স্ট্রিম প্রতিবেদক

উন্নয়ন পরিকল্পনায় পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়গুলোকে কেন্দ্রস্থলে রেখে সমন্বিত ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন; পানি সম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, উন্নয়নের নামে পরিবেশ ও প্রতিবেশ ধ্বংস হলে তার চূড়ান্ত মূল্য সমাজকেই দিতে হয়।
মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ান হেলথ কার্যক্রম: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কৌশল’ শীর্ষক এক সেমিনারে অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, রাস্তা বা অবকাঠামো নির্মাণ করা সম্ভব হলেও একটি সুন্দরবন কিংবা একটি নদী নতুন করে সৃষ্টি করা যায় না। জলবায়ু পরিবর্তন, মহামারি ও পরিবেশগত সংকট আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয়, প্রকৃতির প্রতিটি উপাদান একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত এবং মানুষ প্রকৃতির মালিক নয়, বরং এর অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ওয়ান হেলথ কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রক্রিয়াভিত্তিক জটিলতা, আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের ঘাটতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘসূত্রিতাকে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে উল্লেখ করেন পরিবেশ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, এসব সীমাবদ্ধতা দূর করতে জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে কার্যকর পরামর্শক কমিটি গঠন এবং প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে সুস্পষ্ট ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ জরুরি।
তিনি আরও বলেন, জনবল বৃদ্ধি, অনলাইন প্রক্রিয়ার সম্প্রসারণ এবং পরিকল্পনা, জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো সম্ভব। বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি উল্লেখ করেন, অনেক ক্ষেত্রে পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্পের বড় অংশ সময় শুধু জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াতেই ব্যয় হয়ে যায়। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে নতুন ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ওয়ান হেলথ কেবল একটি কারিগরি কাঠামো নয়, এটি একটি সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের বিষয়। কেন বন্যপ্রাণী রক্ষা করা প্রয়োজন এবং কেন প্রকৃতিনির্ভর উন্নয়ন অপরিহার্য—এসব বিষয় সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত না হলে কোনো উন্নয়ন উদ্যোগই টেকসই হতে পারে না।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান, আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন এবং বন অধিদপ্তরের উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. জাহিদুল কবির।

উন্নয়ন পরিকল্পনায় পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়গুলোকে কেন্দ্রস্থলে রেখে সমন্বিত ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন; পানি সম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, উন্নয়নের নামে পরিবেশ ও প্রতিবেশ ধ্বংস হলে তার চূড়ান্ত মূল্য সমাজকেই দিতে হয়।
মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ান হেলথ কার্যক্রম: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কৌশল’ শীর্ষক এক সেমিনারে অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, রাস্তা বা অবকাঠামো নির্মাণ করা সম্ভব হলেও একটি সুন্দরবন কিংবা একটি নদী নতুন করে সৃষ্টি করা যায় না। জলবায়ু পরিবর্তন, মহামারি ও পরিবেশগত সংকট আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয়, প্রকৃতির প্রতিটি উপাদান একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত এবং মানুষ প্রকৃতির মালিক নয়, বরং এর অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ওয়ান হেলথ কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রক্রিয়াভিত্তিক জটিলতা, আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের ঘাটতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘসূত্রিতাকে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে উল্লেখ করেন পরিবেশ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, এসব সীমাবদ্ধতা দূর করতে জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে কার্যকর পরামর্শক কমিটি গঠন এবং প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে সুস্পষ্ট ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ জরুরি।
তিনি আরও বলেন, জনবল বৃদ্ধি, অনলাইন প্রক্রিয়ার সম্প্রসারণ এবং পরিকল্পনা, জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো সম্ভব। বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি উল্লেখ করেন, অনেক ক্ষেত্রে পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্পের বড় অংশ সময় শুধু জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াতেই ব্যয় হয়ে যায়। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে নতুন ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ওয়ান হেলথ কেবল একটি কারিগরি কাঠামো নয়, এটি একটি সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের বিষয়। কেন বন্যপ্রাণী রক্ষা করা প্রয়োজন এবং কেন প্রকৃতিনির্ভর উন্নয়ন অপরিহার্য—এসব বিষয় সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত না হলে কোনো উন্নয়ন উদ্যোগই টেকসই হতে পারে না।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান, আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন এবং বন অধিদপ্তরের উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. জাহিদুল কবির।
.png)

লক্ষ্মীপুর শহরে ডাম্প ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে চৌধুরী রুবেল (৩০) নিহত হয়েছেন। রোববার (২৬ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরের মজু চৌধুরীর হাট সড়কে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সামনে দুর্ঘটনা ঘটে।
২৫ মিনিট আগে
বর্ষার মেঘে ঢাকা আকাশ। কখনো ঝুম বৃষ্টি তো আবার রোদ। মেঘলা আকাশের নিচে উত্তাল সাগর। বিশাল ঢেউ আছড়ে পড়ছে বালুচরে। সেই ঢেউয়ের সঙ্গে আনন্দে মেতে উঠেছেন পর্যটক। বর্ষার আবহে যেন নতুন রূপে সেজেছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট শাখায় গ্রাহকের কোটি টাকার হদিস মিলছে না। এতে গ্রাহকদের মাঝে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
পেশায় খামারি রাজু বালুরঘাট এলাকার আয়নাল হকের ছেলে ও বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, তিন মাস আগে রাজু ঘোষণা দিয়ে বিএনপির রাজনীতি ছাড়েন। এই নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহাদাত প্রধানের সঙ্গে তাঁর বিরোধ দেখা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে