স্ট্রিম সংবাদদাতা

ঢাকার সাভারে রানা প্লাজা ধসে নিহত শ্রমিকদের স্মরণে অস্থায়ী বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন আহত শ্রমিক, নিহত শ্রমিকদের স্বজন ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
ধসে পড়া রানা প্লাজার জমিতে স্থাপিত অস্থায়ী বেদিতে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে তাঁরা এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এর আগে বিক্ষোভ মিছিল করেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের নেতা-কর্মীরা। রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, নিহত ও আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ এবং চিকিৎসাসহ বিভিন্ন দাবিতে এ মিছিল করা হয়। পরে সংগঠনের পক্ষ থেকে অস্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
শুধু শ্রমিক সংগঠনই নয়, শিল্প পুলিশের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।

শ্রদ্ধা নিবেদন করতে এসে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা নানা দাবি জানান। বাংলাদেশ গার্মেন্ট ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু বলেন, রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় এখনো আহত ও নিহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হয়নি। রানা প্লাজার আহত শ্রমিকেরা চিকিৎসার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন ১২১ অনুসারে নিহত ও আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। ওই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচার করতে হবে।
বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি অরবিন্দ ব্যাপারী বিন্দু বলেন, ‘রানা প্লাজা ধসের ১২ বছরেও দোষীদের বিচার দেখতে পাইনি। আগের সরকার বিচারের আশ্বাস দিয়েছিল, কিন্তু বিচার হয়নি। বর্তমান বিএনপি সরকারের কাছে আমাদের দাবি, ন্যায্য দাবিগুলো যেন পূরণ করেন তাঁরা।’

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও শিল্প শ্রমিক ফেডারেশন, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলন, বাংলাদেশ টেক্সটাইল-গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল, গার্মেন্টস শ্রমিক জোট বাংলাদেশ, গার্মেন্টস শ্রমিক টেক্সটাইল ফেডারেশন, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, ন্যাশনাল ওয়ার্কার্স ইউনিটি সেন্টার, গ্রামীণ বাংলা গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনসহ নানা শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় নিহত ব্যক্তিদের স্বজন ও আহত শ্রমিকেরা অস্থায়ী বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
২০১৩ সালের এই দিনে ঢাকার সাভার বাসস্ট্যান্ডের অদূরে রানা প্লাজা ধসে নিহত হন ১ হাজার ১৩৮ জন। আহত হন অনেকে।

ঢাকার সাভারে রানা প্লাজা ধসে নিহত শ্রমিকদের স্মরণে অস্থায়ী বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন আহত শ্রমিক, নিহত শ্রমিকদের স্বজন ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
ধসে পড়া রানা প্লাজার জমিতে স্থাপিত অস্থায়ী বেদিতে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে তাঁরা এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এর আগে বিক্ষোভ মিছিল করেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের নেতা-কর্মীরা। রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, নিহত ও আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ এবং চিকিৎসাসহ বিভিন্ন দাবিতে এ মিছিল করা হয়। পরে সংগঠনের পক্ষ থেকে অস্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
শুধু শ্রমিক সংগঠনই নয়, শিল্প পুলিশের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।

শ্রদ্ধা নিবেদন করতে এসে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা নানা দাবি জানান। বাংলাদেশ গার্মেন্ট ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু বলেন, রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় এখনো আহত ও নিহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হয়নি। রানা প্লাজার আহত শ্রমিকেরা চিকিৎসার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন ১২১ অনুসারে নিহত ও আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। ওই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচার করতে হবে।
বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি অরবিন্দ ব্যাপারী বিন্দু বলেন, ‘রানা প্লাজা ধসের ১২ বছরেও দোষীদের বিচার দেখতে পাইনি। আগের সরকার বিচারের আশ্বাস দিয়েছিল, কিন্তু বিচার হয়নি। বর্তমান বিএনপি সরকারের কাছে আমাদের দাবি, ন্যায্য দাবিগুলো যেন পূরণ করেন তাঁরা।’

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও শিল্প শ্রমিক ফেডারেশন, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলন, বাংলাদেশ টেক্সটাইল-গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল, গার্মেন্টস শ্রমিক জোট বাংলাদেশ, গার্মেন্টস শ্রমিক টেক্সটাইল ফেডারেশন, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, ন্যাশনাল ওয়ার্কার্স ইউনিটি সেন্টার, গ্রামীণ বাংলা গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনসহ নানা শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় নিহত ব্যক্তিদের স্বজন ও আহত শ্রমিকেরা অস্থায়ী বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
২০১৩ সালের এই দিনে ঢাকার সাভার বাসস্ট্যান্ডের অদূরে রানা প্লাজা ধসে নিহত হন ১ হাজার ১৩৮ জন। আহত হন অনেকে।

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় সাধারণ একটি দিন হওয়ার কথা থাকলেও বাংলাদেশের ইতিহাসে হয়ে যায় একটি বিভীষিকাময় দিন। যে দিনের স্মরণে আজও কেঁপে ওঠে হৃদয়, চোখ দিয়ে পড়ে পানি। এখনো নাকে লাগে গলিত ও অর্ধগলিত লাশের দুর্গন্ধ।
৩২ মিনিট আগে
বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ, সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য এবং গণহত্যার বিরুদ্ধে সুরের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক বিশেষ কনসার্ট।
১ ঘণ্টা আগে
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিলের সকাল। প্রতিদিনের মতো কাজে এসেছিলেন শ্রমিকরা। হঠাৎ বিকট আওয়াজ। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ধসে পড়ে সাভারের রানা প্লাজার ৯তলা ভবনের পুরোটাই। প্রাণ হারান ১১ শ ৩৬ শ্রমিক। শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি এই সংখ্যা ১১ শ ৭৫।
১ ঘণ্টা আগে
দেশের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী শিল্প দুর্ঘটনা সাভারের রানা প্লাজা ধসের ১৩ বছর পূর্ণ হলো। ২০১৩ সালের এই দিনে ৯তলা ভবনটি ধসে পড়ে ১ হাজার ১৩৮ জন পোশাকশ্রমিকের নিহত হন। আহত ও পঙ্গুত্ববরণ করেন হাজারো শ্রমিক।
২ ঘণ্টা আগে