মাইদুল ইসলাম

চারদিকে রাজধানী উন্নয়ন প্রকল্পের (রাজউক) আবাসন প্রকল্প আর দ্রুত বাড়তে থাকা কংক্রিটের জঙ্গল। চলছে জলাভূমি ভরাটের মহোৎসব। কিন্তু এর মাঝেই যেন এক টুকরো স্বস্তি হয়ে টিকে আছে ঢাকার উত্তরা সংলগ্ন দিয়াবাড়ি এলাকার প্রকৃতি। অবাক করা বিষয় হলো, এই খণ্ডিত জলাভূমি এবং ঝোপঝাড়ের মাঝেই ৭৯ প্রজাতির পাখি, ৮ প্রজাতির স্তন্যপায়ী এবং ১৩ প্রজাতির সরীসৃপ ও উভচর প্রাণী টিকে আছে।
তবে অপরিকল্পিত নগরায়ণ, দূষণ ও দর্শনার্থীদের অনিয়ন্ত্রিত ভিড়ে চরম হুমকির মুখে পড়েছে রাজধানীর পেরি-আরবান (শহরতলি) এলাকার এই প্রাকৃতিক অমূল্য সম্পদ।
সম্প্রতি পরিবেশ ও নদী বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘রিভার অ্যান্ড ডেলটা রিসার্চ সেন্টার’-এর (আরডিআরসি) এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। ‘বায়োডাইভার্সিটি ইন দিয়াবাড়ি: পেরি-আরবান নেচার ইন ঢাকা’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে দিয়াবাড়ির বর্তমান প্রতিবেশ ব্যবস্থা এবং এর ওপর চলমান হুমকির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত এই জরিপ পরিচালিত হয়।

গবেষণাটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আরডিআরসির গবেষক শুভাশীষ দাস শুভ। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা শীতকালটিকে পর্যবেক্ষণের জন্য বেছে নিয়েছিলাম। কারণ ওই সময়ে পরিযায়ী পাখিরাও দিয়াবাড়িতে আসে। আমাদের দলের সদস্যরা নিবিড় পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ওই এলাকার মানুষদের সঙ্গে কথা বলেছেন।’
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিয়াবাড়ি এলাকায় এখনও বৈচিত্র্যময় বন্যপ্রাণীর দেখা মেলে। জরিপে মোট ৭৯ প্রজাতির পাখি শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই আবাসিক পাখি, তবে শীতকালে পরিযায়ী পাখিদেরও একটি বড় অংশ এখানে আশ্রয় নেয়। উল্লেখযোগ্য পাখির মধ্যে রয়েছে বিশ্বব্যাপী ‘প্রায় হুমকিতে’ থাকা বড় টিয়া। এছাড়া নানা প্রজাতির বক, মাছরাঙা, কাঠঠোকরা ও শিকারি পাখি এই এলাকার প্রাকৃতিক খাদ্যশৃঙ্খল সচল রেখেছে।

পাখির পাশাপাশি এখানে ৮ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পাতি শিয়াল, বেজি, রেসাস বানর এবং বড় বাদুড় বা ফ্লাইং ফক্স। গবেষকেরা বলছেন, শিয়ালের মতো প্রাণী সাধারণত কোলাহলমুক্ত পরিবেশে থাকতে পছন্দ করে, দিয়াবাড়ির প্রান্তে এদের উপস্থিতি প্রমাণ করে জায়গাটি এখনও বন্যপ্রাণীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল।
এছাড়া জলাভূমি ও এর আশপাশে ৯ প্রজাতির সরীসৃপ এবং ৪ প্রজাতির উভচর প্রাণীর খোঁজ মিলেছে। এর মধ্যে রয়েছে গুই সাপ, গোখরা, রাসেলস ভাইপার, কালো কচ্ছপ (ইন্ডিয়ান ব্ল্যাক টার্টল) এবং নানা প্রজাতির ব্যাঙ।
গবেষক শুভাশীষ দাস বলেন, এই প্রাণীরা অনেক আগে থেকেই এই এলাকায় ছিল। কিন্তু সময় যত গেছে পাখি ও বণ্যপ্রাণীর সংখ্যা তত কমেছে। একটা সময় আরও বেশি ছিল। নগরায়ন যত বেড়েছে সংখ্যা তত কমেছে।
প্রতিবেদনে দিয়াবাড়ির সাথে ঢাকার অন্যান্য কৃত্রিম জলাভূমি—যেমন হাতিরঝিল বা ধানমন্ডি লেকের একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। কংক্রিটে বাঁধানো কৃত্রিম লেকের চেয়ে দিয়াবাড়ির প্রাকৃতিক ও মৌসুমী জলাভূমি, ঘাসবন এবং খালের তীর অনেক বেশি জীববৈচিত্র্য ধারণ করতে সক্ষম।

