মাইলস্টোন ট্রাজেডি
স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিমান দুর্ঘটনায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিহত তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মারিয়াম উম্মে আফিয়ার মা উম্মে তামিমা আক্তার অভিযোগ করেছেন, ‘আমরা যখন আমাদের বাচ্চাদের মৃত্যু নিয়ে কথা বলি, তখন কলেজের শিক্ষকরা বলেন আমরা নাকি মায়াকান্না করি।’
আজ মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিকেল ৪টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন। বিমান দূর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে ৯ দফা দাবিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
উম্মে তামিমা আক্তার বলেন, ‘যখন প্ল্যানটা ক্র্যাস করে, আমি তখন সবার আগে ওইখানে গিয়েছিলাম। আমার চোখের সামনে আগুনটা দাউদাউ করে জ্বলছে, কিন্তু আমি কিছু করতে পারি নাই। নিমিষে সব শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু যখন এটা নিয়ে আমি কথা বলি, তখন বলে আমি নাকি মায়াকান্না করি! আমি কি বিচার চাইতে পারি না?’
তামিমা আক্তার আরও বলেন, ‘আমরা দেখলাম স্কুলের যে ৩ জন শিক্ষক মারা গেছেন তাদের অভিভাবকদের নিয়ে আমাদের প্রধান উপদেষ্টা মিটিং করলেন। কিন্তু আমাদের বাচ্চাদের নিয়ে কোনো কথাই বললেন না। যখন আমরা এই নিউজটা দেখেছি আমাদের অনেক খারাপ লেগেছে।’
মাইলস্টোন স্কুলের অষ্টম শ্রেণির নিহত শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদের বাবা রুবেল মিয়া বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো ২১ জুলাই সকালে আমি আমার দুই ছেলেকে মাইলস্টোন কলেজে দিয়ে আসি লেখাপড়ার জন্য। তারপর ভাগ্যক্রমে আমার ছোট ছেলেকে বাসায় ফিরিয়ে নিতে পারলেও বড় ছেলেকে বাসায় ফিরিয়ে নিতে পারিনি। তানভীর সেদিন সবগুলো ক্লাস শেষ করে কোচিংয়ের জন্য অপেক্ষা করছিল।’
রুবেল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘কী দোষ ছিল তানভীরের? কেন ওর ঘরে ফেরা হলো না? কেনইবা ছটফট করতে করতে ওর এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হলো? এই অকাল মৃত্যুর দায়ভার কার? সরকার, বিমানবাহিনী নাকি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কোচিং বাণিজ্যের?’
সপ্তম শ্রেণির নিহত শিক্ষার্থী মাহতাব রহমান ভূঁইয়ার বাবা মিনহাজুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘আজকে আমাদের ফ্যামিলিগুলো ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আমি কর্মে যেতে পারি না, কোথাও মন বসে না। আমার ওয়াইফ সর্বক্ষণ কান্নাকাটির মধ্যেই থাকে। এর মধ্যে কর্তৃপক্ষের বাজে ব্যবহারের কারণে আমরা এখানে আসতে বাধ্য হয়েছি।’
দ্বিতীয় শ্রেণির নিহত শিক্ষার্থী নাফি ও ষষ্ঠ শ্রেণির নিহত শিক্ষার্থী নাজিয়ার বাবা আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার দিন মাইলস্টোন কর্তৃপক্ষ আন্তরিক ছিল না। দুর্ঘটনার পর তাদের পরিবহনও ব্যবহার করেনি। আমার ছেলেকে নিয়ে গেছে অটোতে করে। আজকে যে আমার দুইটা সন্তান চলে গেলো, আমার আর কী আছে বলেন?’
