ঠক ঠক ঠক... স্যার, একটু বাইরে আসবেনঠক ঠক, ঠক ঠক, স্যার একটু বাইরে আসবেন? এই কথাটা কানে এলেই আমাদের মনে পরে ১৯৭১ এর ১৪ ডিসেম্বরের কথা। বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায়। এই দিনই আল-বদর বাহিনী বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের নামের লিস্ট করে হত্যা করেছিল কারণ তারা চেয়েছিল বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে দিতে।১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
অভ্যুত্থানের নায়কদের হত্যার টার্গেট করা হচ্ছে: নাহিদ ইসলামশহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানকে নস্যাৎ এবং নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য অভ্যুত্থানের নায়কদের টার্গেট করে হত্যা করা হচ্ছে।’১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
হাদির মতো আরও হামলা ঘটতে পারে, আশঙ্কা ফখরুলেরবুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডকে পরিকল্পিত উল্লেখ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, গত পরশু একটি হত্যাচেষ্টা হয়েছে। আমরা আশঙ্কা করছি, এই রকম আরও ঘটনা ঘটতে পারে।১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধাআজ ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর আল বদর-আল শামস বাহিনী সুপরিকল্পিতভাবে বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করে।১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের নীলনকশা কারা করেছিলেন, পাকিস্তানি জেনারেলদের বই ঘেঁটে যা জানা গেলঅপরাধবিজ্ঞানে একটি তত্ত্ব আছে—‘মিউচুয়াল রিক্রিমিনেশন’ বা পারস্পরিক দোষারোপ। যখন কোনো অপরাধী চক্রের সদস্যরা নিজেদের বাঁচানোর জন্য একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপাতে শুরু করে, তখন তাদের জবানবন্দি থেকেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য। একাত্তরে পরাজয়ের পর পাকিস্তানি জেনারেলরা ঠিক এই কাজটিই করেছেন।১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর কাদের হারিয়েছে বাংলাদেশ‘ঠক ঠক, ঠক ঠক! স্যার একটু বাইরে আসবেন?’—এই কথাটি কানে এলেই আমাদের মনে পড়ে একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বরের কথা। বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি দুঃখজনক অধ্যায়। এই দিনেই আলবদর বাহিনী বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের তালিকা করে হত্যা করেছিল। কারণ, তারা চেয়েছিল বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে দিতে।১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
বুদ্ধিজীবী কারা, একাত্তরে কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল তাঁদেরমুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে যখন পুরো জাতি স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর, ঠিক তখনই বাংলাদেশের বুকে নেমে আসে এক ভয়াল অন্ধকার। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং তাদের দোসররা মিলে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করেছিল এদেশের সূর্যসন্তানদের।১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
পাকিস্তানি প্রোপাগান্ডায় আল-বদর: যুদ্ধাপরাধের আত্মস্বীকৃত দলিল১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের প্রাক্কালে, যখন ঢাকায় পাকিস্তানি বাহিনীর পরাজয় সুনিশ্চিত, ঠিক সেই অন্তিম লগ্নে আল-বদর বাহিনীর নেতারা তাদের চূড়ান্ত বার্তা বা ‘আখেরি খিতাব’ দেন। এই বার্তাটি ছিল বাঙালি জাতির জন্য চরম বিপজ্জনক এক ঘোষণা।১১ ডিসেম্বর ২০২৫