কবে থেকে দেশে গুপ্ত শব্দটি এত আলোচিত হয়ে উঠল? আবার এদিকে ভারতীয় উপমহাদেশে দীর্ঘদিন গুপ্ত সাম্রাজ্য শাসন করেছে। তবে কি এই ‘গুপ্ত সাম্রাজ্য’ থেকেই এই শব্দের উৎপত্তি?
ফাবিহা বিনতে হক

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে অনেক পরিবর্তন এসেছে। তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা, আদর্শিক দ্বন্দ্ব ও আধিপত্য বিস্তারের লড়াই। বর্তমানে রাজনীতিতে একটি শব্দ নিয়ে রাজনীতির মাঠ আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শব্দটি ‘গুপ্ত’।
গত ২১ এপ্রিল চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে গ্রাফিতি বা দেয়াললিখনকে কেন্দ্র করে এই বিতর্কের শুরু হয়। এই উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত’ লেখাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
ঠিক কবে থেকে দেশে গুপ্ত শব্দটি এত আলোচিত হয়ে উঠল? আবার এদিকে ভারতীয় উপমহাদেশে দীর্ঘদিন গুপ্ত সাম্রাজ্য শাসন করেছে। তবে কি এই ‘গুপ্ত সাম্রাজ্য’ থেকেই এই শব্দের উৎপত্তি?
ভাষাবিদদের মতে ‘গুপ্ত’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষার ‘গুপ্’ ধাতু থেকে এসেছে। এর সহজ অর্থ হলো গোপন করা বা লুকিয়ে রাখা, লুকানো। প্রাচীনকাল থেকেই শব্দটি নিরাপত্তা বা গোপন কর্মকাণ্ডের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত রাষ্ট্র চিন্তক কৌটিল্য তাঁর ‘অর্থশাস্ত্র’ বইয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য ‘গুপ্ত’ বা গোপন ব্যবস্থার কথা বেশ জোর দিয়ে বলেছিলেন। তাঁর মতে, একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি এই ‘গুপ্তচর ব্যবস্থা’। কৌটিল্য বলেছিলেন, রাজার এমনকিছু গোপন তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা থাকতে হবে, যার মাধ্যমে রাজা রাজ্যের সবকিছু জানবেন। কিন্তু কেউ জানতে পারবে না যে রাজা আসলে কী কী জানেন বা কী ভাবছেন। আর এই ব্যবস্থাকেই বলা হয়, গুপ্তচর ব্যবস্থা।
ইতিহাসের এতসব ‘গুপ্ত’ কর্মকাণ্ডের কথা শুনলে মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, এই গুপ্ত সাম্রাজ্য থেকেই কি ‘গুপ্ত’ শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে?
ভাষাবিদ ও ইতিহাসবিদদের মতে, বিষয়টি আসলে উল্টো। এই শব্দ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অনেক আগে থেকেই সংস্কৃত ভাষায় প্রচলিত ছিল। ‘গুপ্’ ধাতু থেকে আসা শব্দটির মূল অর্থ ‘সুরক্ষিত’ বা ‘ঈশ্বরের দ্বারা রক্ষিত’। প্রাচীনকালে রাজারা বা অভিজাত শ্রেণির মানুষ নিজেদের সুরক্ষিত বোঝাতে নামের শেষে ‘গুপ্ত’ উপাধি ব্যবহার করতেন।

পরবর্তী সময়ে এই উপাধি থেকেই পুরো রাজবংশের নাম হয়ে যায় ‘গুপ্ত রাজবংশ’। অর্থাৎ, শব্দটির জন্ম সাম্রাজ্য থেকে হয়নি। বরং এই বিশাল সাম্রাজ্যের কারণে শব্দটি ইতিহাসে আলাদা পরিচিতি পেয়েছে।
প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে গুপ্ত সাম্রাজ্য গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। খ্রিষ্টীয় তৃতীয় শতাব্দীর শেষের দিকে এই সাম্রাজ্যের সূচনা হয়। ইতিহাসবিদদের ধারণা, রাজা শ্রীগুপ্ত এই রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন। তবে সাম্রাজ্যকে সুসংগঠিত শক্তিতে পরিণত করেন প্রথম চন্দ্রগুপ্ত। ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি সিংহাসনে বসেন। তবে সমুদ্রগুপ্ত ও পরবর্তীতে দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের সময় থেকে গুপ্ত সাম্রাজ্যের বিস্তার শুরু হয়।
