর সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। সরকার বর্তমানে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা, কোটা ও বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সুবিধা দিচ্ছে। কিন্তু স্বাধীনতার এত দশক পেরিয়ে গেলেও শহীদ ও নির্যাতিত নারীদের কোনো যাচাইকৃত তালিকা প্রকাশ না করা এবং তাঁদের পরিবারকে আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত রাখা একটি অবিচার। নোটিশে এই বিষয়কে বৈষম্য ও সংবিধানের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইনি নোটিশে আরও বলা হয়, পরিবারের প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে শহীদ পরিবারগুলো দারিদ্র্য ও সামাজিক অবহেলার মধ্যে জীবনযাপন করছে। একইভাবে, নির্যাতনের শিকার নারীদের অনেকেই মানসিক ও শারীরিক কষ্ট ভোগ করেছেন এবং সরাসরি কোনো আর্থিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
এই প্রেক্ষাপটে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ৩০ লাখ শহীদ এবং ২ লাখ নির্যাতিত নারীর সম্পূর্ণ ও যাচাইকৃত জাতীয় তালিকা প্রস্তুত করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শহীদদের পরিবার ও নির্যাতিত নারীদের জন্য সম্মানজনক আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়েছে নোটিশে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া না হলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান স্ট্রিমকে বলেন, ‘এ কাজ অনেক আগেই করা উচিত ছিল। জীবিত মুক্তিযোদ্ধারা বা তাঁদের পরিবার সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন, কিন্তু যাঁরা শহীদ হয়েছেন বা যাঁরা বীরাঙ্গনা, তাঁদের পরিবার কোনো সরকারি সুবিধা পাচ্ছে না। এমনকি তাঁদের কোনো পূর্ণাঙ্গ তালিকাও নেই, যা অন্যায়। এই বিবেচনা থেকেই জনস্বার্থে সরকারকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে।’

মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ এবং নির্যাতিত ২ লাখ নারীর পূর্ণাঙ্গ জাতীয় তালিকা প্রণয়নসহ তাঁদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান জনস্বার্থে এই নোটিশ পাঠান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) মহাপরিচালক বরাবর এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, ৩০ লাখ শহীদ এবং ২ লাখ নারীর সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। সরকার বর্তমানে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা, কোটা ও বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সুবিধা দিচ্ছে। কিন্তু স্বাধীনতার এত দশক পেরিয়ে গেলেও শহীদ ও নির্যাতিত নারীদের কোনো যাচাইকৃত তালিকা প্রকাশ না করা এবং তাঁদের পরিবারকে আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত রাখা একটি অবিচার। নোটিশে এই বিষয়কে বৈষম্য ও সংবিধানের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইনি নোটিশে আরও বলা হয়, পরিবারের প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে শহীদ পরিবারগুলো দারিদ্র্য ও সামাজিক অবহেলার মধ্যে জীবনযাপন করছে। একইভাবে, নির্যাতনের শিকার নারীদের অনেকেই মানসিক ও শারীরিক কষ্ট ভোগ করেছেন এবং সরাসরি কোনো আর্থিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
এই প্রেক্ষাপটে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ৩০ লাখ শহীদ এবং ২ লাখ নির্যাতিত নারীর সম্পূর্ণ ও যাচাইকৃত জাতীয় তালিকা প্রস্তুত করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শহীদদের পরিবার ও নির্যাতিত নারীদের জন্য সম্মানজনক আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়েছে নোটিশে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া না হলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান স্ট্রিমকে বলেন, ‘এ কাজ অনেক আগেই করা উচিত ছিল। জীবিত মুক্তিযোদ্ধারা বা তাঁদের পরিবার সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন, কিন্তু যাঁরা শহীদ হয়েছেন বা যাঁরা বীরাঙ্গনা, তাঁদের পরিবার কোনো সরকারি সুবিধা পাচ্ছে না। এমনকি তাঁদের কোনো পূর্ণাঙ্গ তালিকাও নেই, যা অন্যায়। এই বিবেচনা থেকেই জনস্বার্থে সরকারকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে।’
.png)

বগুড়া সদর উপজেলায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। নিপীড়নের শিকার ওই নারী বর্তমানে প্রায় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুজনকে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) গভীর রাতে আটকের পর পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা।
৩৬ মিনিট আগে
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের-সংলগ্ন মেস থেকে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরের খালপাড় এলাকার মেসে নিজের কক্ষে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ পাওয়া যায়। এর আগে দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশ ডাকে মেসের অন্য সদস্যরা।
২ ঘণ্টা আগে
কাবিননামা তৈরি করা সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানার গাবুরা ইউনিয়নের কাজী মাওলানা বিএএম বাকী বিল্লাহ বিয়েতেই ছিলেন না। কবে, কোথায় বিয়ে হয়েছে সেটিও জানেন না বলে জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) চিকিৎসা কেন্দ্রে ১৯ হাজার ৫৬৭টি ওষুধের গরমিল পাওয়া গেছে। গত ২১ দিনে সরবরাহ করা ৯ ধরনের এসব ওষুধের নথিপত্রে কোনো হিসাব মেলেনি।
১৪ ঘণ্টা আগে