স্ট্রিম প্রতিবেদক

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর দেশজুড়ে হওয়া শত শত মামলার তথ্য করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। নিরীহদের হয়রানি, পুলিশের ‘পিক অ্যান্ড চুজ’ নীতির সুযোগ নিয়ে গড়ে ওঠা মামলা-বাণিজ্য রুখতে সব মামলার নথি যাচাই-বাছাইয়ের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ের ব্রিফিং কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
আন্দোলনের সময় সংঘটিত অপরাধের ধরন ও বর্তমান তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সারা দেশে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় যেসব মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটেছে, সেগুলো মূলত সিস্টেমেটিক ক্রাইম বা পদ্ধতিগত অপরাধের অংশ। এসব মামলার তদন্ত ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা কর্তৃক হওয়াটাই বাঞ্ছনীয়। কিন্তু কিছু মামলার তদন্ত আমরা করছি, আবার কিছু মামলা স্থানীয় পুলিশ সমান্তরালভাবে তদন্ত করছে। এতে সাংঘর্ষিক প্রতিবেদন হওয়ার একটি আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।’
ঢালাও মামলায় হয়রানির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘পুলিশ যেসব মামলার তদন্ত করছে, সেখানে একেকটি মামলায় হয়তো ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করা হচ্ছে। আমরা মনে করি না যে সব আসামিই দোষী। এর মধ্যে দোষীদের পাশাপাশি অনেক নিরীহ মানুষও আছেন। কিন্তু সেখানে পিক অ্যান্ড চুজের ঘটনা ঘটছে।’
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, কাউকে ১৭৩ ধারার আওতায় পুলিশ বিশেষ প্রতিবেদন দিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে, কাউকে জামিন দিচ্ছে অথবা কাউকে আবার দিচ্ছে না। অনেক সময় যারা প্রকৃত দোষী তারা ছাড়া পেয়ে যাচ্ছেন, আর অনেক নিরপরাধ মানুষ জেল খাটছেন।’
এই হয়রানি ও মামলা-বাণিজ্য বন্ধে নিজের নেওয়া পদক্ষেপের কথা জানিয়ে মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি তদন্ত সংস্থাকে ৫ আগস্টের পর সারা দেশে হওয়া সব মামলার তথ্য ও কপি সংগ্রহ করতে বলেছেন। এরই মধ্যে ৫০০ থেকে ৭০০ মামলার নথি জমা হয়েছে। এক-দুই দিনের মধ্যে সারা দেশের সব মামলার কপি পৌঁছাবে।
সারা দেশের এসব মামলার তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা হচ্ছে প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমাদের (ট্রাইবুনাল) তদন্ত সংস্থার এখতিয়ার পুরো বাংলাদেশজুড়ে। ফলে যেকোনো থানা বা পুলিশ সুপারের কাছ থেকে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তথ্য ও মামলার কপি সংগ্রহ করার আইনি ক্ষমতা আমাদের রয়েছে এবং সব মামলার কপিই তুলে নিয়ে আসছি।’
সংগৃহীত এসব মামলা যাচাই-বাছাইয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা সব মামলা যাচাই-বাছাই করে দেখব, যাতে বেছে বেছে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনা না ঘটে। অপরাধী যেন কোনোভাবেই ছাড় না পেয়ে যায় এবং নির্দোষ মানুষ যেন অহেতুক সাফার না হয়, সেটি আমরা একটি টিমওয়ার্কের মাধ্যমে অচিরেই নিষ্পত্তি করব।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর দেশজুড়ে হওয়া শত শত মামলার তথ্য করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। নিরীহদের হয়রানি, পুলিশের ‘পিক অ্যান্ড চুজ’ নীতির সুযোগ নিয়ে গড়ে ওঠা মামলা-বাণিজ্য রুখতে সব মামলার নথি যাচাই-বাছাইয়ের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ের ব্রিফিং কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