প্রথম চন্দ্রগুপ্তের পর তাঁর ছেলে সমুদ্রগুপ্ত ক্ষমতায় আসেন। তিনি ছিলেন এই বংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক ও দুর্ধর্ষ যোদ্ধা। তাঁর সামরিক শক্তি ও ধারাবাহিক বিজয়ের ফলে ঐতিহাসিকরা তাঁকে ‘ভারতের নেপোলিয়ন’ বলে ডাকতেন। রাজা প্রথম চন্দ্রগুপ্ত যুদ্ধ করে উত্তর ভারত জয় করেন। দক্ষিণ ভারতের অনেক রাজাও তাঁর কাছে পরাজিত হন।
তবে গুপ্ত সাম্রাজ্যের সমৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত। ইতিহাসে তিনি ‘বিক্রমাদিত্য’ নামে বেশি পরিচিত।

দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের শাসনকালকে গুপ্ত সাম্রাজ্যের সবচেয়ে গৌরবময় সময় বা প্রাচীন ভারতের ‘সোনালি যুগ’ বলা হয়। এই যুগে জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য, স্থাপত্য শিল্পের অভাবনীয় উন্নতি হয়েছিল। বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিদ আর্যভট্ট এই যুগেরই মানুষ ছিলেন। বিখ্যাত কবি কালিদাস ছিলেন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজসভার সভাকবি।
এই সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসার ঘটে। রোমান সাম্রাজ্য থেকে শুরু করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে গুপ্তদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল। ফলে রাজ্য অর্থনৈতিকভাবে বেশ সমৃদ্ধি লাভ করেছিল।
যেকোনো বিশাল সাম্রাজ্যেরই একসময় পতন হতে পারে। গুপ্ত সাম্রাজ্যও এর ব্যতিক্রম ছিল না। পঞ্চম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে দুর্ধর্ষ যাযাবর জাতি ‘হুন’ মধ্য এশিয়া থেকে ভারত আক্রমণ করতে শুরু করে। সম্রাট স্কন্দগুপ্তের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর হুন জাতি পরাজিত হয় গুপ্ত সাম্রাজ্যের কাছে। কিন্তু এই যুদ্ধের কারণে গুপ্তদের সামরিক শক্তি কমে যায় এবং রাজকোষ ফাঁকা হতে শুরু করে।
স্কন্দগুপ্তের মৃত্যুর পর গুপ্ত বংশে আর কোনো শক্তিশালী শাসক আসেননি। পরবর্তী রাজারা ছিলেন তুলনামূলক দুর্বল। এই দুর্বলতার সুযোগে সাম্রাজ্যের ভেতরের ছোট ছোট অঞ্চলের রাজারা বিদ্রোহ শুরু করেন এবং নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে হুনদের আক্রমণও আবার তীব্র হয়। বাইরের আক্রমণ এবং ভেতরের কোন্দলে বিশাল এই সাম্রাজ্য ভেঙে পড়ে। অবশেষে ষষ্ঠ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে একসময়ের প্রবল পরাক্রমশালী গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে অনেক পরিবর্তন এসেছে। তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা, আদর্শিক দ্বন্দ্ব ও আধিপত্য বিস্তারের লড়াই। বর্তমানে রাজনীতিতে একটি শব্দ নিয়ে রাজনীতির মাঠ আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শব্দটি ‘গুপ্ত’।
গত ২১ এপ্রিল চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে গ্রাফিতি বা দেয়াললিখনকে কেন্দ্র করে এই বিতর্কের শুরু হয়। এই উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত’ লেখাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
ঠিক কবে থেকে দেশে গুপ্ত শব্দটি এত আলোচিত হয়ে উঠল? আবার এদিকে ভারতীয় উপমহাদেশে দীর্ঘদিন গুপ্ত সাম্রাজ্য শাসন করেছে। তবে কি এই ‘গুপ্ত সাম্রাজ্য’ থেকেই এই শব্দের উৎপত্তি?
