জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে নাকসু নির্বাচনের সম্ভাব্য রোডম্যাপ ঘোষণা

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে অনশন ভাঙালেন উপাচার্য। স্ট্রিম ছবি

ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (নাকসু) নির্বাচনের সম্ভাব্য রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে প্রশাসন। এর আগে রোববার (৩১ আগস্ট) নাকসু নির্বাচনের দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। পরে তাঁদের দাবি মেনে নিয়ে রোডম্যাপ ঘোষণা করেন উপচার্য। ঘোষণা অনুযায়ী, নির্বাচনের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে চলতি বছরের ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে।

রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে জুস পান করিয়ে অনশন ভাঙান উপাচার্য প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম। এ সয় একটি সম্ভাব্য রোডম্যাপ ঘোষণা করেন তিনি।

সম্ভাব্য রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নাকসু নির্বাচনের খসড়া সংবিধি তৈরি করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) পাঠানো হবে। এই অনুমোদন সাপেক্ষে সরকার থেকে গেজেট প্রকাশের পরই মূলত নির্বাচনী কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।

নিয়ম অনুযায়ি, গেজেট প্রকাশের ৩ কর্মদিবসের মধ্যে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। পরবর্তী ৫ কর্মদিবসের মধ্যে তৈরি হবে নির্বাচনী আচরণবিধি। এরপরের ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে ভোটার তালিকা তৈরি, সে তালিকার বিষয়ে আপত্তি গ্রহণ ও নিষ্পত্তির মাধ্যমে তা চূড়ান্ত করা হবে।

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের ৫ কর্মদিবসের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে পরবর্তী ১৬ কর্মদিবসের মধ্যে মনোনয়নপত্র বিতরণ, দাখিল, বাছাই, প্রার্থীদের খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশসহ সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর প্রচারণার জন্য ১০ দিন সময় পাবেন প্রার্থীরা। চলতি বছরের ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের সব কার্যক্রম শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উপাচার্য প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘সরকারি গেজেট প্রকাশের পরই রোডম্যাপ অনুযায়ী সমস্ত কার্যক্রম শুরু হবে। আমরা আশা করি শিক্ষার্থীরাও ধৈর্য ধরবেন এবং দায়িত্বশীল আচরণ করবেন। আন্তরিকভাবে নির্বাচন আয়োজন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রস্তুত।’

উপাচার্যের ওই ঘোষণার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অধ্যাদেশ জারির পর দ্রুত সময়ের মধ্যে ছাত্র সংসদ নির্বাচন সম্পন্নের দাবি করা হয়। এই দাবি প্রশাসনও স্বাচ্ছন্দ্যে মেনে নেয়।

সম্পর্কিত