স্ট্রিম ডেস্ক

বাংলাদেশে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সঙ্গে চাকরিতে প্রবেশ ও সুযোগ সুবিধা নিয়ে স্নাতক প্রকৌশলীদের দ্বন্দ্ব চলছে। এইরকম দ্বন্দ্ব শুধু বাংলাদেশেই আছে তা নয়। পাশের দেশ ভারতেও ঠিক একই রকমের সমস্যা আছে।
চাকরির বাজারে প্রবেশ ও সুযোগ সুবিধায় বিশ্বের অন্যান্য দেশেও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সঙ্গে স্নাতক প্রকৌশলীদের পার্থক্য বিদ্যমান। বেতন কাঠামো এবং পেশাগত অগ্রগতির সুযোগ-সুবিধায় প্রতিটি দেশেই ভিন্ন ভিন্ন নীতি দেখা যায়।
দুই দেশের দ্বন্দ্বের ধরন একই
ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সঙ্গে স্নাতক প্রকৌশলীদের দ্বন্দ্ব মূলত চাকরিতে সুযোগ সুবিধা আর পদোন্নতি নিয়েই। বাংলাদেশের ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা যেমন মনে করেন, তাদের আরও সুযোগ সুবিধা এবং ১০ম গ্রেপে শতভাগ কোটা থাকা তাদের অধিকার। পাশাপাশি ১০ গ্রেড থেকে পদোন্নতি পেয়ে ৯ম গ্রেডে যাওয়ার সুযোগও উপভোগ করতে পারবেন। তেমনি স্নাতক প্রকৌশলীদের দাবি, তাদেরকেও ১০ম গ্রেডের চাকরিতে আবেদনের সুযোগ দিতে হবে। আর ৯ম গ্রেডে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের পদোন্নতি দেওয়া যাবে না। শুধু তাই নয়, ডিপ্লোমা সার্টিফিকেটধারীরা ইঞ্জিনিয়ার টাইটেল ব্যবহার করতে পারবেন না। পাশের দেশ ভারতেও এই মোটামুটি একই ধারায় চলমান।
ভারতে ডিপ্লোমা ও স্নাতক প্রকৌশলীদের অবস্থা
ভারতে ডিপ্লোমা ও বিএসসি প্রকৌশলীদের চাকরিতে প্রবেশ ও সুবিধা কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারে ভিন্ন ভিন্ন ব্যবস্থা অনুসরণ করা হয়।
কেন্দ্রীয় সরকার : প্রাথমিক নিয়োগ: ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা সাধারণত জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার পদে যোগ দেন। স্নাতক প্রকৌশলীরা সরাসরি সহকারী প্রকৌশলী বা সমমানের পদে যোগ দেন।তবে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়াররা ৭-১০ বছর অভিজ্ঞতারা পাশাপাশি বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি পান। তারপর সুপারিনটেনডেন্ট পদে পদোন্নতি পান। অন্যদিকে স্নাতক প্রকৌশলীরা সরাসরি সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেওয়ায় অনেক দ্রুত উঁচু পদে পৌঁছে যান। আবার ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা যদি পরবর্তীতে স্নাতক করেন তবে তারাও দ্রুত প্রমোশন সুবিধা পান।
রাজ্য সরকার : প্রায় সব রাজ্যে (যেমন পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক) একই নিয়ম অনুসরণ করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার পদ থেকে সহকারী প্রকৌশলী পদে প্রমোশন সম্ভব। তবে প্রমোশনের জন্য সাধারণত ডিপার্টমেন্টাল প্রমোশনাল কমিটির (ডিপিসি) সুপারিশ লাগে।
উত্তরপ্রদেশে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রমোশন অনেকটা ধীর গতিতে হয়। অনেক সময় সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন। তবে স্নাতক ডিগ্রি না থাকলে সহকারী প্রকৌশলী হতে বাধা থাকে।
কর্ণাটক/মহারাষ্ট্রে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা সহকারী প্রকৌশলী পদ পর্যন্ত উঠতে পারেন। কিন্তু তার বেশি নির্বাহী প্রকৌশলী, সুপারেনটেন্ডিং প্রকৌশলী, প্রধান প্রকৌশলী সাধারণত কেবল স্নাতক প্রকৌশলীদের জন্য সংরক্ষিত।
