স্ট্রিম প্রতিবেদক

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হতে বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে ভিড় জমিয়েছেন বইপ্রেমীরা। চলমান বিজয় বইমেলার পঞ্চম দিন ছিল অন্য যেকোনো দিনের চেয়ে আলাদা। ছুটির দিন ও বিশেষ দিবস হওয়ায় শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) মেলা প্রাঙ্গণ ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। এদিন মেলায় আসা পাঠকদের মূল আগ্রহ ছিল মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে লেখা বইয়ের প্রতি।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মেলায় আসা পাঠকদের মধ্যে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার প্রবল আগ্রহ দেখা গেছে। দর্শনার্থীরা সবচেয়ে বেশি খোঁজ করেছেন শহীদ বুদ্ধিজীবীদের জীবনী, তাঁদের অবদান এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসভিত্তিক বইগুলো। বিভিন্ন স্টলের প্রকাশকরা জানিয়েছেন, মেলার আগের চার দিনের তুলনায় আজ পাঠক উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বই বিক্রিতেও।
এবারের বিজয় বইমেলার প্রচারণায় প্রযুক্তির ব্যবহার নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইমেলার আমেজ ছড়িয়ে দিতে তৈরি করা হয়েছে একটি ‘ডিজিটাল ফটোফ্রেম জেনারেটর’। পাঠকরা নির্দিষ্ট লিঙ্কে (https://pixelsdigital.net/frame/) প্রবেশ করে নিজেদের ছবি দিয়ে বিজয় বইমেলার আকর্ষণীয় কার্ড তৈরি করতে পারছেন, যা পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
দিনের আয়োজন শেষে সন্ধ্যায় মেলা প্রাঙ্গণের নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সংগীত দল ‘জলতরঙ্গ’ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কালজয়ী গান পরিবেশন করে। ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে’ গানের সুরে পুরো মেলা প্রাঙ্গণে নেমে আসে পিনপতন নীরবতা, যা দর্শক-শ্রোতাদের একাত্তরের সেই উত্তাল দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, আগামীকাল সন্ধ্যায় মেলা প্রাঙ্গণ মুখর হবে শিশুদের কলকাকলিতে। অনুষ্ঠানে যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করবে ‘সুর নিবেদন সংগীত একাডেমি’–এর শিশু শিল্পীরা এবং দলীয় পরিবেশনায় অংশ নেবে শিশুদের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘বাংলা আমার’। এছাড়া একক সংগীতে নজরুল গীতি ও দেশের গান পরিবেশন করবেন বিশিষ্ট শিল্পী লায়েকা বশীর।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হতে বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে ভিড় জমিয়েছেন বইপ্রেমীরা। চলমান বিজয় বইমেলার পঞ্চম দিন ছিল অন্য যেকোনো দিনের চেয়ে আলাদা। ছুটির দিন ও বিশেষ দিবস হওয়ায় শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) মেলা প্রাঙ্গণ ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। এদিন মেলায় আসা পাঠকদের মূল আগ্রহ ছিল মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে লেখা বইয়ের প্রতি।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মেলায় আসা পাঠকদের মধ্যে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার প্রবল আগ্রহ দেখা গেছে। দর্শনার্থীরা সবচেয়ে বেশি খোঁজ করেছেন শহীদ বুদ্ধিজীবীদের জীবনী, তাঁদের অবদান এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসভিত্তিক বইগুলো। বিভিন্ন স্টলের প্রকাশকরা জানিয়েছেন, মেলার আগের চার দিনের তুলনায় আজ পাঠক উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বই বিক্রিতেও।
এবারের বিজয় বইমেলার প্রচারণায় প্রযুক্তির ব্যবহার নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইমেলার আমেজ ছড়িয়ে দিতে তৈরি করা হয়েছে একটি ‘ডিজিটাল ফটোফ্রেম জেনারেটর’। পাঠকরা নির্দিষ্ট লিঙ্কে (https://pixelsdigital.net/frame/) প্রবেশ করে নিজেদের ছবি দিয়ে বিজয় বইমেলার আকর্ষণীয় কার্ড তৈরি করতে পারছেন, যা পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
দিনের আয়োজন শেষে সন্ধ্যায় মেলা প্রাঙ্গণের নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সংগীত দল ‘জলতরঙ্গ’ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কালজয়ী গান পরিবেশন করে। ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে’ গানের সুরে পুরো মেলা প্রাঙ্গণে নেমে আসে পিনপতন নীরবতা, যা দর্শক-শ্রোতাদের একাত্তরের সেই উত্তাল দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, আগামীকাল সন্ধ্যায় মেলা প্রাঙ্গণ মুখর হবে শিশুদের কলকাকলিতে। অনুষ্ঠানে যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করবে ‘সুর নিবেদন সংগীত একাডেমি’–এর শিশু শিল্পীরা এবং দলীয় পরিবেশনায় অংশ নেবে শিশুদের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘বাংলা আমার’। এছাড়া একক সংগীতে নজরুল গীতি ও দেশের গান পরিবেশন করবেন বিশিষ্ট শিল্পী লায়েকা বশীর।

বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদার এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।
১৯ মিনিট আগে
পোস্টাল ব্যালটে এখন পর্যন্ত চার লাখ পাঁচ হাজার ১৬৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশি ভোট দিয়েছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে পাঠানো এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ কথা বলা হয়েছে।
২৯ মিনিট আগে
খেলাফতে মজলিশের আমির ও ঢাকা–১৩ আসনের রিকশা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মামুনুল হকের নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে দ্বিতীয় দিনের মতো ‘জাগরণী পদযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩৩ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় একটি সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল (মিলিটারি ইকোনমিক জোন) গড়ে তোলার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগে নির্ধারিত ভারতীয় সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিবর্তে এই নতুন অঞ্চল স্থাপন করা হবে।
৩৯ মিনিট আগে