শিক্ষার্থীদেরও ট্যাব দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৮ মে ২০২৬, ১৭: ২২
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সংগৃহীত ছবি

সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বাড়লে শিক্ষকদের পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থীদেরও ট্যাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন। শুক্রবার (৮ মে) বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে এক সেমিনারে এ কথা জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে আমরা শিক্ষকদের ট্যাব দিচ্ছি। ভবিষ্যতে সক্ষমতা বাড়লে শিক্ষার্থীদেরও ট্যাব দেওয়া হবে। তবে বই-পুস্তক বন্ধ হয়ে যাবে, এমন নয়। কম্পিউটার যেমন কর্মসংস্থান বাড়িয়েছে, তেমনি প্রযুক্তি শিক্ষাকে আরও গতিশীল করবে।’ মুদ্রণ শিল্পকে মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত লাখ লাখ শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষায় সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে।

গাইড বইয়ের নেতিবাচক দিক তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আগেরবার দায়িত্বে থাকার সময় আমি নোট ও গাইড বই পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছিলাম। আমি চাই ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ার ধরন পরিবর্তন হোক এবং তারা সৃজনশীল শিক্ষায় অভ্যস্ত হোক। কোনোভাবেই নোট-গাইড বইকে উৎসাহিত করা যাবে না।’

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি (বাপুস) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম অমর একুশে বইমেলার ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, ‘বই প্রকাশনা ও বিক্রির সাথে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্পর্ক থাকলেও মেলা পরিচালনা করে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমি। আমি পরামর্শ দেব, আগামী বছর থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বাপুসকেও বইমেলা আয়োজনে সম্পৃক্ত করা হোক। এতে মেলা আরও উৎসবমুখর ও গ্রহণযোগ্য হবে।’

সেমিনারে বাপুসের সভাপতি ও বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাদশা সমিতির পক্ষ থেকে সরকারকে ৫০ হাজার স্কুলব্যাগ ও ড্রেস উপহার দেওয়ার ঘোষণা দেন। এছাড়া সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রকাশনা শিল্পকে পূর্ণাঙ্গ শিল্পের মর্যাদা দেওয়া এবং এই খাতের জন্য একটি যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এবং বাপুসের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত