স্ট্রিম সংবাদদাতা

পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়ার একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদের মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক আওয়ামী লীগের নেতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বের হওয়ার সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন– সাঁথিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম প্রামাণিক এবং সাঁথিয়া পৌর কৃষক লীগের নেতা শাহীন হোসেন। তাদের মধ্যে মিরাজুল ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদের প্রস্তাবক।
ডিবির ওসি রাশিদুল ইসলাম জানান, দুজনই সব থানায় ওয়ান্টেড। থানার রিকুইজিশন অনুযায়ী তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বলেন, মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে প্রস্তাবক হিসেবে মিরাজুল আমার সঙ্গে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসেছিলেন। আমার প্রার্থিতা বৈধ হবার পর তিনি সেখান থেকে বের হলে গোয়েন্দা পুলিশ মিরাজুল ও শাহীনকে ধরে নিয়ে যায়। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই ও তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।
তিনি বলেন, প্রশাসন কি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন চায়? এটা তো তার নমুনা না। আমাদের কর্মীদের এভাবে মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার করার চাইতে তারা বলে দিক, আমরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিই।
অধ্যাপক আবু সাইয়িদ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৬ সালে পাবনা-১ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রী হন। পরে ওয়ান-ইলেভেনে সংস্কারপন্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ থেকে ছিটকে পড়েন। ২০১৪ সালে স্বতন্ত্র ও গণফোরামে যোগ দিয়ে ২০১৮ সালে ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষের প্রার্থী হন।
২০২৪ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিলেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামসুল হক টুকুর বিরুদ্ধে জালভোট এবং কেন্দ্র দখল করে ভোট ডাকাতির অভিযোগ তুলে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন আবু সাইয়িদ।

পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়ার একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদের মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক আওয়ামী লীগের নেতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বের হওয়ার সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন– সাঁথিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম প্রামাণিক এবং সাঁথিয়া পৌর কৃষক লীগের নেতা শাহীন হোসেন। তাদের মধ্যে মিরাজুল ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদের প্রস্তাবক।
ডিবির ওসি রাশিদুল ইসলাম জানান, দুজনই সব থানায় ওয়ান্টেড। থানার রিকুইজিশন অনুযায়ী তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বলেন, মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে প্রস্তাবক হিসেবে মিরাজুল আমার সঙ্গে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসেছিলেন। আমার প্রার্থিতা বৈধ হবার পর তিনি সেখান থেকে বের হলে গোয়েন্দা পুলিশ মিরাজুল ও শাহীনকে ধরে নিয়ে যায়। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই ও তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।
তিনি বলেন, প্রশাসন কি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন চায়? এটা তো তার নমুনা না। আমাদের কর্মীদের এভাবে মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার করার চাইতে তারা বলে দিক, আমরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিই।
অধ্যাপক আবু সাইয়িদ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৬ সালে পাবনা-১ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রী হন। পরে ওয়ান-ইলেভেনে সংস্কারপন্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ থেকে ছিটকে পড়েন। ২০১৪ সালে স্বতন্ত্র ও গণফোরামে যোগ দিয়ে ২০১৮ সালে ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষের প্রার্থী হন।
২০২৪ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিলেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামসুল হক টুকুর বিরুদ্ধে জালভোট এবং কেন্দ্র দখল করে ভোট ডাকাতির অভিযোগ তুলে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন আবু সাইয়িদ।

দেশে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালুর পর লাখ লাখ ভুয়া আন্তর্জাতিক মোবাইল সরঞ্জাম পরিচায়ক নম্বর (আইএমইআই) সম্বলিত মোবাইল ফোন শনাক্ত করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
মানিকগঞ্জ নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রায় দেড় গুন বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার। সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ২৫০ টাকার সিলিন্ডার প্রকার ভেদে ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে এখানে। অতিরিক্ত মূল্য নিলেও দেওয়া হয় না কোনো ক্যাশমেমো।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট আবার চালু হতে যাচ্ছে। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে ঢাকা-করাচি রুটে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে দেশটির সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (সিএএ)। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভুল স্বীকারের সময় শেষ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, বিগত ১৭ মাসেও আওয়ামী লীগ গণহত্যার জন্য ভুল স্বীকার করেনি। এখন মনোনয়নপত্র নেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ। এই পর্যায়ে এসে ভুল স্বীকার করলেও জনগণ গ্রহণ করবে না।
৭ ঘণ্টা আগে