স্ট্রিম সংবাদদাতা

একই বিষয়ে পরপর চারবার পরীক্ষা দিয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী অর্পিতা নওশিন। সহপাঠীদের অভিযোগ, শিক্ষকের রোষানলে পড়েই বারবার ফেল করতে হয়েছে তাঁকে। শেষ পর্যন্ত মানসিক যন্ত্রণায়, অভিমানে প্রাণ দিয়েছেন এই মেডিকেল শিক্ষার্থী।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কুমিল্লার একটি হোস্টেলের নিজ কক্ষ থেকে অর্পিতা নওশিনকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে সহপাঠীরা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। বন্ধুরা জানান, নওশিন মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে ১০৯টি ট্যাবলেট সেবন করেন।
অর্পিতা নওশিনের গ্রামের বাড়ি খুলনা সদরে। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছোট। খুলনার সরকারি করোনেশন গার্লস হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং খুলনা কলেজিয়েট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কেসিসি উইমেন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন মেডিকেলে। কিন্তু সেই স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই ফিরছে তার নিথর দেহ।
সহপাঠীদের অভিযোগ, প্রথম বর্ষ থেকেই কলেজের এনাটমি বিভাগের প্রধান ডা. মনিরা জহিরের রোষানলে পড়েন নওশিন। প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষায় অন্যান্য সব বিষয়ে পাস করলেও এনাটমিতে ফেল করেন তিনি। এরপর গত তিন বছরে আরও চারবার একই বিষয়ে পরীক্ষা দিলেও প্রতিবারই অকৃতকার্য হন।
বন্ধুরা জানান, প্রথম বর্ষে থাকতেই প্রকাশ্যে তাকে ফেল করানোর হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তবে ঠিক কী তাঁর সঙ্গে এমনটা করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।
এদিকে এই মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীরাও অভিযোগ করেন শিক্ষক মনিরা জহির কোনো কারণ ছাড়াই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণ করেন। তাঁর বিষয়ে তদন্ত করলেই নওশিনের আত্মহত্যার বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
নওশিনের বন্ধুরা জানান, গত ৮ মার্চ চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে তাদের ব্যাচের তৃতীয় প্রফের ফল প্রকাশিত হয়েছে। একই সেশনের অন্য শিক্ষার্থীরা এখন পঞ্চম বর্ষে পড়লেও নওশিন প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষাতেই আটকে ছিলেন।
নওশিনের ভাই শাহরিয়ার আরমান স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমার বোনের আত্মহত্যা করার মতো কোনো বিষয় ছিল না। কলেজের মানসিক চাপই তাকে এই পথে ঠেলে দিয়েছে। প্রথম বর্ষ থেকেই তাকে মানসিকভাবে নিপীড়ন করা হয়েছে। সবাই পাস করলেও আমার বোনকে একটি বিষয়ে আটকে রাখা হয়েছে। তার সমস্যা কী, সেটাও কেউ বলেনি।’
গত বৃহস্পতিবারও তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ফর্ম ফিলআপের জন্য টাকা চেয়েছিল। আমি আশ্বস্ত করেছিলাম টাকা পাঠাব। এমন খবর পাব, কখনও ভাবিনি।’
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক ডা. মনিরা জহির ক্যাম্পাসে অনুপস্থিত। যোগাযোগের একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাঁর মোবাইল ফোন নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফজলুল হক লিটন বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৭ মিনিটে ওই শিক্ষার্থীর অসুস্থতার খবর পাই। খবর পাওয়ার পর পর জরুরি বিভাগে থাকা সব চিকিৎসককে প্রোপার ট্রিটমেনরটের অনুরোধ জানাই। তাঁরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান ওই ছাত্রী মারা গেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি ও পরিচালক হাসপাতালে ছুটে যাই।’
এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘থানা থেকেও তদন্ত চলছে। যদি এ ঘটনায় কেউ যুক্ত থাকে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এ বিষয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল মোস্তফা বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। এর আগে এটি নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না।’

একই বিষয়ে পরপর চারবার পরীক্ষা দিয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী অর্পিতা নওশিন। সহপাঠীদের অভিযোগ, শিক্ষকের রোষানলে পড়েই বারবার ফেল করতে হয়েছে তাঁকে। শেষ পর্যন্ত মানসিক যন্ত্রণায়, অভিমানে প্রাণ দিয়েছেন এই মেডিকেল শিক্ষার্থী।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কুমিল্লার একটি হোস্টেলের নিজ কক্ষ থেকে অর্পিতা নওশিনকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে সহপাঠীরা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। বন্ধুরা জানান, নওশিন মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে ১০৯টি ট্যাবলেট সেবন করেন।
অর্পিতা নওশিনের গ্রামের বাড়ি খুলনা সদরে। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছোট। খুলনার সরকারি করোনেশন গার্লস হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং খুলনা কলেজিয়েট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কেসিসি উইমেন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন মেডিকেলে। কিন্তু সেই স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই ফিরছে তার নিথর দেহ।
সহপাঠীদের অভিযোগ, প্রথম বর্ষ থেকেই কলেজের এনাটমি বিভাগের প্রধান ডা. মনিরা জহিরের রোষানলে পড়েন নওশিন। প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষায় অন্যান্য সব বিষয়ে পাস করলেও এনাটমিতে ফেল করেন তিনি। এরপর গত তিন বছরে আরও চারবার একই বিষয়ে পরীক্ষা দিলেও প্রতিবারই অকৃতকার্য হন।
বন্ধুরা জানান, প্রথম বর্ষে থাকতেই প্রকাশ্যে তাকে ফেল করানোর হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তবে ঠিক কী তাঁর সঙ্গে এমনটা করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।
এদিকে এই মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীরাও অভিযোগ করেন শিক্ষক মনিরা জহির কোনো কারণ ছাড়াই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণ করেন। তাঁর বিষয়ে তদন্ত করলেই নওশিনের আত্মহত্যার বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
নওশিনের বন্ধুরা জানান, গত ৮ মার্চ চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে তাদের ব্যাচের তৃতীয় প্রফের ফল প্রকাশিত হয়েছে। একই সেশনের অন্য শিক্ষার্থীরা এখন পঞ্চম বর্ষে পড়লেও নওশিন প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষাতেই আটকে ছিলেন।
নওশিনের ভাই শাহরিয়ার আরমান স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমার বোনের আত্মহত্যা করার মতো কোনো বিষয় ছিল না। কলেজের মানসিক চাপই তাকে এই পথে ঠেলে দিয়েছে। প্রথম বর্ষ থেকেই তাকে মানসিকভাবে নিপীড়ন করা হয়েছে। সবাই পাস করলেও আমার বোনকে একটি বিষয়ে আটকে রাখা হয়েছে। তার সমস্যা কী, সেটাও কেউ বলেনি।’
গত বৃহস্পতিবারও তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ফর্ম ফিলআপের জন্য টাকা চেয়েছিল। আমি আশ্বস্ত করেছিলাম টাকা পাঠাব। এমন খবর পাব, কখনও ভাবিনি।’
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক ডা. মনিরা জহির ক্যাম্পাসে অনুপস্থিত। যোগাযোগের একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাঁর মোবাইল ফোন নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফজলুল হক লিটন বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৭ মিনিটে ওই শিক্ষার্থীর অসুস্থতার খবর পাই। খবর পাওয়ার পর পর জরুরি বিভাগে থাকা সব চিকিৎসককে প্রোপার ট্রিটমেনরটের অনুরোধ জানাই। তাঁরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান ওই ছাত্রী মারা গেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি ও পরিচালক হাসপাতালে ছুটে যাই।’
এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘থানা থেকেও তদন্ত চলছে। যদি এ ঘটনায় কেউ যুক্ত থাকে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এ বিষয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল মোস্তফা বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। এর আগে এটি নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না।’

সাতক্ষীরা সংলগ্ন পশ্চিম সুন্দরবনে জলদস্যুদের হাতে অপহরণের শিকার ১০ জেলের মধ্যে ছয়জন মুক্তিপণ দিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন। জেলেদের পরিবার মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করার পর তাঁরা বাড়িতে ফেরেন।
১ মিনিট আগে
নতুন নির্বাচিত সরকারের এক মাস পার হওয়ার পর, এই সংকট মোকাবিলায় দুটি দিকে নজর দেওয়া জরুরি—প্রথমত, দ্রুততম সময়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া এবং দ্বিতীয়ত, দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
২৪ মিনিট আগে
গ্যাস সংকটে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানা। এতে ব্যাহত হয়েছে অন্তত ২ হাজার কোটি টাকার ইউরিয়া উৎপাদন। বর্তমানে আমদানি করা সার দিয়ে চাহিদা মেটানো হচ্ছে।
২৬ মিনিট আগে
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, ‘আমাদের সংস্কৃতি নানা কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন একটি মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব। পরিবর্তন আনতে হবে চিন্তা, চেতনা ও মননের গভীরে।’
৪৩ মিনিট আগে