স্ট্রিম প্রতিবেদক

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি এবং মুমিনুল হকের লড়াকু ৯১ রানের ওপর ভর করে বড় সংগ্রহের পথে রয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন শেষে স্কোরবোর্ডে ৪ উইকেটে ৩০১ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
শুক্রবার সকালে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। শাহীন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলীর সুইংয়ে দিশেহারা টপ অর্ডারের মাহমুদুল হাসান জয় ৮ রানে এবং সাদমান ইসলাম ১৩ রানে সাজঘরে ফেরেন।
মাত্র ২৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দলের হাল ধরেন শান্ত ও মুমিনুল। এই দুই বাঁহাতি ব্যাটার সাবলীল ব্যাটিংয়ে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত আর কোনো বিপদ হতে দেননি।
দিনের দ্বিতীয় সেশনে পাকিস্তানি বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেন শান্ত। ২০২৫ সাল থেকে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা শান্ত এদিন তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন। ১০১ রান করে চা-বিরতির ঠিক আগে তিনি আউট হলেও মুমিনুলের সঙ্গে শতরানের জুটি গড়েন।
অন্যপ্রান্তে মুমিনুল হকও ছিলেন সাবলীল। শাহীন আফ্রিদিকে বাউন্ডারি মেরে ২৬তম ফিফটি পূর্ণ করা মুমিনুল এগোচ্ছিলেন সেঞ্চুরির দিকে। তবে ব্যক্তিগত ৯১ রানে স্পিনার নোমান আলীর বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।
দিনের শেষভাগে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। বিশেষ করে মুশফিক স্পিনারদের আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলে রানের চাকা সচল রাখেন। পাকিস্তান দল দিনের শেষ দিকে নতুন বল নিলেও এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার নিরাপদেই দিন পার করে দেন।
দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৮৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৩০১ রান। মুশফিক ৪৪ রানে অপরাজিত আছেন।
বাংলাদেশ: ৩০১/৪ (৮৫ ওভার); শান্ত ১০১, মুমিনুল ৯১, মুশফিক ৪৪*, সাদমান ১৩, জয় ৮।
পাকিস্তান: শাহীন ১/৬৭, আব্বাস ১/৫১, নোমান ১/৬৩।

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি এবং মুমিনুল হকের লড়াকু ৯১ রানের ওপর ভর করে বড় সংগ্রহের পথে রয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন শেষে স্কোরবোর্ডে ৪ উইকেটে ৩০১ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
শুক্রবার সকালে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। শাহীন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলীর সুইংয়ে দিশেহারা টপ অর্ডারের মাহমুদুল হাসান জয় ৮ রানে এবং সাদমান ইসলাম ১৩ রানে সাজঘরে ফেরেন।
মাত্র ২৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দলের হাল ধরেন শান্ত ও মুমিনুল। এই দুই বাঁহাতি ব্যাটার সাবলীল ব্যাটিংয়ে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত আর কোনো বিপদ হতে দেননি।
দিনের দ্বিতীয় সেশনে পাকিস্তানি বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেন শান্ত। ২০২৫ সাল থেকে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা শান্ত এদিন তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন। ১০১ রান করে চা-বিরতির ঠিক আগে তিনি আউট হলেও মুমিনুলের সঙ্গে শতরানের জুটি গড়েন।
অন্যপ্রান্তে মুমিনুল হকও ছিলেন সাবলীল। শাহীন আফ্রিদিকে বাউন্ডারি মেরে ২৬তম ফিফটি পূর্ণ করা মুমিনুল এগোচ্ছিলেন সেঞ্চুরির দিকে। তবে ব্যক্তিগত ৯১ রানে স্পিনার নোমান আলীর বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।
দিনের শেষভাগে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। বিশেষ করে মুশফিক স্পিনারদের আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলে রানের চাকা সচল রাখেন। পাকিস্তান দল দিনের শেষ দিকে নতুন বল নিলেও এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার নিরাপদেই দিন পার করে দেন।
দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৮৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৩০১ রান। মুশফিক ৪৪ রানে অপরাজিত আছেন।
বাংলাদেশ: ৩০১/৪ (৮৫ ওভার); শান্ত ১০১, মুমিনুল ৯১, মুশফিক ৪৪*, সাদমান ১৩, জয় ৮।
পাকিস্তান: শাহীন ১/৬৭, আব্বাস ১/৫১, নোমান ১/৬৩।
.png)

ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানের লিড নেওয়া বাংলাদেশ এখনো স্বাগতিকদের চেয়ে ৬৭ রানে এগিয়ে রয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) আগের দিনের ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়। তানজিদ হা
৭ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে ২২৮ রানের বিশাল লিড পায় বাংলাদেশ। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে হাসান মাহমুদের পেসে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার
১১ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিনে প্রথম সেশনেও স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আধিপত্য বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে ৮ উইকেটে ৪১৭ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। এর মাধ্যমে ২১৯ রানের বিশাল লিড পেয়েছে সফরকারীরা। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব
১২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে স্বাগতিক পেসারদের বাউন্স ও সুইং সামলে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্য প্রথম সেঞ্চুরি করলেন তানজিদ তামিম। এটি তাঁরও প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। নিজের এ অর্জন মা-বাবাকে উৎসর্গ করেছেন তামিম।
১৪ আগস্ট ২০২৬