শুধু বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলই নয়, দিয়াবাড়ি ঢাকার উত্তরাংশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘ন্যাচারাল ফ্লাড বাফার’ বা প্রাকৃতিক বন্যা প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি ধরে রেখে এটি আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা কমায় এবং শহরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
এতসব ইতিবাচক দিকের বিপরীতে হতাশার কথাও শুনিয়েছে আরডিআরসি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজউকের তৃতীয় পর্বের সম্প্রসারণ ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে দিয়াবাড়ির জলাভূমি দ্রুত সংকুচিত হচ্ছে।

পাশাপাশি বড় একটি হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে দূষণ। আবাসিক এলাকার বর্জ্য, প্লাস্টিক ও পয়োনিষ্কাশনের পানি সরাসরি জলাভূমি ও খালে গিয়ে পড়ছে। এছাড়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দিয়াবাড়ি ঢাকার মানুষের কাছে একটি জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ছুটির দিনগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়, উচ্চশব্দে সাউন্ড সিস্টেম বাজানো এবং কায়াকিংয়ের মতো কার্যক্রম পাখিদের প্রজনন ও বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। দর্শনার্থীদের ফেলে যাওয়া ময়লা-আবর্জনা এবং ভিনদেশি আগ্রাসী উদ্ভিদের বিস্তার দেশীয় প্রজাতির উদ্ভিদের অস্তিত্ব বিলীন করে দিচ্ছে।

গবেষক শুভাশীষ দাস বলেন, দিয়াবাড়ি এলাকাটি এক সময় পুরোটাই জলাভূমি ছিল। মূলত এ কারণেই পাখি ও বণ্যপ্রাণীরা এখানে আবাস গড়েছে। রাজউক যে এলাকাটিতে আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলেছে সেই এলাকাটিও জলাভূমি। পাশেই মেট্রোরেলের প্রকল্প গড়ে উঠেছে, ফলে দিন যত যাচ্ছে, ওখানকার প্রাণী ও পাখিরা হুমকির মুখে পড়ছে।
দিয়াবাড়ির এই জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি), রাজউক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে।

আরডিআরসি বলছে, ডিএনসিসির উচিত দিয়াবাড়িকে শুধু সাধারণ এলাকা হিসেবে না দেখে ‘নগর জীববৈচিত্র্য ও জলাভূমি সংরক্ষণ অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করা। পাশাপাশি রাজউকের নগর পরিকল্পনায় শুধু ইট-পাথরের ভবন নয়, বরং পরিবেশগত করিডোর ও প্রাকৃতিক জলাধার রাখার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করার পাশাপাশি বিনোদনমূলক কার্যক্রমের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ না করলে খুব শিগগিরই ঢাকার বুক থেকে এই প্রাকৃতিক সম্পদ চিরতরে হারিয়ে যাবে।

চারদিকে রাজধানী উন্নয়ন প্রকল্পের (রাজউক) আবাসন প্রকল্প আর দ্রুত বাড়তে থাকা কংক্রিটের জঙ্গল। চলছে জলাভূমি ভরাটের মহোৎসব। কিন্তু এর মাঝেই যেন এক টুকরো স্বস্তি হয়ে টিকে আছে ঢাকার উত্তরা সংলগ্ন দিয়াবাড়ি এলাকার প্রকৃতি। অবাক করা বিষয় হলো, এই খণ্ডিত জলাভূমি এবং ঝোপঝাড়ের মাঝেই ৭৯ প্রজাতির পাখি, ৮ প্রজাতির স্তন্যপায়ী এবং ১৩ প্রজাতির সরীসৃপ ও উভচর প্রাণী টিকে আছে।
তবে অপরিকল্পিত নগরায়ণ, দূষণ ও দর্শনার্থীদের অনিয়ন্ত্রিত ভিড়ে চরম হুমকির মুখে পড়েছে রাজধানীর পেরি-আরবান (শহরতলি) এলাকার এই প্রাকৃতিক অমূল্য সম্পদ।
সম্প্রতি পরিবেশ ও নদী বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘রিভার অ্যান্ড ডেলটা রিসার্চ সেন্টার’-এর (আরডিআরসি) এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। ‘বায়োডাইভার্সিটি ইন দিয়াবাড়ি: পেরি-আরবান নেচার ইন ঢাকা’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে দিয়াবাড়ির বর্তমান প্রতিবেশ ব্যবস্থা এবং এর ওপর চলমান হুমকির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত এই জরিপ পরিচালিত হয়।

গবেষণাটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আরডিআরসির গবেষক শুভাশীষ দাস শুভ। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা শীতকালটিকে পর্যবেক্ষণের জন্য বেছে নিয়েছিলাম। কারণ ওই সময়ে পরিযায়ী পাখিরাও দিয়াবাড়িতে আসে। আমাদের দলের সদস্যরা নিবিড় পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ওই এলাকার মানুষদের সঙ্গে কথা বলেছেন।’
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিয়াবাড়ি এলাকায় এখনও বৈচিত্র্যময় বন্যপ্রাণীর দেখা মেলে। জরিপে মোট ৭৯ প্রজাতির পাখি শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই আবাসিক পাখি, তবে শীতকালে পরিযায়ী পাখিদেরও একটি বড় অংশ এখানে আশ্রয় নেয়। উল্লেখযোগ্য পাখির মধ্যে রয়েছে বিশ্বব্যাপী ‘প্রায় হুমকিতে’ থাকা বড় টিয়া। এছাড়া নানা প্রজাতির বক, মাছরাঙা, কাঠঠোকরা ও শিকারি পাখি এই এলাকার প্রাকৃতিক খাদ্যশৃঙ্খল সচল রেখেছে।

পাখির পাশাপাশি এখানে ৮ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পাতি শিয়াল, বেজি, রেসাস বানর এবং বড় বাদুড় বা ফ্লাইং ফক্স। গবেষকেরা বলছেন, শিয়ালের মতো প্রাণী সাধারণত কোলাহলমুক্ত পরিবেশে থাকতে পছন্দ করে, দিয়াবাড়ির প্রান্তে এদের উপস্থিতি প্রমাণ করে জায়গাটি এখনও বন্যপ্রাণীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল।
এছাড়া জলাভূমি ও এর আশপাশে ৯ প্রজাতির সরীসৃপ এবং ৪ প্রজাতির উভচর প্রাণীর খোঁজ মিলেছে। এর মধ্যে রয়েছে গুই সাপ, গোখরা, রাসেলস ভাইপার, কালো কচ্ছপ (ইন্ডিয়ান ব্ল্যাক টার্টল) এবং নানা প্রজাতির ব্যাঙ।
গবেষক শুভাশীষ দাস বলেন, এই প্রাণীরা অনেক আগে থেকেই এই এলাকায় ছিল। কিন্তু সময় যত গেছে পাখি ও বণ্যপ্রাণীর সংখ্যা তত কমেছে। একটা সময় আরও বেশি ছিল। নগরায়ন যত বেড়েছে সংখ্যা তত কমেছে।
প্রতিবেদনে দিয়াবাড়ির সাথে ঢাকার অন্যান্য কৃত্রিম জলাভূমি—যেমন হাতিরঝিল বা ধানমন্ডি লেকের একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। কংক্রিটে বাঁধানো কৃত্রিম লেকের চেয়ে দিয়াবাড়ির প্রাকৃতিক ও মৌসুমী জলাভূমি, ঘাসবন এবং খালের তীর অনেক বেশি জীববৈচিত্র্য ধারণ করতে সক্ষম।

শুধু বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলই নয়, দিয়াবাড়ি ঢাকার উত্তরাংশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘ন্যাচারাল ফ্লাড বাফার’ বা প্রাকৃতিক বন্যা প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি ধরে রেখে এটি আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা কমায় এবং শহরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
এতসব ইতিবাচক দিকের বিপরীতে হতাশার কথাও শুনিয়েছে আরডিআরসি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজউকের তৃতীয় পর্বের সম্প্রসারণ ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে দিয়াবাড়ির জলাভূমি দ্রুত সংকুচিত হচ্ছে।

