স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকার ঘিঞ্জি এলাকা দিয়ে মনোরেল চালু করার বিষয়ে ভাবছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে রিকশা, অটোরিকশাসহ ছোট পরিবহনের ওপর মানুষের নির্ভরশীলতা কমে আসবে।
সোমবার (২ মার্চ) বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. এম শামসুল হক স্ট্রিমকে এই তথ্য দেন।
এর আগে নগর পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কী কথা হয়েছে- জানতে চাইলে অধ্যাপক শামসুল হক বলেন, ‘ঢাকার যেসব ঘিঞ্জি এলাকায় মেট্রোরেল প্রবেশ করতে পারে না; সেসব জায়গায় ফিডার মেট্রো, যেটাকে মনোরেল বলে, সেটা চালু করতে চান প্রধানমন্ত্রী। যদি সবাইকে এই দ্রুতগতির পরিবহনে আনা সম্ভব হয়, তাহলে ঢাকা থেকে ছোট গাড়ি- রিকশা, ইজিবাইকের ওপর মানুষের নির্ভরশীলতা কমবে।’
তিনি বলেন, ‘রিকশা ও অটোরিকশার মতো পরিবহণ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হচ্ছে। সেক্ষেত্রে মনোরেল হবে কৌশলগত ভাবনা। এটা যদি বাস্তবায়ন করা হয়; মানুষ ভালো বিকল্প পেলে, ব্যয়বহুল ও প্রাইভেসি নেই এমন পরিবহনে চড়বে না।’
‘প্রধানমন্ত্রী বারবার বলছিলেন, ‘নারীদের যাতায়াতে এত বড় ভোগান্তি- আমরা যদি এরকম সিস্টেম তৈরি করতে পারি, তাহলে ভালো হয়। পাশাপাশি তিনি ঢাকাকে বিকেন্দ্রীকরণের জন্য চিন্তাভাবনা করছেন। বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজটা জোন অনুযায়ী ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছেন। কারণ বাসের বিশৃঙ্খলা যানজটের বিরাট একটি কারণ।’
শামসুল হক বলেন, ‘মেট্রোরেলই তো পৃথিবীতে একমাত্র রেলভিত্তিক গণপরিবহন নয়। যে জায়গায় মেট্রো হবে না, সেই জায়গায় কিছু তো হতে হবে। ওই ‘কিছু’ হওয়ার জন্য লাইট, ভেরি লাইট মনোরেল হতে পারে। আপনি দেখবেন- জাপান, হংকং, সিঙ্গাপুরের অনেক ঘিঞ্জি এলাকায় পাহাড়ের ভেতরে, বিল্ডিংয়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে মনোরেল। ইন্টারনেটে দেখেন, অফিসের ভেতর দিয়ে, মার্কেটের ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছে- নিচে মার্কেট, ওপরে মনোরেল।’
পরিবহন বিশেষজ্ঞ শামসুল হক বলেন, ‘আসলে আমরা মেট্রো বলতে শত বছর আগের মেট্রো মনে করি। মেট্রোর তো কত রকম বিকল্প এসেছে এবং সবাই ব্যবহার করছে। মনোরেল লাইটওয়েট, আঁকাবাঁকা পথে যেতে পারে। কিন্তু হেভি রেল সংসদ ভবনের খামারবাড়িতে প্রায় ৭৮ মিটার ভেতরে ঢুকেছে। কারণ ওর টার্ন ভারী। ক্ষমতা বেশি। কিন্তু মেট্রোরেলকে ফিডার বলে না। মেট্রো আপনাকে ডোর-টু-ডোর ফ্যাসিলিটি দেবে না। বাসও ডোর-টু-ডোর দেয় না। তাই যেসব দেশে বাস আছে, সেখানে ফিডার বাসও আছে- ওলিগলি থেকে যাত্রী নিয়ে বড় বাসে দেয়। সিমিলারলি মেট্রো হলো মেরুদণ্ড- দ্রুতগতির, অধিক পরিবহণক্ষমতা সম্পন্ন গণপরিবহণ।’
ঢাকায় শুধু নারীদের জন্য বাস সার্ভিস চালু করতে চান তারেক রহমান। গণপরিবহণকে নারীবান্ধব করতেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. এম শামসুল হক। তিনি বলেন, নারীরা বাস চালাবে, বাসগুলো ইলেকট্রিক বাস হবে- এমন চিন্তাভাবনা করছেন প্রধানমন্ত্রী।
নারীদের জন্য বাস কি ১৮০ দিনের মধ্যে চালু করা হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা তাঁর ভাবনার ভেতরে আছে। তা যত দ্রুততম সময়ে করে যায়। ১৮০ দিন বলা যাবে না, দ্রুততম সময়ে করার জন্য মন্ত্রীকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। ইলেকট্রিক বাস মেয়েরা চালাবে, তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে এটাকে বাস্তবায়ন করার জন্য অনেকগুলো দিকনির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’

ঢাকার ঘিঞ্জি এলাকা দিয়ে মনোরেল চালু করার বিষয়ে ভাবছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে রিকশা, অটোরিকশাসহ ছোট পরিবহনের ওপর মানুষের নির্ভরশীলতা কমে আসবে।
সোমবার (২ মার্চ) বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. এম শামসুল হক স্ট্রিমকে এই তথ্য দেন।
