স্ট্রিম এক্সপ্লেইনার /পাকিস্তানি বাহিনীর রণকৌশল যেভাবে মোকাবিলা করে মিত্রবাহিনী১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের লড়াই ছিল না। এটি ছিল সামরিক কৌশল প্রয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এই যুদ্ধে মিত্রবাহিনী গঠিত হয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে।
রক্ত, বর্ষা আর বদ্বীপ: নদীর যুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয়ের ইতিহাস১৯৭১-এ নদী কীভাবে পাকিস্তানের সাপ্লাই চেইন ভেঙে দিয়েছিল, কেন অপারেশন জ্যাকপট ছিল গেমচেঞ্জার এবং কীভাবে মেঘনা পারাপার ত্বরান্বিত করেছিল ঢাকার পতন। একাত্তরে পাকিস্তান কি শুধু মুক্তিবাহিনীর কাছে হেরেছিল? নাকি তার সাথে তারা হেরেছিল এই বদ্বীপের নদী, বর্ষা ও ভূগোলের কাছে?
একাত্তরে নদী ছিল অঘোষিত কমান্ডার: মোহাম্মদ এজাজের মুখোমুখিমুক্তিযুদ্ধে বাংলার নদ-নদীগুলো হয়ে উঠেছিল পাকিস্তানের জন্য ‘লজিস্টিক্যাল নাইটমেয়ার’ বা মৃত্যুফাঁদ, আর আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ‘সেফ জোন’। কিন্তু এই যে ‘মানুষ বনাম প্রকৃতি’র লড়াই, কিংবা মানচিত্রের টেবিলে বসে নদীকে কেন্দ্র করে সেক্টর ভাগ করার এই সুক্ষ্ম কৌশল—এগুলো নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা আসলে করেছেনট
জায়নামাজ থেকে রণাঙ্গন: একাত্তরের পীর-মাশায়েখদের বিস্মৃত যুদ্ধ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে দীর্ঘদিন ধরে একটি সরল ও বিকৃত বয়ানের ভেতর বন্দী করে রাখা হয়েছে অথচ ইতিহাসের গভীরে তাকালে দেখা যায় এক ভিন্ন, বিস্ময়কর সত্য। একাত্তরের রণাঙ্গনে বাংলার বহু পীর, সুফি সাধক ও আলেম কেবল মসজিদ বা খানকায় সীমাবদ্ধ ছিলেন না; তারা অস্ত্র হাতে নিয়েছেন, আশ্রয় দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধাদের, গড়ে
পাকিস্তানি পাসপোর্ট ছিড়ে ফেলে দুই বাঙালি চিকিৎসক মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসায় আসেন শরণার্থী শিবিরে১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল। লন্ডনের বিখ্যাত হাইড পার্কে ঘটে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। পাকিস্তানি বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে বিলাতের নিশ্চিত ও নিরাপদ জীবনের হাতছানি উপেক্ষা করে দুই বাঙালি তরুণ চিকিৎসক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও ডা. এম এ মবিন নিজেদের পাকিস্তানি পাসপোর্ট ছিড়ে আগুনে পুড়িয়ে দেন।
মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা: দোদুল্যমান সরকার কিন্তু অটল জনসমর্থন১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বিশ্ব রাজনীতির পরাশক্তিগুলোর ভূমিকা ছিল স্পষ্ট ও বিভাজিত। একদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল, অন্যদিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারত দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশের পাশে।
১৯৭১: চীন যে কারণে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল১৯৭১ সালে বিশ্ব ছিল স্নায়ু যুদ্ধের টানাপোড়েনে ঝুঁকিপূর্ণ এক অবস্থায়। বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলো তখন পৃথিবীজুড়ে ভূরাজনৈতিক কৌশলগত দাবা খেলায় লিপ্ত ছিল। সেই প্রেক্ষাপটে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা আজকের বাংলাদেশ এক গভীর সংকটের দিকে এগোচ্ছিল।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কেন ইতিহাসের ভুল দিকে ছিল মধ্যপ্রাচ্যবাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ইতিহাসের ভুল দিকে অবস্থান নিয়েছিল। ধর্মীয় সংহতি, রাজনৈতিক স্বার্থ ও পরাশক্তিগুলোর ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে তারা ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা পালন করে।
একাত্তরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা: কৌশলগত স্বার্থের কাছে হেরেছিল মানবতা১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ছিল সুপরিকল্পিত কৌশলগত স্বার্থরক্ষার এক নির্মম উদাহরণ। সে সময় মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চেয়ে স্নায়ুযুদ্ধের ভূরাজনৈতিক স্বার্থ বড় হয়ে দেখা দিয়েছিল।
পাকিস্তানি জেনারেলদের স্ববিরোধিতার দলিলে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের নকশা১৯৭১ সালের বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে পাঁচ দশকে জল কম ঘোলা করা হয়নি। কখনো ভারতীয় ষড়যন্ত্র, কখনো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে মূল অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এই হত্যাকাণ্ডের ‘মাস্টারমাইন্ড’ কারা ছিল, তা প্রমাণের জন্য আমাদের ভারতীয় বা বাংলাদেশি নথির প্রয়োজন নেই।
ফটো নিউজ /শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগে এ দেশীয় রাজাকারদের সহায়তায় শিক্ষক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, বিজ্ঞানী, চিকিৎসকসহ দেশের বহু কৃতী সন্তানকে হত্যা করা হয়। পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করতে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী হাজারো মানুষকে হত্যা করে।
প্রিয় পতাকা: মহান মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত এই পতাকার রং কী বলে আমাদেরপ্রিয় পতাকা: মহান মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত এই পতাকার রং কী বলে আমাদের