এ সময় তিনি নিহত শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রীয় শহীদ মর্যাদা এবং দুর্ঘটনাস্থলে একটি স্মৃতিস্তম্ভ করার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনজন অভিভাবক ৯ দফা দাবি উত্থাপন করেন। তাঁদের দাবিগুলো হলো—
১. আইন অমান্য এবং নিয়ম ভঙ্গ করে কোচিং বাণিজ্যের মাধ্যমে শিশুদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার দায়ে মাইলস্টোনের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
২. মাইলস্টোনসহ সারাদেশে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে।
৩. নিহত পরিবারগুলোকে মাইলস্টোন কর্তৃপক্ষ দ্বারা অর্থিক জরিমানা দিতে হবে।
৪. রানওয়ে এলাকা থেকে মাইলস্টোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নামক কোচিং সেন্টার স্থানান্তর করতে হবে।
৫. মাইলস্টোনে কোচিং বাণিজ্যের মূল হোতাদের দ্রুত অপসারণ করে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
৬. সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদানকারী শিক্ষকদের অপসারণ এবং আইনের আওতায় আনতে হবে। এছাড়া নিহত পরিবারের সদস্যদের হয়রানি বন্ধে সরকারকে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।
৭. ঘটনার প্রকৃত চিত্র জানতে মাইলস্টোন কর্তৃপক্ষকে সিসি ক্যামেরা ফুটেজ প্রকাশ করতে হবে।
৮. জনস্বার্থে রিটকারী আইনজীবীর রিট অনুযায়ী সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের রিট বাস্তবায়ন করতে হবে।
৯. এ ছাড়ও বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জনহীন এলাকায় স্থানান্তর করার দাবি জানাচ্ছি।
লিখিত ৯ দফা দাবির নিচে উল্লেক করা হয়, ‘আমরা বিশ্বাস করি, উপরোক্ত দাবিগুলো কেবল নিহত পরিবারগুলোর ন্যায়বিচারের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষার জন্যও জরুরি। তাই আমরা অভিভাবকরা আমাদের দেশের প্রতিটি সন্তানের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ৯ দফা দাবি উপস্থাপন করছি, যাতে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নিরাপদে থাকতে পারেন।’
আরও বলা হয়, ‘এছাড়াও আমরা অত্যন্ত দুঃখভারাক্রান্ত মনে যানাচ্ছি যে গত ১৯ আগস্ট সরকার প্রধান বাংলাদেশের একমাত্র নোবেলজয়ী মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিমান দুর্ঘটনায় নিহত তিনজন শিক্ষকের পরিবারের সদস্যদের তাঁর বাসভবন যমুনায় ডেকে নিলেও সেখানে নিহত কোনো শিক্ষার্থীর পরিবারকে ডাকা হয়নি। এবিষয়ে আমরা সকল পরিবার গভীরভাবে অহত হয়েছি।’

বিমান দুর্ঘটনায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিহত তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মারিয়াম উম্মে আফিয়ার মা উম্মে তামিমা আক্তার অভিযোগ করেছেন, ‘আমরা যখন আমাদের বাচ্চাদের মৃত্যু নিয়ে কথা বলি, তখন কলেজের শিক্ষকরা বলেন আমরা নাকি মায়াকান্না করি।’
আজ মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিকেল ৪টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন। বিমান দূর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে ৯ দফা দাবিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
উম্মে তামিমা আক্তার বলেন, ‘যখন প্ল্যানটা ক্র্যাস করে, আমি তখন সবার আগে ওইখানে গিয়েছিলাম। আমার চোখের সামনে আগুনটা দাউদাউ করে জ্বলছে, কিন্তু আমি কিছু করতে পারি নাই। নিমিষে সব শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু যখন এটা নিয়ে আমি কথা বলি, তখন বলে আমি নাকি মায়াকান্না করি! আমি কি বিচার চাইতে পারি না?’
তামিমা আক্তার আরও বলেন, ‘আমরা দেখলাম স্কুলের যে ৩ জন শিক্ষক মারা গেছেন তাদের অভিভাবকদের নিয়ে আমাদের প্রধান উপদেষ্টা মিটিং করলেন। কিন্তু আমাদের বাচ্চাদের নিয়ে কোনো কথাই বললেন না। যখন আমরা এই নিউজটা দেখেছি আমাদের অনেক খারাপ লেগেছে।’
মাইলস্টোন স্কুলের অষ্টম শ্রেণির নিহত শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদের বাবা রুবেল মিয়া বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো ২১ জুলাই সকালে আমি আমার দুই ছেলেকে মাইলস্টোন কলেজে দিয়ে আসি লেখাপড়ার জন্য। তারপর ভাগ্যক্রমে আমার ছোট ছেলেকে বাসায় ফিরিয়ে নিতে পারলেও বড় ছেলেকে বাসায় ফিরিয়ে নিতে পারিনি। তানভীর সেদিন সবগুলো ক্লাস শেষ করে কোচিংয়ের জন্য অপেক্ষা করছিল।’
রুবেল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘কী দোষ ছিল তানভীরের? কেন ওর ঘরে ফেরা হলো না? কেনইবা ছটফট করতে করতে ওর এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হলো? এই অকাল মৃত্যুর দায়ভার কার? সরকার, বিমানবাহিনী নাকি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কোচিং বাণিজ্যের?’