এর আগে নগর পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কী কথা হয়েছে- জানতে চাইলে অধ্যাপক শামসুল হক বলেন, ‘ঢাকার যেসব ঘিঞ্জি এলাকায় মেট্রোরেল প্রবেশ করতে পারে না; সেসব জায়গায় ফিডার মেট্রো, যেটাকে মনোরেল বলে, সেটা চালু করতে চান প্রধানমন্ত্রী। যদি সবাইকে এই দ্রুতগতির পরিবহনে আনা সম্ভব হয়, তাহলে ঢাকা থেকে ছোট গাড়ি- রিকশা, ইজিবাইকের ওপর মানুষের নির্ভরশীলতা কমবে।’
তিনি বলেন, ‘রিকশা ও অটোরিকশার মতো পরিবহণ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হচ্ছে। সেক্ষেত্রে মনোরেল হবে কৌশলগত ভাবনা। এটা যদি বাস্তবায়ন করা হয়; মানুষ ভালো বিকল্প পেলে, ব্যয়বহুল ও প্রাইভেসি নেই এমন পরিবহনে চড়বে না।’
‘প্রধানমন্ত্রী বারবার বলছিলেন, ‘নারীদের যাতায়াতে এত বড় ভোগান্তি- আমরা যদি এরকম সিস্টেম তৈরি করতে পারি, তাহলে ভালো হয়। পাশাপাশি তিনি ঢাকাকে বিকেন্দ্রীকরণের জন্য চিন্তাভাবনা করছেন। বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজটা জোন অনুযায়ী ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছেন। কারণ বাসের বিশৃঙ্খলা যানজটের বিরাট একটি কারণ।’
শামসুল হক বলেন, ‘মেট্রোরেলই তো পৃথিবীতে একমাত্র রেলভিত্তিক গণপরিবহন নয়। যে জায়গায় মেট্রো হবে না, সেই জায়গায় কিছু তো হতে হবে। ওই ‘কিছু’ হওয়ার জন্য লাইট, ভেরি লাইট মনোরেল হতে পারে। আপনি দেখবেন- জাপান, হংকং, সিঙ্গাপুরের অনেক ঘিঞ্জি এলাকায় পাহাড়ের ভেতরে, বিল্ডিংয়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে মনোরেল। ইন্টারনেটে দেখেন, অফিসের ভেতর দিয়ে, মার্কেটের ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছে- নিচে মার্কেট, ওপরে মনোরেল।’
পরিবহন বিশেষজ্ঞ শামসুল হক বলেন, ‘আসলে আমরা মেট্রো বলতে শত বছর আগের মেট্রো মনে করি। মেট্রোর তো কত রকম বিকল্প এসেছে এবং সবাই ব্যবহার করছে। মনোরেল লাইটওয়েট, আঁকাবাঁকা পথে যেতে পারে। কিন্তু হেভি রেল সংসদ ভবনের খামারবাড়িতে প্রায় ৭৮ মিটার ভেতরে ঢুকেছে। কারণ ওর টার্ন ভারী। ক্ষমতা বেশি। কিন্তু মেট্রোরেলকে ফিডার বলে না। মেট্রো আপনাকে ডোর-টু-ডোর ফ্যাসিলিটি দেবে না। বাসও ডোর-টু-ডোর দেয় না। তাই যেসব দেশে বাস আছে, সেখানে ফিডার বাসও আছে- ওলিগলি থেকে যাত্রী নিয়ে বড় বাসে দেয়। সিমিলারলি মেট্রো হলো মেরুদণ্ড- দ্রুতগতির, অধিক পরিবহণক্ষমতা সম্পন্ন গণপরিবহণ।’
ঢাকায় শুধু নারীদের জন্য বাস সার্ভিস চালু করতে চান তারেক রহমান। গণপরিবহণকে নারীবান্ধব করতেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. এম শামসুল হক। তিনি বলেন, নারীরা বাস চালাবে, বাসগুলো ইলেকট্রিক বাস হবে- এমন চিন্তাভাবনা করছেন প্রধানমন্ত্রী।
নারীদের জন্য বাস কি ১৮০ দিনের মধ্যে চালু করা হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা তাঁর ভাবনার ভেতরে আছে। তা যত দ্রুততম সময়ে করে যায়। ১৮০ দিন বলা যাবে না, দ্রুততম সময়ে করার জন্য মন্ত্রীকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। ইলেকট্রিক বাস মেয়েরা চালাবে, তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে এটাকে বাস্তবায়ন করার জন্য অনেকগুলো দিকনির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’

কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
১৩ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপ-প্রেস সচিব নিয়োগ পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক শিক্ষার্থী শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন।
২০ মিনিট আগে
চলমান সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যে ৬০ লাখের বেশি বাংলাদেশি নানামুখী ঝুঁকিতে পড়েছেন। এই ঝুঁকি তারা নিজেরা বাড়িয়ে তুলছেন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর যুদ্ধপরিস্থিতির নির্দেশনা অমান্য করার মাধ্যমে।
২৬ মিনিট আগে
যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় আরিফ হোসেন (২৫) নামে একজনকে বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২ মার্চ) উপজেলার নেহালপুর ইউনিয়নের বালিধা বৈরাগী মোড় সংলগ্ন একটি মাছের ঘের থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে ঘেরের পাড়ে রক্তের দাগ দেখে সন্দেহ হয় পথচারীদের।
১ ঘণ্টা আগে