স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার ও দিনটি উদযাপনকে কেন্দ্র করে কয়েকজন নাগরিককে গ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি)। সংগঠনটি বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপ মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী।
বুধবার (১১ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এইচআরএফবি জানায়, গত শনিবার ৭ মার্চের ভাষণ মাইকে প্রচার করার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান তিন শিক্ষার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি, আসিফ আহমেদ সৈকত ও আব্দুল আল মামুনকে সন্ত্রাস দমন আইনের মামলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই দিন রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়া চারজন নাগরিককেও একই আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এই ঘটনাগুলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতার লঙ্ঘন জানিয়ে এইচআরএফবি বলেছে, নাগরিকদের ওপর হামলা, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের বিষয়গুলো তদন্ত করা জরুরি। পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দৃশ্যমান দলীয় রাজনৈতিক প্রভাবের নিন্দাও জানায় সংগঠনটি।
সংগঠনটির মতে, শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা এবং জাতীয় ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ফলে এ ভাষণ প্রচার করা বা এর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা কোনোভাবেই অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের স্মারক হিসেবে স্বীকৃত কোনো ভাষণ বা ঐতিহাসিক ঘটনা স্মরণ নিষিদ্ধ করার নজির নেই। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ইতিহাস স্মরণ, মতপ্রকাশ এবং শান্তিপূর্ণভাবে শ্রদ্ধা নিবেদনের অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত।
এইচআরএফবি আরও বলেছে, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সাংস্কৃতিক অধিকার, চলাফেরার স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত মর্যাদা রক্ষা করা। কোনোভাবেই যেন আইন প্রয়োগ, সামাজিক চাপ বা অনানুষ্ঠানিক ক্ষমতার বলয়ে মৌলিক অধিকার সংকুচিত না হয়।
৭ মার্চের ভাষণ প্রচারকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তারদের অবিলম্বে মুক্তির দাবিও জানিয়েছেন সংগঠনটি।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার ও দিনটি উদযাপনকে কেন্দ্র করে কয়েকজন নাগরিককে গ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি)। সংগঠনটি বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপ মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী।
বুধবার (১১ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এইচআরএফবি জানায়, গত শনিবার ৭ মার্চের ভাষণ মাইকে প্রচার করার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান তিন শিক্ষার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি, আসিফ আহমেদ সৈকত ও আব্দুল আল মামুনকে সন্ত্রাস দমন আইনের মামলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই দিন রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়া চারজন নাগরিককেও একই আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এই ঘটনাগুলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতার লঙ্ঘন জানিয়ে এইচআরএফবি বলেছে, নাগরিকদের ওপর হামলা, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের বিষয়গুলো তদন্ত করা জরুরি। পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দৃশ্যমান দলীয় রাজনৈতিক প্রভাবের নিন্দাও জানায় সংগঠনটি।
সংগঠনটির মতে, শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা এবং জাতীয় ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ফলে এ ভাষণ প্রচার করা বা এর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা কোনোভাবেই অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের স্মারক হিসেবে স্বীকৃত কোনো ভাষণ বা ঐতিহাসিক ঘটনা স্মরণ নিষিদ্ধ করার নজির নেই। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ইতিহাস স্মরণ, মতপ্রকাশ এবং শান্তিপূর্ণভাবে শ্রদ্ধা নিবেদনের অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত।
এইচআরএফবি আরও বলেছে, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সাংস্কৃতিক অধিকার, চলাফেরার স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত মর্যাদা রক্ষা করা। কোনোভাবেই যেন আইন প্রয়োগ, সামাজিক চাপ বা অনানুষ্ঠানিক ক্ষমতার বলয়ে মৌলিক অধিকার সংকুচিত না হয়।
৭ মার্চের ভাষণ প্রচারকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তারদের অবিলম্বে মুক্তির দাবিও জানিয়েছেন সংগঠনটি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে আলোচিত তোফাজ্জল হোসেন হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে বারবার ‘নারাজি’ (আপত্তি) দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন নিহতের পক্ষের আইনজীবী।
৩২ মিনিট আগে
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমান সংসদকে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ হিসেবে কার্যকর করার জোর দাবি জানাবেন তারা।
১ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারে কুলাউড়ায় রিপন মিয়া নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের কোনো সদস্য বা সংশ্লিষ্ট কারও বিরুদ্ধে ওঠা অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছে পাঁচ সদস্যের ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি’।
১ ঘণ্টা আগে