পাশাপাশি বড় একটি হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে দূষণ। আবাসিক এলাকার বর্জ্য, প্লাস্টিক ও পয়োনিষ্কাশনের পানি সরাসরি জলাভূমি ও খালে গিয়ে পড়ছে। এছাড়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দিয়াবাড়ি ঢাকার মানুষের কাছে একটি জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ছুটির দিনগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়, উচ্চশব্দে সাউন্ড সিস্টেম বাজানো এবং কায়াকিংয়ের মতো কার্যক্রম পাখিদের প্রজনন ও বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। দর্শনার্থীদের ফেলে যাওয়া ময়লা-আবর্জনা এবং ভিনদেশি আগ্রাসী উদ্ভিদের বিস্তার দেশীয় প্রজাতির উদ্ভিদের অস্তিত্ব বিলীন করে দিচ্ছে।

গবেষক শুভাশীষ দাস বলেন, দিয়াবাড়ি এলাকাটি এক সময় পুরোটাই জলাভূমি ছিল। মূলত এ কারণেই পাখি ও বণ্যপ্রাণীরা এখানে আবাস গড়েছে। রাজউক যে এলাকাটিতে আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলেছে সেই এলাকাটিও জলাভূমি। পাশেই মেট্রোরেলের প্রকল্প গড়ে উঠেছে, ফলে দিন যত যাচ্ছে, ওখানকার প্রাণী ও পাখিরা হুমকির মুখে পড়ছে।
দিয়াবাড়ির এই জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি), রাজউক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে।

আরডিআরসি বলছে, ডিএনসিসির উচিত দিয়াবাড়িকে শুধু সাধারণ এলাকা হিসেবে না দেখে ‘নগর জীববৈচিত্র্য ও জলাভূমি সংরক্ষণ অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করা। পাশাপাশি রাজউকের নগর পরিকল্পনায় শুধু ইট-পাথরের ভবন নয়, বরং পরিবেশগত করিডোর ও প্রাকৃতিক জলাধার রাখার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করার পাশাপাশি বিনোদনমূলক কার্যক্রমের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ না করলে খুব শিগগিরই ঢাকার বুক থেকে এই প্রাকৃতিক সম্পদ চিরতরে হারিয়ে যাবে।

সময়টা ১৯৭০ সাল। এমন একটি তারিখ বেছে নেওয়া হলো, যেন স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরাও এতে যুক্ত হতে পারে। তারিখ হলো ২২ এপ্রিল। বসন্তকালীন ছুটির পর। সেদিন আমেরিকার প্রায় ২ কোটি মানুষ নেমে এসেছিল রাস্তায়। কারণ, পৃথিবীকে বাঁচাতে হবে।
৩৫ মিনিট আগে
বুড়িগঙ্গাসহ দেশের নদীগুলো বাঁচানো যাচ্ছে না; পরিবেশ ক্রমেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষার নামে দেশে যা চলছে, তাকে চরম ‘হিপোক্রেটিক বিহেভিয়ার’ (ভণ্ডামি) বলে আখ্যায়িত করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন রুনু।
১৮ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ এশিয়ায় তাপপ্রবাহ এখন আর মৌসুমি অস্বস্তির বিষয় নয়। এটি ধীরে ধীরে বড় ধরনের জলবায়ু ও জনস্বাস্থ্য সংকটে পরিণত হচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে প্রতি বছরই গরম আরও দীর্ঘ, তীব্র ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। সম্প্রতি পরিবেশ বিজ্ঞানীদের একটি গবেষণায় এই পরিবর্তনের পেছনের কারণগুলো নতুনভাবে ব্যাখ্যা
৪ দিন আগে
রাজধানীর উপর দিয়ে আগামী ২১ এপ্রিল থেকে তাপপ্রবাহ বা হিটওয়েভ বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন আবহাওয়া সংস্থা। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহের শুরু থেকেই ঢাকার তাপমাত্রা লাফিয়ে বাড়তে শুরু করবে।
৭ দিন আগে