সপ্তম শ্রেণির নিহত শিক্ষার্থী মাহতাব রহমান ভূঁইয়ার বাবা মিনহাজুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘আজকে আমাদের ফ্যামিলিগুলো ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আমি কর্মে যেতে পারি না, কোথাও মন বসে না। আমার ওয়াইফ সর্বক্ষণ কান্নাকাটির মধ্যেই থাকে। এর মধ্যে কর্তৃপক্ষের বাজে ব্যবহারের কারণে আমরা এখানে আসতে বাধ্য হয়েছি।’
দ্বিতীয় শ্রেণির নিহত শিক্ষার্থী নাফি ও ষষ্ঠ শ্রেণির নিহত শিক্ষার্থী নাজিয়ার বাবা আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার দিন মাইলস্টোন কর্তৃপক্ষ আন্তরিক ছিল না। দুর্ঘটনার পর তাদের পরিবহনও ব্যবহার করেনি। আমার ছেলেকে নিয়ে গেছে অটোতে করে। আজকে যে আমার দুইটা সন্তান চলে গেলো, আমার আর কী আছে বলেন?’
এ সময় তিনি নিহত শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রীয় শহীদ মর্যাদা এবং দুর্ঘটনাস্থলে একটি স্মৃতিস্তম্ভ করার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনজন অভিভাবক ৯ দফা দাবি উত্থাপন করেন। তাঁদের দাবিগুলো হলো—
১. আইন অমান্য এবং নিয়ম ভঙ্গ করে কোচিং বাণিজ্যের মাধ্যমে শিশুদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার দায়ে মাইলস্টোনের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
২. মাইলস্টোনসহ সারাদেশে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে।
৩. নিহত পরিবারগুলোকে মাইলস্টোন কর্তৃপক্ষ দ্বারা অর্থিক জরিমানা দিতে হবে।
৪. রানওয়ে এলাকা থেকে মাইলস্টোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নামক কোচিং সেন্টার স্থানান্তর করতে হবে।
৫. মাইলস্টোনে কোচিং বাণিজ্যের মূল হোতাদের দ্রুত অপসারণ করে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
৬. সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদানকারী শিক্ষকদের অপসারণ এবং আইনের আওতায় আনতে হবে। এছাড়া নিহত পরিবারের সদস্যদের হয়রানি বন্ধে সরকারকে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।
৭. ঘটনার প্রকৃত চিত্র জানতে মাইলস্টোন কর্তৃপক্ষকে সিসি ক্যামেরা ফুটেজ প্রকাশ করতে হবে।
৮. জনস্বার্থে রিটকারী আইনজীবীর রিট অনুযায়ী সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের রিট বাস্তবায়ন করতে হবে।
৯. এ ছাড়ও বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জনহীন এলাকায় স্থানান্তর করার দাবি জানাচ্ছি।
লিখিত ৯ দফা দাবির নিচে উল্লেক করা হয়, ‘আমরা বিশ্বাস করি, উপরোক্ত দাবিগুলো কেবল নিহত পরিবারগুলোর ন্যায়বিচারের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষার জন্যও জরুরি। তাই আমরা অভিভাবকরা আমাদের দেশের প্রতিটি সন্তানের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ৯ দফা দাবি উপস্থাপন করছি, যাতে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নিরাপদে থাকতে পারেন।’
আরও বলা হয়, ‘এছাড়াও আমরা অত্যন্ত দুঃখভারাক্রান্ত মনে যানাচ্ছি যে গত ১৯ আগস্ট সরকার প্রধান বাংলাদেশের একমাত্র নোবেলজয়ী মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিমান দুর্ঘটনায় নিহত তিনজন শিক্ষকের পরিবারের সদস্যদের তাঁর বাসভবন যমুনায় ডেকে নিলেও সেখানে নিহত কোনো শিক্ষার্থীর পরিবারকে ডাকা হয়নি। এবিষয়ে আমরা সকল পরিবার গভীরভাবে অহত হয়েছি।’

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ক্রমশ বিঘ্নিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত ডিজেল দেওয়ার অনুরোধ পেয়েছে ভারত। এখন সেই অনুরোধ বিবেচনা করছে দেশটি। তবে তার আগে নিজেদের চাহিদা এবং শোধনাগারের ক্ষমতা খতিয়ে দেখবে ভারত।
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি হওয়া মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এ সময় আওয়ামী লীগ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’আখ্যা দেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘পুলিশ হত্যা’র অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ ৪২ জনকে আসামি করে মামলার আবেদন করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য একগুচ্ছ নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। সড়ক, রেল ও নৌপথের যাত্রী এবং চালকদের প্রতি নিরাপত্তা দির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
৩ ঘণ্টা আগে