স্ট্রিম প্রতিবেদক

জ্বালানি তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় রাজধানীর বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকছে। এতে চালু থাকা পাম্পগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। সেই লাইন শেষ হতে হতে আবার অনেক সময় তেল শেষ যাচ্ছে। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টার দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছেন না অনেকে।
শনিবার সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। সরকার বারবার দেশে জ্বালানির সংকট নেই এবং চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহের দাবি করলেও এর সত্যতা মেলেনি।
যাত্রাবাড়ী ও পুরান ঢাকার ৬টি পাম্প ঘুরে দেখা যায়, মাত্র একটি সচল আছে। বাকিগুলোতে তেল নেই। অনেকে এসে ফিরে যাচ্ছেন। কর্মচারীরা কাটাচ্ছেন অলস সময়।
যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একই স্থানে থাকা তিন পেট্রোল পাম্পের মধ্যে বন্ধ পাওয়া যায় রাজধানী ফিলিং স্টেশন ও এর বিপরীত দিকে থাকা মুক্তি ফিলিং স্টেশন। তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় দড়ি ঝুলিয়ে আটকানো ছিল প্রবেশপথ। পাশের টোটাল সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশনে তেল থাকায় গ্রাহকরা ভিড় করছিলেন সেখানে। পাম্পটির সামনে মোটরসাইকেলের লাইন দেখা যায় প্রায় আধা কিলোমিটার।
ওই লাইনে মোটরসাইকেল দিয়ে অপেক্ষমাণ কলেজ শিক্ষার্থী আল হাসান স্ট্রিমকে বলেন, এখানে অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছি। কতক্ষণে তেল পাব বুঝতে পারছি না। এর আগে মতিঝিল থেকে তেল নিয়েছিলাম গত সপ্তাহে। প্রায় ২ ঘণ্টা লেগেছিল।
টোটাল সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশনের সেলস ইনচার্জ মোহাম্মদ রিয়াদ স্ট্রিমকে বলেন, চাহিদা অনুপাতে আমরা তেল পাচ্ছি না। আগে প্রতিদিন বিক্রি ছিল ৭০০ থেকে ১ হাজার লিটার। এখন বেড়ে হয়েছে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার লিটার। অন্যান্য পাম্পে তেলের সংকটের কারণে আমাদের এখানে চাপ বেশি। তবে অনেক দিন ধরে অকটেন পাচ্ছি না। পেট্রোল পেলেও কম।
তিনি আরও বলেন, আগে সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল ১ সপ্তাহে বিক্রি করতাম। সেটা এখন ২ দিনে শেষ হয়ে যাচ্ছে। সবশেষ পরশু দিন সাড়ে ৪ হাজার লিটার তেল পেয়েছি, যা আজ শেষ হয়ে যাবে। আর অকটেন পাচ্ছি না ঈদের ২ দিন আগে থেকে।
পাম্প বন্ধ রাখলে ক্রেতাদের দুর্ব্যবহারের শিকার হতে হচ্ছে জানিয়ে মোহাম্মদ রিয়াদ বলেন, তেল ফুরিয়ে গেলে বিক্রি বন্ধ রাখতে হয়। তখন অনেকে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রাবাড়ী থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার সড়কে রয়েছে বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশন। এসব পাম্পের অধিকাংশই বন্ধ পাওয়া যায়।
এদিকে, পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের বিপরীত কিউ জি সামদানী অ্যান্ড কোং রাজধানীর অন্যতম পুরাতন পেট্রোল পাম্প। দুপুরে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, প্রবেশপথে দড়ি টাঙিয়ে পাম্প বন্ধ করে রাখা হয়েছে। সামনে কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক তেল না পেয়ে বিরক্তি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।
পাম্পের কর্মচারীরা জানান, আপাতত তেল নেই। বিকেল ৫টার পর তেল আসবে। তখন বিক্রি শুরু হবে।
অন্য কোথাও তেল না পেয়ে এখানে এসেছিলেন মোটরসাইকেলচালক আহসান বাবু। ফিরে যাওয়ার সময় স্ট্রিমকে বলেন, ভেতর থেকে বলল ৫টার পর আসতে। এখন যে তেল আছে তা দিয়ে ঘণ্টা দুই-এক চলতে পারব।
পাশেই থাকা আরেক মোটরসাইকেলচালক মো. শামীম বলেন, আমি ছোট একটা চাকরি করি। দিনের অনেক সময় এখন আমার তেলের পেছনে ব্যয় হয়। এই সময়টা আমি পরিবারকে দিতে পারতাম। এখন অফিস রেখে এখানে এসেছি। ওরা বলল তেল নেই। এই বিপদ কবে কাটবে জানি না।

