মাইদুল ইসলাম

দেশের মোট উৎপাদিত ধানের ৫৫ শতাংশই আসে বোরো থেকে। আর এই সেচনির্ভর ফসলটির ৬০ শতাংশই টিকে আছে ডিজেলচালিত সেচপাম্পের ওপর। সম্প্রতি ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের জেরে গত ২ মার্চ হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দেয় ইরান। এতে কাতার, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশমুখী এলএনজি ও জ্বালানি তেলের বেশ কয়েকটি জাহাজ আটকে যায়। এমন পরিস্থিতিতে ভরা সেচ মৌসুমে দেশে ডিজেল সংকটের আশঙ্কায় চরম আতঙ্কে পড়েন কৃষকেরা। তেলের আশায় নানা প্রান্তের পাম্পগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন তাঁরা।
তবে সরকার ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, দেশে সেচের জন্য জ্বালানির কোনো সংকট নেই। তেলের অভাবে কোথাও এক মুহূর্তের জন্যও সেচকাজ ব্যাহত হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ এখন আর জ্বালানির জন্য এককভাবে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল নয়। ইতিমধ্যে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ডিজেলে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর কতটা নির্ভরশীল বাংলাদেশ?
একটা সময় ডিজেলের জন্য পুরোপুরি মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল ছিল বাংলাদেশ। তবে গত দুই দশকে আমদানির উৎসে বড় পরিবর্তন এসেছে। এখন মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, চীন এবং প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডিজেল আমদানি করা হয়। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে দেশের মোট চাহিদার ৪১ শতাংশ সিঙ্গাপুর থেকে, ২৪ শতাংশ মালয়েশিয়া থেকে, ১৪ শতাংশ ভারত থেকে এবং অন্যান্য দেশ থেকে ২১ শতাংশ ডিজেল আমদানি করা হয়েছে। ফলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলেও বাংলাদেশের সরাসরি ডিজেল আমদানিতে শতভাগ ধস নামার আশঙ্কা নেই।
‘তেলের অভাবে সেচ দেওয়া যায়নি, এমন ঘটনা নেই’
এলাকাভেদে ডিসেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত বোরো ধানের চাষাবাদ হলেও ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত খেত পুরোপুরি সেচনির্ভর থাকে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে রবি মৌসুমে প্রায় ৫০ লাখ হেক্টর জমিতে সেচনির্ভর ফসলের চাষ হয়। চলতি মৌসুমে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫০ লাখ ৫৪ হাজার হেক্টর। এর মধ্যে ৮ মার্চ পর্যন্ত ৪৮ লাখ ৫৩ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ সম্পন্ন হয়েছে। শুধু রংপুর অঞ্চলেই ৫ লাখ ৯ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে, যার ৩৫-৪০ শতাংশ পুরোপুরি ডিজেলচালিত সেচযন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল।
২০২১ সালে এক গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশে আবাদি জমির প্রায় ৭৯ শতাংশই সেচের জন্য ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীল। দেশে বর্তমানে ৭৫৪টি গভীর নলকূপ, ১০ লাখ ৩৯ হাজার ৩৩৭টি অগভীর নলকূপ এবং ১ লাখ ৮৪ হাজার ৩৮৪টি লো-লিফট পাম্প সচল রয়েছে, যার চালিকাশক্তি মূলত বিদ্যুৎ ও ডিজেল। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে স্থানীয় পাম্পগুলোতে রেশনিং করে সীমিত ডিজেল দেওয়া হচ্ছে—এমন গুঞ্জনে কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক মো. ওবায়দুর রহমান মণ্ডল বলেন, “কোথাও তেলের কোনো সমস্যা নেই। ভবিষ্যতে তেল পাওয়া যাবে কি না—কৃষকদের মধ্যে এমন একটা আতঙ্ক কাজ করছিল। এ কারণে পাম্পগুলোতে ভিড় ছিল। কিন্তু বাংলাদেশে তেলের অভাবে একটি জমিতেও সেচ দেওয়া যায়নি—এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।” তিনি আরও জানান, মাঠপর্যায়ে সেচের জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সব উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সক্রিয় রয়েছেন।
বিকল্প খুঁজছে সরকার
স্বাভাবিক সময়ে দেশে দৈনিক ডিজেলের চাহিদা প্রায় ১২ হাজার টন। তবে বৈশ্বিক সংকটের কারণে মজুত ঠিক রাখতে বর্তমানে সরকার প্রতিদিন প্রায় ৯ হাজার টন সরবরাহ করছে। সরবরাহে এই কিছুটা ঘাটতি থাকলেও কৃষিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছে। গত সোমবার (৯ মার্চ) ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে সিঙ্গাপুর থেকে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যে আরও ১ লাখ ২০ হাজার ২০৫ টন তেল নিয়ে ৪টি জাহাজ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। অর্থাৎ আসন্ন ৫টি চালানে আসা মোট ১ লাখ ৪৭ হাজার ২০৫ টন জ্বালানি দিয়ে জাতীয় চাহিদার বড় একটি অংশ মেটানো যাবে।
এর বাইরে এপ্রিল মাসের চাহিদা পূরণে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় বিকল্প উৎস থেকে সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ইতিমধ্যে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ৫ হাজার টন ডিজেল দেশে এসেছে। পাশাপাশি ব্রুনেই থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টন তেল আমদানির প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। চীন, ভারতও বাংলাদেশকে জ্বালানি সরবরাহে আগ্রহ দেখিয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, “ডিজেল আমদানির উৎস এখন অনেক। জিটুজি চুক্তির পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রেও ডিজেল কেনা হচ্ছে। আমদানির উৎসে বৈচিত্র্য আসায় সরবরাহে বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা কমেছে।”
সেচে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের অগ্রাধিকার
সেচের কারণে প্রতি বছরই রবি মৌসুমে বিদ্যুতের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। ২০২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, দেশে রবি মৌসুমে সেচ সংযোগের সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৪৫৬টি, যার জন্য প্রায় ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। চলতি গ্রীষ্মকালে দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানান, গ্রীষ্মের দাবদাহ ও সেচের চাপের কারণে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি দেখা দিলে সরকার কৃষি খাতকেই সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেবে। তিনি বলেন, কৃষি উৎপাদন আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই সেচ কার্যক্রম যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সেদিকে বিশেষভাবে নজর রাখা হচ্ছে।

দেশের মোট উৎপাদিত ধানের ৫৫ শতাংশই আসে বোরো থেকে। আর এই সেচনির্ভর ফসলটির ৬০ শতাংশই টিকে আছে ডিজেলচালিত সেচপাম্পের ওপর। সম্প্রতি ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের জেরে গত ২ মার্চ হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দেয় ইরান। এতে কাতার, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশমুখী এলএনজি ও জ্বালানি তেলের বেশ কয়েকটি জাহাজ আটকে যায়। এমন পরিস্থিতিতে ভরা সেচ মৌসুমে দেশে ডিজেল সংকটের আশঙ্কায় চরম আতঙ্কে পড়েন কৃষকেরা। তেলের আশায় নানা প্রান্তের পাম্পগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন তাঁরা।
তবে সরকার ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, দেশে সেচের জন্য জ্বালানির কোনো সংকট নেই। তেলের অভাবে কোথাও এক মুহূর্তের জন্যও সেচকাজ ব্যাহত হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ এখন আর জ্বালানির জন্য এককভাবে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল নয়। ইতিমধ্যে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ডিজেলে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর কতটা নির্ভরশীল বাংলাদেশ?
একটা সময় ডিজেলের জন্য পুরোপুরি মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল ছিল বাংলাদেশ। তবে গত দুই দশকে আমদানির উৎসে বড় পরিবর্তন এসেছে। এখন মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, চীন এবং প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডিজেল আমদানি করা হয়। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে দেশের মোট চাহিদার ৪১ শতাংশ সিঙ্গাপুর থেকে, ২৪ শতাংশ মালয়েশিয়া থেকে, ১৪ শতাংশ ভারত থেকে এবং অন্যান্য দেশ থেকে ২১ শতাংশ ডিজেল আমদানি করা হয়েছে। ফলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলেও বাংলাদেশের সরাসরি ডিজেল আমদানিতে শতভাগ ধস নামার আশঙ্কা নেই।
‘তেলের অভাবে সেচ দেওয়া যায়নি, এমন ঘটনা নেই’
এলাকাভেদে ডিসেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত বোরো ধানের চাষাবাদ হলেও ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত খেত পুরোপুরি সেচনির্ভর থাকে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে রবি মৌসুমে প্রায় ৫০ লাখ হেক্টর জমিতে সেচনির্ভর ফসলের চাষ হয়। চলতি মৌসুমে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫০ লাখ ৫৪ হাজার হেক্টর। এর মধ্যে ৮ মার্চ পর্যন্ত ৪৮ লাখ ৫৩ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ সম্পন্ন হয়েছে। শুধু রংপুর অঞ্চলেই ৫ লাখ ৯ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে, যার ৩৫-৪০ শতাংশ পুরোপুরি ডিজেলচালিত সেচযন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল।
২০২১ সালে এক গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশে আবাদি জমির প্রায় ৭৯ শতাংশই সেচের জন্য ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীল। দেশে বর্তমানে ৭৫৪টি গভীর নলকূপ, ১০ লাখ ৩৯ হাজার ৩৩৭টি অগভীর নলকূপ এবং ১ লাখ ৮৪ হাজার ৩৮৪টি লো-লিফট পাম্প সচল রয়েছে, যার চালিকাশক্তি মূলত বিদ্যুৎ ও ডিজেল। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে স্থানীয় পাম্পগুলোতে রেশনিং করে সীমিত ডিজেল দেওয়া হচ্ছে—এমন গুঞ্জনে কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক মো. ওবায়দুর রহমান মণ্ডল বলেন, “কোথাও তেলের কোনো সমস্যা নেই। ভবিষ্যতে তেল পাওয়া যাবে কি না—কৃষকদের মধ্যে এমন একটা আতঙ্ক কাজ করছিল। এ কারণে পাম্পগুলোতে ভিড় ছিল। কিন্তু বাংলাদেশে তেলের অভাবে একটি জমিতেও সেচ দেওয়া যায়নি—এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।” তিনি আরও জানান, মাঠপর্যায়ে সেচের জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সব উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সক্রিয় রয়েছেন।
বিকল্প খুঁজছে সরকার
স্বাভাবিক সময়ে দেশে দৈনিক ডিজেলের চাহিদা প্রায় ১২ হাজার টন। তবে বৈশ্বিক সংকটের কারণে মজুত ঠিক রাখতে বর্তমানে সরকার প্রতিদিন প্রায় ৯ হাজার টন সরবরাহ করছে। সরবরাহে এই কিছুটা ঘাটতি থাকলেও কৃষিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছে। গত সোমবার (৯ মার্চ) ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে সিঙ্গাপুর থেকে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যে আরও ১ লাখ ২০ হাজার ২০৫ টন তেল নিয়ে ৪টি জাহাজ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। অর্থাৎ আসন্ন ৫টি চালানে আসা মোট ১ লাখ ৪৭ হাজার ২০৫ টন জ্বালানি দিয়ে জাতীয় চাহিদার বড় একটি অংশ মেটানো যাবে।
এর বাইরে এপ্রিল মাসের চাহিদা পূরণে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় বিকল্প উৎস থেকে সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ইতিমধ্যে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ৫ হাজার টন ডিজেল দেশে এসেছে। পাশাপাশি ব্রুনেই থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টন তেল আমদানির প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। চীন, ভারতও বাংলাদেশকে জ্বালানি সরবরাহে আগ্রহ দেখিয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, “ডিজেল আমদানির উৎস এখন অনেক। জিটুজি চুক্তির পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রেও ডিজেল কেনা হচ্ছে। আমদানির উৎসে বৈচিত্র্য আসায় সরবরাহে বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা কমেছে।”
সেচে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের অগ্রাধিকার
সেচের কারণে প্রতি বছরই রবি মৌসুমে বিদ্যুতের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। ২০২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, দেশে রবি মৌসুমে সেচ সংযোগের সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৪৫৬টি, যার জন্য প্রায় ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। চলতি গ্রীষ্মকালে দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানান, গ্রীষ্মের দাবদাহ ও সেচের চাপের কারণে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি দেখা দিলে সরকার কৃষি খাতকেই সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেবে। তিনি বলেন, কৃষি উৎপাদন আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই সেচ কার্যক্রম যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সেদিকে বিশেষভাবে নজর রাখা হচ্ছে।

নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে কিছু নির্ধারিত কাজ হয়। এবার ‘স্পিকারের শূন্য আসন নিয়ে’ শুরু হওয়া প্রথম অধিবেশনের প্রথম কাজই হবে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা।
২২ মিনিট আগে
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। কিন্তু কয়েকটি বিষয়ে ইতিমধ্যে সরকারি ও বিরোধী দল পরস্পর বিপরীতমুখী অবস্থান নিয়েছে। এর ফলে প্রথম দিন থেকেই সংসদে হট্টগোল তৈরির শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
মাছের বংশবিস্তার, বেড়ে ওঠা ও টেকসই আহরণের জন্য আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন সাগরে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে সরকার। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, আমাদের ভবিষ্যৎ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা হতে হবে প্রযুক্তিনির্ভর। বিশ্বব্যাপী অভিজ্ঞতা বলে, স্মার্ট ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট ছাড়া আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা সম্ভব নয়।
৩ ঘণ্টা আগে