দ্বন্দ্ব ভারতেও আছে
ভারতেও পদোন্নতি নিয়ে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সঙ্গে স্নাতক প্রকৌশলীদের দ্বন্দ্ব আছে।ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দাবি তারা মাঠে কাজ করেন, বাস্তব অভিজ্ঞতা বেশি। অনেকেই ১৫–২০ বছর কাজ করেও সহকারী প্রকৌশলী বা নির্বাহী প্রকৌশলী পদে উঠতে পারেন না। তাই তাঁরা প্রমোশনে সমান সুযোগ চান।
অন্যদিকে, স্নাতক প্রকৌশলীরা মনে করেন, তাদের উচ্চতর পড়াশোনা আছে, তাই উচ্চপদ তাদেরই প্রাপ্য। প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্ত, পরিকল্পনা ও নীতি নির্ধারণের কাজ স্নাতক প্রকৌশলীদেরই করা উচিত।
আদালতের রায়
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ও বিভিন্ন হাইকোর্ট একাধিকবার রায় দিয়েছে, স্নাতক প্রকৌশলীদের ক্যাডার আলাদা রাখা বৈধ। ফলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা সহকারী প্রকৌশলী পর্যন্ত উঠতে পারেন, কিন্তু তার উপরে নির্বাহী প্রকৌশলী, সুপারেনটেন্ডিং প্রকৌশলী, প্রধান প্রকৌশলী সাধারণত স্নাতক যোগ্যতা আবশ্যক।

বাংলাদেশে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সঙ্গে চাকরিতে প্রবেশ ও সুযোগ সুবিধা নিয়ে স্নাতক প্রকৌশলীদের দ্বন্দ্ব চলছে। এইরকম দ্বন্দ্ব শুধু বাংলাদেশেই আছে তা নয়। পাশের দেশ ভারতেও ঠিক একই রকমের সমস্যা আছে।
চাকরির বাজারে প্রবেশ ও সুযোগ সুবিধায় বিশ্বের অন্যান্য দেশেও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সঙ্গে স্নাতক প্রকৌশলীদের পার্থক্য বিদ্যমান। বেতন কাঠামো এবং পেশাগত অগ্রগতির সুযোগ-সুবিধায় প্রতিটি দেশেই ভিন্ন ভিন্ন নীতি দেখা যায়।
দুই দেশের দ্বন্দ্বের ধরন একই
ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সঙ্গে স্নাতক প্রকৌশলীদের দ্বন্দ্ব মূলত চাকরিতে সুযোগ সুবিধা আর পদোন্নতি নিয়েই। বাংলাদেশের ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা যেমন মনে করেন, তাদের আরও সুযোগ সুবিধা এবং ১০ম গ্রেপে শতভাগ কোটা থাকা তাদের অধিকার। পাশাপাশি ১০ গ্রেড থেকে পদোন্নতি পেয়ে ৯ম গ্রেডে যাওয়ার সুযোগও উপভোগ করতে পারবেন। তেমনি স্নাতক প্রকৌশলীদের দাবি, তাদেরকেও ১০ম গ্রেডের চাকরিতে আবেদনের সুযোগ দিতে হবে। আর ৯ম গ্রেডে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের পদোন্নতি দেওয়া যাবে না। শুধু তাই নয়, ডিপ্লোমা সার্টিফিকেটধারীরা ইঞ্জিনিয়ার টাইটেল ব্যবহার করতে পারবেন না। পাশের দেশ ভারতেও এই মোটামুটি একই ধারায় চলমান।
ভারতে ডিপ্লোমা ও স্নাতক প্রকৌশলীদের অবস্থা
ভারতে ডিপ্লোমা ও বিএসসি প্রকৌশলীদের চাকরিতে প্রবেশ ও সুবিধা কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারে ভিন্ন ভিন্ন ব্যবস্থা অনুসরণ করা হয়।
কেন্দ্রীয় সরকার : প্রাথমিক নিয়োগ: ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা সাধারণত জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার পদে যোগ দেন। স্নাতক প্রকৌশলীরা সরাসরি সহকারী প্রকৌশলী বা সমমানের পদে যোগ দেন।তবে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়াররা ৭-১০ বছর অভিজ্ঞতারা পাশাপাশি বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি পান। তারপর সুপারিনটেনডেন্ট পদে পদোন্নতি পান। অন্যদিকে স্নাতক প্রকৌশলীরা সরাসরি সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেওয়ায় অনেক দ্রুত উঁচু পদে পৌঁছে যান। আবার ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা যদি পরবর্তীতে স্নাতক করেন তবে তারাও দ্রুত প্রমোশন সুবিধা পান।
রাজ্য সরকার : প্রায় সব রাজ্যে (যেমন পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক) একই নিয়ম অনুসরণ করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার পদ থেকে সহকারী প্রকৌশলী পদে প্রমোশন সম্ভব। তবে প্রমোশনের জন্য সাধারণত ডিপার্টমেন্টাল প্রমোশনাল কমিটির (ডিপিসি) সুপারিশ লাগে।
উত্তরপ্রদেশে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রমোশন অনেকটা ধীর গতিতে হয়। অনেক সময় সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন। তবে স্নাতক ডিগ্রি না থাকলে সহকারী প্রকৌশলী হতে বাধা থাকে।
কর্ণাটক/মহারাষ্ট্রে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা সহকারী প্রকৌশলী পদ পর্যন্ত উঠতে পারেন। কিন্তু তার বেশি নির্বাহী প্রকৌশলী, সুপারেনটেন্ডিং প্রকৌশলী, প্রধান প্রকৌশলী সাধারণত কেবল স্নাতক প্রকৌশলীদের জন্য সংরক্ষিত।
দ্বন্দ্ব ভারতেও আছে
ভারতেও পদোন্নতি নিয়ে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সঙ্গে স্নাতক প্রকৌশলীদের দ্বন্দ্ব আছে।ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দাবি তারা মাঠে কাজ করেন, বাস্তব অভিজ্ঞতা বেশি। অনেকেই ১৫–২০ বছর কাজ করেও সহকারী প্রকৌশলী বা নির্বাহী প্রকৌশলী পদে উঠতে পারেন না। তাই তাঁরা প্রমোশনে সমান সুযোগ চান।
অন্যদিকে, স্নাতক প্রকৌশলীরা মনে করেন, তাদের উচ্চতর পড়াশোনা আছে, তাই উচ্চপদ তাদেরই প্রাপ্য। প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্ত, পরিকল্পনা ও নীতি নির্ধারণের কাজ স্নাতক প্রকৌশলীদেরই করা উচিত।
আদালতের রায়
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ও বিভিন্ন হাইকোর্ট একাধিকবার রায় দিয়েছে, স্নাতক প্রকৌশলীদের ক্যাডার আলাদা রাখা বৈধ। ফলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা সহকারী প্রকৌশলী পর্যন্ত উঠতে পারেন, কিন্তু তার উপরে নির্বাহী প্রকৌশলী, সুপারেনটেন্ডিং প্রকৌশলী, প্রধান প্রকৌশলী সাধারণত স্নাতক যোগ্যতা আবশ্যক।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) কার্যকর হবে ১ জুলাই থেকে। এরপর ধাপে ধাপে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। বিএনপি সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এসব প্রস্তাব রয়েছে।
৫ মিনিট আগে
বাজেটের আকার বৃদ্ধির চেয়ে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ ও সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, খুব বড় বাজেট দিয়ে আবার যদি কোনো কারণে ২০-৩০ শতাংশ লোপাট হয়ে যায়, তাহলে তো কোনো লাভ নেই।
২৫ মিনিট আগে
জামালপুরের বকশীগঞ্জের কামালপুর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে বৃদ্ধ ষষ্টি চন্দ্র বর্মনকে স্থানীয় বকশীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সীমান্তের ১০৮২ নম্বর পিলারের কাছ থেকে তাঁকে বাংলাদেশের ভেতর আনে বিজিবি।
১ ঘণ্টা আগে
সবার কাছে অর্থনীতির সুফল পৌঁছানোর বিষয়টি মাথায় রেখে এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, একটি সমাজকল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করাই এই বাজেটের লক্ষ্য।
২ ঘণ্টা আগে