জ্বালানি তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় রাজধানীর বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকছে। এতে চালু থাকা পাম্পগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। সেই লাইন শেষ হতে হতে আবার অনেক সময় তেল শেষ যাচ্ছে। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টার দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছেন না অনেকে।
শনিবার সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। সরকার বারবার দেশে জ্বালানির সংকট নেই এবং চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহের দাবি করলেও এর সত্যতা মেলেনি।
যাত্রাবাড়ী ও পুরান ঢাকার ৬টি পাম্প ঘুরে দেখা যায়, মাত্র একটি সচল আছে। বাকিগুলোতে তেল নেই। অনেকে এসে ফিরে যাচ্ছেন। কর্মচারীরা কাটাচ্ছেন অলস সময়।
যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একই স্থানে থাকা তিন পেট্রোল পাম্পের মধ্যে বন্ধ পাওয়া যায় রাজধানী ফিলিং স্টেশন ও এর বিপরীত দিকে থাকা মুক্তি ফিলিং স্টেশন। তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় দড়ি ঝুলিয়ে আটকানো ছিল প্রবেশপথ। পাশের টোটাল সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশনে তেল থাকায় গ্রাহকরা ভিড় করছিলেন সেখানে। পাম্পটির সামনে মোটরসাইকেলের লাইন দেখা যায় প্রায় আধা কিলোমিটার।
ওই লাইনে মোটরসাইকেল দিয়ে অপেক্ষমাণ কলেজ শিক্ষার্থী আল হাসান স্ট্রিমকে বলেন, এখানে অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছি। কতক্ষণে তেল পাব বুঝতে পারছি না। এর আগে মতিঝিল থেকে তেল নিয়েছিলাম গত সপ্তাহে। প্রায় ২ ঘণ্টা লেগেছিল।
টোটাল সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশনের সেলস ইনচার্জ মোহাম্মদ রিয়াদ স্ট্রিমকে বলেন, চাহিদা অনুপাতে আমরা তেল পাচ্ছি না। আগে প্রতিদিন বিক্রি ছিল ৭০০ থেকে ১ হাজার লিটার। এখন বেড়ে হয়েছে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার লিটার। অন্যান্য পাম্পে তেলের সংকটের কারণে আমাদের এখানে চাপ বেশি। তবে অনেক দিন ধরে অকটেন পাচ্ছি না। পেট্রোল পেলেও কম।
তিনি আরও বলেন, আগে সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল ১ সপ্তাহে বিক্রি করতাম। সেটা এখন ২ দিনে শেষ হয়ে যাচ্ছে। সবশেষ পরশু দিন সাড়ে ৪ হাজার লিটার তেল পেয়েছি, যা আজ শেষ হয়ে যাবে। আর অকটেন পাচ্ছি না ঈদের ২ দিন আগে থেকে।
পাম্প বন্ধ রাখলে ক্রেতাদের দুর্ব্যবহারের শিকার হতে হচ্ছে জানিয়ে মোহাম্মদ রিয়াদ বলেন, তেল ফুরিয়ে গেলে বিক্রি বন্ধ রাখতে হয়। তখন অনেকে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রাবাড়ী থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার সড়কে রয়েছে বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশন। এসব পাম্পের অধিকাংশই বন্ধ পাওয়া যায়।
এদিকে, পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের বিপরীত কিউ জি সামদানী অ্যান্ড কোং রাজধানীর অন্যতম পুরাতন পেট্রোল পাম্প। দুপুরে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, প্রবেশপথে দড়ি টাঙিয়ে পাম্প বন্ধ করে রাখা হয়েছে। সামনে কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক তেল না পেয়ে বিরক্তি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।
পাম্পের কর্মচারীরা জানান, আপাতত তেল নেই। বিকেল ৫টার পর তেল আসবে। তখন বিক্রি শুরু হবে।
অন্য কোথাও তেল না পেয়ে এখানে এসেছিলেন মোটরসাইকেলচালক আহসান বাবু। ফিরে যাওয়ার সময় স্ট্রিমকে বলেন, ভেতর থেকে বলল ৫টার পর আসতে। এখন যে তেল আছে তা দিয়ে ঘণ্টা দুই-এক চলতে পারব।
পাশেই থাকা আরেক মোটরসাইকেলচালক মো. শামীম বলেন, আমি ছোট একটা চাকরি করি। দিনের অনেক সময় এখন আমার তেলের পেছনে ব্যয় হয়। এই সময়টা আমি পরিবারকে দিতে পারতাম। এখন অফিস রেখে এখানে এসেছি। ওরা বলল তেল নেই। এই বিপদ কবে কাটবে জানি না।

আলোচনায় মাসদার হোসেন বলেন, ‘আমাদের দেশের বিচার বিভাগ বিচারপ্রার্থীদের প্রতি ন্যায়বিচার ডিসচার্জ করছে না, নির্যাতন করছে। এই মুহূর্তে দেশে প্রায় ৪৭ লাখ মামলার ব্যাকলগ (জট) রয়েছে। অথচ প্রতিবেশী দেশ নেপালে কোনো ব্যাকলগ নেই।
২৯ মিনিট আগে
রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মহাখালীর ১০০ শয্যার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে জাকিয়া হোসেনের মতো শত শত অভিভাবক হামে আক্রান্ত সন্তান নিয়ে লড়াই করছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) সরেজমিন হাসপাতালের ষষ্ঠতলার ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ২৯ শয্যার বিপরীতে অর্ধশতাধিক শিশুকে চিকিৎসাধীন পাওয়া যায়।
১ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মালবাহী ট্রাক ঘোড়াউত্রা নদীতে পড়ে গেছে। এতে ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে আপন (৩৫) নামে স্থানীয় এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার পাটুলী ফেরিঘাটে এ ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে