সানেমের সেমিনারে রওনক জাহান
স্ট্রিম প্রতিবেদক

দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর সাধারণ মানুষ এখন যেকোনো মূল্যে স্থিতিশীলতা চায় বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক রওনক জাহান। তিনি বলেছেন, মানুষের হৃদয়ে সব সময় গণতন্ত্র ও সুশাসনের স্বপ্ন জাগ্রত থাকে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।
রওনক জাহান বলেন, ‘অনিশ্চিত সময়ের পরে নিরাপত্তা মানুষের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু এই স্থিতিশীলতা কি কেবল দণ্ড বা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আসবে? মানুষ বারবার রাস্তায় নামে কারণ তাদের মধ্যে গণতন্ত্র ও সুশাসনের আকাঙ্ক্ষা কাজ করে। রাজনীতিবিদেরা ক্ষমতার হিসেবে চললেও সাধারণ মানুষের লক্ষ্য থাকে লিবারেল বা উদারনৈতিক মডেলের দিকে।’
রওনক জাহান আরও বলেন, ‘ক্ষমতার অপব্যবহারের সীমা ছাড়িয়ে গেলে মানুষ পরিবর্তনের ডাক দেয়।’
বর্তমান প্রেক্ষাপটকে ‘ক্রিটিক্যাল জাংচার’ বা সন্ধিক্ষণ হিসেবে অভিহিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারুফুল ইসলাম বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারে পর্যায়ক্রমিক ফ্রেমওয়ার্ক অনুসরণ করা উচিত। প্রথমে ‘স্থিতিশীলতা’, এরপর প্রতিষ্ঠানের ওপর ‘শৃঙ্খলা’ এবং সবশেষে ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি’র দিকে নজর দিতে হবে। তিনি আরও জানান, গত ১৫ বছরে আমলাতন্ত্র ও বিচার বিভাগের যে রাজনীতিকরণ হয়েছে, তা রাতারাতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।
বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘ওয়ার অব অ্যাট্রিশন’ বা ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধ হিসেবে অভিহিত করে গবেষক ড. মির্জা হাসান বলেন, বড় রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরকে ক্লান্ত করার কৌশল অবলম্বন করছে।
মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, ‘জুলাই হত্যাকাণ্ডের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। তবে যথাযথ প্রমাণ ছাড়া গণগ্রেপ্তারের সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।’ তিনি বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা এবং আইনি সংস্কৃতির পরিবর্তনের ওপর জোর দেন।

দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর সাধারণ মানুষ এখন যেকোনো মূল্যে স্থিতিশীলতা চায় বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক রওনক জাহান। তিনি বলেছেন, মানুষের হৃদয়ে সব সময় গণতন্ত্র ও সুশাসনের স্বপ্ন জাগ্রত থাকে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।
রওনক জাহান বলেন, ‘অনিশ্চিত সময়ের পরে নিরাপত্তা মানুষের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু এই স্থিতিশীলতা কি কেবল দণ্ড বা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আসবে? মানুষ বারবার রাস্তায় নামে কারণ তাদের মধ্যে গণতন্ত্র ও সুশাসনের আকাঙ্ক্ষা কাজ করে। রাজনীতিবিদেরা ক্ষমতার হিসেবে চললেও সাধারণ মানুষের লক্ষ্য থাকে লিবারেল বা উদারনৈতিক মডেলের দিকে।’
রওনক জাহান আরও বলেন, ‘ক্ষমতার অপব্যবহারের সীমা ছাড়িয়ে গেলে মানুষ পরিবর্তনের ডাক দেয়।’
বর্তমান প্রেক্ষাপটকে ‘ক্রিটিক্যাল জাংচার’ বা সন্ধিক্ষণ হিসেবে অভিহিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারুফুল ইসলাম বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারে পর্যায়ক্রমিক ফ্রেমওয়ার্ক অনুসরণ করা উচিত। প্রথমে ‘স্থিতিশীলতা’, এরপর প্রতিষ্ঠানের ওপর ‘শৃঙ্খলা’ এবং সবশেষে ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি’র দিকে নজর দিতে হবে। তিনি আরও জানান, গত ১৫ বছরে আমলাতন্ত্র ও বিচার বিভাগের যে রাজনীতিকরণ হয়েছে, তা রাতারাতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।
বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘ওয়ার অব অ্যাট্রিশন’ বা ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধ হিসেবে অভিহিত করে গবেষক ড. মির্জা হাসান বলেন, বড় রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরকে ক্লান্ত করার কৌশল অবলম্বন করছে।
মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, ‘জুলাই হত্যাকাণ্ডের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। তবে যথাযথ প্রমাণ ছাড়া গণগ্রেপ্তারের সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।’ তিনি বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা এবং আইনি সংস্কৃতির পরিবর্তনের ওপর জোর দেন।
.png)

রাজধানীর ভাটারা নতুন বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ তিনজনই মারা গেছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাতীয় বান ইনস্টিটিউটে গৃহবধূ ফাহিমা আক্তারের (২১) মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের কাছে ছাতায় লুকিয়ে রাখা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) নিষ্ক্রিয় করার পরে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তাদের ভাষ্য, এটি সময় নিয়ন্ত্রিত। সেট করা সময়ের পরে বিস্ফোরণ ঘটতো। অতীতে উগ্রবাদী সংগঠনের আইইডির সঙ্গে এটির গঠনগত মিল রয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে এক ছাত্রকে (১২) বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক শাহজালাল হককে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগী ছাত্রের বাবা বাদী হয়ে আদিতমারী থানায় একটি মামলা করেন। আজ শনিবার ওই শিক্ষককে আদালতে সোপর্দ হলে তাঁকে কারাগারে পাঠান বিচারক।
১২ ঘণ্টা আগে
মসজিদ, পাশেই ধানখেত। মসজিদের আঙিনায় জাতীয় পতাকার সঙ্গে উড়ছে বিএনপির পতাকা। সেখানেই খুপড়ি ঘরে বসবাস রাজীব শাহের। খোদ রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বুকে তিনি সাম্রাজ্য গড়ে নাম দিয়েছেন ‘নবাবপাড়া’।
১২ ঘণ্টা আগে