ভাষাবিদদের মতে ‘গুপ্ত’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষার ‘গুপ্’ ধাতু থেকে এসেছে। এর সহজ অর্থ হলো গোপন করা বা লুকিয়ে রাখা, লুকানো। প্রাচীনকাল থেকেই শব্দটি নিরাপত্তা বা গোপন কর্মকাণ্ডের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত রাষ্ট্র চিন্তক কৌটিল্য তাঁর ‘অর্থশাস্ত্র’ বইয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য ‘গুপ্ত’ বা গোপন ব্যবস্থার কথা বেশ জোর দিয়ে বলেছিলেন। তাঁর মতে, একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি এই ‘গুপ্তচর ব্যবস্থা’। কৌটিল্য বলেছিলেন, রাজার এমনকিছু গোপন তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা থাকতে হবে, যার মাধ্যমে রাজা রাজ্যের সবকিছু জানবেন। কিন্তু কেউ জানতে পারবে না যে রাজা আসলে কী কী জানেন বা কী ভাবছেন। আর এই ব্যবস্থাকেই বলা হয়, গুপ্তচর ব্যবস্থা।
ইতিহাসের এতসব ‘গুপ্ত’ কর্মকাণ্ডের কথা শুনলে মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, এই গুপ্ত সাম্রাজ্য থেকেই কি ‘গুপ্ত’ শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে?
ভাষাবিদ ও ইতিহাসবিদদের মতে, বিষয়টি আসলে উল্টো। এই শব্দ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অনেক আগে থেকেই সংস্কৃত ভাষায় প্রচলিত ছিল। ‘গুপ্’ ধাতু থেকে আসা শব্দটির মূল অর্থ ‘সুরক্ষিত’ বা ‘ঈশ্বরের দ্বারা রক্ষিত’। প্রাচীনকালে রাজারা বা অভিজাত শ্রেণির মানুষ নিজেদের সুরক্ষিত বোঝাতে নামের শেষে ‘গুপ্ত’ উপাধি ব্যবহার করতেন।

পরবর্তী সময়ে এই উপাধি থেকেই পুরো রাজবংশের নাম হয়ে যায় ‘গুপ্ত রাজবংশ’। অর্থাৎ, শব্দটির জন্ম সাম্রাজ্য থেকে হয়নি। বরং এই বিশাল সাম্রাজ্যের কারণে শব্দটি ইতিহাসে আলাদা পরিচিতি পেয়েছে।
প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে গুপ্ত সাম্রাজ্য গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। খ্রিষ্টীয় তৃতীয় শতাব্দীর শেষের দিকে এই সাম্রাজ্যের সূচনা হয়। ইতিহাসবিদদের ধারণা, রাজা শ্রীগুপ্ত এই রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন। তবে সাম্রাজ্যকে সুসংগঠিত শক্তিতে পরিণত করেন প্রথম চন্দ্রগুপ্ত। ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি সিংহাসনে বসেন। তবে সমুদ্রগুপ্ত ও পরবর্তীতে দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের সময় থেকে গুপ্ত সাম্রাজ্যের বিস্তার শুরু হয়।
প্রথম চন্দ্রগুপ্তের পর তাঁর ছেলে সমুদ্রগুপ্ত ক্ষমতায় আসেন। তিনি ছিলেন এই বংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক ও দুর্ধর্ষ যোদ্ধা। তাঁর সামরিক শক্তি ও ধারাবাহিক বিজয়ের ফলে ঐতিহাসিকরা তাঁকে ‘ভারতের নেপোলিয়ন’ বলে ডাকতেন। রাজা প্রথম চন্দ্রগুপ্ত যুদ্ধ করে উত্তর ভারত জয় করেন। দক্ষিণ ভারতের অনেক রাজাও তাঁর কাছে পরাজিত হন।
তবে গুপ্ত সাম্রাজ্যের সমৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত। ইতিহাসে তিনি ‘বিক্রমাদিত্য’ নামে বেশি পরিচিত।

দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের শাসনকালকে গুপ্ত সাম্রাজ্যের সবচেয়ে গৌরবময় সময় বা প্রাচীন ভারতের ‘সোনালি যুগ’ বলা হয়। এই যুগে জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য, স্থাপত্য শিল্পের অভাবনীয় উন্নতি হয়েছিল। বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিদ আর্যভট্ট এই যুগেরই মানুষ ছিলেন। বিখ্যাত কবি কালিদাস ছিলেন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজসভার সভাকবি।
এই সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসার ঘটে। রোমান সাম্রাজ্য থেকে শুরু করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে গুপ্তদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল। ফলে রাজ্য অর্থনৈতিকভাবে বেশ সমৃদ্ধি লাভ করেছিল।
যেকোনো বিশাল সাম্রাজ্যেরই একসময় পতন হতে পারে। গুপ্ত সাম্রাজ্যও এর ব্যতিক্রম ছিল না। পঞ্চম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে দুর্ধর্ষ যাযাবর জাতি ‘হুন’ মধ্য এশিয়া থেকে ভারত আক্রমণ করতে শুরু করে। সম্রাট স্কন্দগুপ্তের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর হুন জাতি পরাজিত হয় গুপ্ত সাম্রাজ্যের কাছে। কিন্তু এই যুদ্ধের কারণে গুপ্তদের সামরিক শক্তি কমে যায় এবং রাজকোষ ফাঁকা হতে শুরু করে।
স্কন্দগুপ্তের মৃত্যুর পর গুপ্ত বংশে আর কোনো শক্তিশালী শাসক আসেননি। পরবর্তী রাজারা ছিলেন তুলনামূলক দুর্বল। এই দুর্বলতার সুযোগে সাম্রাজ্যের ভেতরের ছোট ছোট অঞ্চলের রাজারা বিদ্রোহ শুরু করেন এবং নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে হুনদের আক্রমণও আবার তীব্র হয়। বাইরের আক্রমণ এবং ভেতরের কোন্দলে বিশাল এই সাম্রাজ্য ভেঙে পড়ে। অবশেষে ষষ্ঠ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে একসময়ের প্রবল পরাক্রমশালী গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

আজ সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যুবার্ষিকী। এ দিনে তাঁর অনুরাগীরা নানা কাজের মধ্য দিয়ে তাঁকে স্মরণ করেন। তিনি অসামান্য প্রতিভাবান একজন চলচ্চিত্রকার হিসেবেই সবচেয়ে পরিচিত। স্বল্প যন্ত্রপাতি ও বাজেটে তিনি বানিয়েছেন অসাধারণ সব সিনেমা। রেখে গিয়েছেন হাতে করা নিখুঁত ইলাস্ট্রেশন। তবে গল্পকার সত্যজিৎ যেন অনেকটাই আলোচন
১৭ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব বই দিবসে এই শিরোনামটি দেখে আপনি হয়তো চমকে উঠছেন। কেউ কেউ হয়তো ভাবছেন, সস্তা একটা ক্লিকবেইট, ফোকাস কমে যাওয়া আর অনন্ত কন্টেন্টের যুগে স্রেফ পাঠক ধরার ধান্দা। কেউ হয়তো ভ্রু কুঁচকে বা হেসে ভাবছেন, বই কীভাবে পড়তে হয় মানে? অক্ষরের পর অক্ষর গড়গড় করে পড়ে যাব। ব্যাস! বই পড়া আবার শিখতে হয় নাকি?
১৮ ঘণ্টা আগে
কবি ইমতিয়াজ মাহমুদের একটি কবিতার দুটি পংক্তি—‘খোদা আমাকে মানুষ বানালো, আমি হতে চেয়েছিলাম বই।’ হ্যাঁ একজন সংবেদনীল, সৃষ্টিপ্রবণ মানুষের কাছে বইয়ের অস্তিত্ব একটা মানব জনমের চেয়েও অধিক মূল্যবান।
২০ ঘণ্টা আগে
ক্লাস সিক্সে পড়ি, সে সময়ে এক আত্মীয়ের বাড়ি গেলাম। বুকশেলফে রাখা বইগুলো উল্টেপাল্টে দেখছি, চোখ পড়ল কালবেলা নামে এক উপন্যাসের ওপর। হাতে নিতেই প্রায় ছোঁ মেরে আমার আত্মীয় বইটি তুলে নিলেন। ‘এসব বড়দের বই, পড়লে মানে বুঝবে না এসবের’। এভাবেই আমাদের অনেকের ‘বড়দের বই’য়ের সঙ্গে পরিচয়।
২০ ঘণ্টা আগে