আন্দোলনের সময় সংঘটিত অপরাধের ধরন ও বর্তমান তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সারা দেশে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় যেসব মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটেছে, সেগুলো মূলত সিস্টেমেটিক ক্রাইম বা পদ্ধতিগত অপরাধের অংশ। এসব মামলার তদন্ত ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা কর্তৃক হওয়াটাই বাঞ্ছনীয়। কিন্তু কিছু মামলার তদন্ত আমরা করছি, আবার কিছু মামলা স্থানীয় পুলিশ সমান্তরালভাবে তদন্ত করছে। এতে সাংঘর্ষিক প্রতিবেদন হওয়ার একটি আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।’
ঢালাও মামলায় হয়রানির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘পুলিশ যেসব মামলার তদন্ত করছে, সেখানে একেকটি মামলায় হয়তো ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করা হচ্ছে। আমরা মনে করি না যে সব আসামিই দোষী। এর মধ্যে দোষীদের পাশাপাশি অনেক নিরীহ মানুষও আছেন। কিন্তু সেখানে পিক অ্যান্ড চুজের ঘটনা ঘটছে।’
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, কাউকে ১৭৩ ধারার আওতায় পুলিশ বিশেষ প্রতিবেদন দিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে, কাউকে জামিন দিচ্ছে অথবা কাউকে আবার দিচ্ছে না। অনেক সময় যারা প্রকৃত দোষী তারা ছাড়া পেয়ে যাচ্ছেন, আর অনেক নিরপরাধ মানুষ জেল খাটছেন।’
এই হয়রানি ও মামলা-বাণিজ্য বন্ধে নিজের নেওয়া পদক্ষেপের কথা জানিয়ে মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি তদন্ত সংস্থাকে ৫ আগস্টের পর সারা দেশে হওয়া সব মামলার তথ্য ও কপি সংগ্রহ করতে বলেছেন। এরই মধ্যে ৫০০ থেকে ৭০০ মামলার নথি জমা হয়েছে। এক-দুই দিনের মধ্যে সারা দেশের সব মামলার কপি পৌঁছাবে।
সারা দেশের এসব মামলার তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা হচ্ছে প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমাদের (ট্রাইবুনাল) তদন্ত সংস্থার এখতিয়ার পুরো বাংলাদেশজুড়ে। ফলে যেকোনো থানা বা পুলিশ সুপারের কাছ থেকে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তথ্য ও মামলার কপি সংগ্রহ করার আইনি ক্ষমতা আমাদের রয়েছে এবং সব মামলার কপিই তুলে নিয়ে আসছি।’
সংগৃহীত এসব মামলা যাচাই-বাছাইয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা সব মামলা যাচাই-বাছাই করে দেখব, যাতে বেছে বেছে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনা না ঘটে। অপরাধী যেন কোনোভাবেই ছাড় না পেয়ে যায় এবং নির্দোষ মানুষ যেন অহেতুক সাফার না হয়, সেটি আমরা একটি টিমওয়ার্কের মাধ্যমে অচিরেই নিষ্পত্তি করব।’

মঙ্গল ও আনন্দ শোভাযাত্রার মাঝে গুণগত কোনো ফারাক নেই বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
১২ মিনিট আগে
ভিয়েতনাম সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের আলু আমদানির জন্য তাদের বাজার উন্মুক্ত করেছে। মঙ্গলবার দেশটির কৃষি ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ থেকে আলু আমদানির অনুমোদন প্রদান করেছে।
১৮ মিনিট আগে
বিভিন্ন সংক্রামক রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয় রাজধানীর মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে। এই হাসপাতাল ১০০ শয্যার। বর্তমানে হামে আক্রান্ত হয়ে সেখানে ভর্তি ৭২ জন।
১৯ মিনিট আগে
জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর দেওয়া নোট অব ডিসেন্ট না রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের উপস্থাপন করাকে ‘জাতীয় প্রতারণা’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
৩৩ মিনিট আগে