স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে সাবমেরিন ক্যাবল ব্যবস্থা ও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি নিয়ে প্রকাশিত খবরকে ভিত্তিহীন দাবি করেছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)।
মঙ্গলবার (১২ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্যান্ডউইডথ সরবরাহ নিয়ে ছড়ানো ভুল তথ্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিএসসিপিএলসি বলছে, বর্তমানে কোনো ব্যান্ডউইডথ বা ইন্টারনেট ঘাটতি নেই এবং ভূ-রাজনৈতিক সংকটের কারণে দেশে ইন্টারনেট ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি নেই।
সংস্থাটির দাবি , ‘হুতি বিদ্রোহী বা ইরানের আঘাতে বাংলাদেশ ডিজিটাল অন্ধকারে পড়তে পারে’—এমন প্রচার বাস্তবতা বিবর্জিত।
বিএসসিপিএলসি জানায়, বর্তমানে তাদের দুটি ক্যাবল সিস্টেমের (SEA-ME-WE-4 ও 5) সক্ষমতা ৭ হাজার ২০০ জিবিপিএস। এর মধ্যে ৪ হাজার ১০০ জিবিপিএস সরবরাহ হচ্ছে এবং আরও ৩ হাজার ১০০ জিবিপিএস সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে। মোট সক্ষমতার মাত্র ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ লোহিত সাগর হয়ে আসে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের কোনো সংযোগ নেই। ফলে এসব অঞ্চলের সংকটে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার সুযোগ নেই।
ক্যাবলের সক্ষমতা ও আয়ুষ্কাল নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে সংস্থাটি জানায়, SEA-ME-WE-5 ক্যাবলের সক্ষমতা এখনো ফুরিয়ে যায়নি; বর্তমানে এর ৭১২ জিবিপিএস সক্ষমতা অব্যবহৃত রয়েছে এবং ২০৩৭ সাল পর্যন্ত সচল থাকবে। একইভাবে SEA-ME-WE-4 ক্যাবলটি ২০৩০ সাল পর্যন্ত কার্যকর এবং এর পর্যাপ্ত ব্যান্ডউইডথ মজুত রয়েছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে বিএসসিপিএলসি জানায়, ২০২৭ সালের শুরুতে SEA-ME-WE-6 ক্যাবল চালু হলে দেশে আরও ৩০ হাজার জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ যুক্ত হবে। এর ফলে ২০২৭ সাল নাগাদ রাষ্ট্রীয় সাবমেরিন ক্যাবলগুলোর মোট সক্ষমতা দাঁড়াবে প্রায় ৩৮ হাজার জিবিপিএস।
বিজ্ঞপ্তিতে দেশের সব ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের বিভ্রান্তিকর খবরে প্রভাবিত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে সাবমেরিন ক্যাবল ব্যবস্থা ও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি নিয়ে প্রকাশিত খবরকে ভিত্তিহীন দাবি করেছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)।
মঙ্গলবার (১২ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্যান্ডউইডথ সরবরাহ নিয়ে ছড়ানো ভুল তথ্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিএসসিপিএলসি বলছে, বর্তমানে কোনো ব্যান্ডউইডথ বা ইন্টারনেট ঘাটতি নেই এবং ভূ-রাজনৈতিক সংকটের কারণে দেশে ইন্টারনেট ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি নেই।
সংস্থাটির দাবি , ‘হুতি বিদ্রোহী বা ইরানের আঘাতে বাংলাদেশ ডিজিটাল অন্ধকারে পড়তে পারে’—এমন প্রচার বাস্তবতা বিবর্জিত।
বিএসসিপিএলসি জানায়, বর্তমানে তাদের দুটি ক্যাবল সিস্টেমের (SEA-ME-WE-4 ও 5) সক্ষমতা ৭ হাজার ২০০ জিবিপিএস। এর মধ্যে ৪ হাজার ১০০ জিবিপিএস সরবরাহ হচ্ছে এবং আরও ৩ হাজার ১০০ জিবিপিএস সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে। মোট সক্ষমতার মাত্র ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ লোহিত সাগর হয়ে আসে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের কোনো সংযোগ নেই। ফলে এসব অঞ্চলের সংকটে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার সুযোগ নেই।
ক্যাবলের সক্ষমতা ও আয়ুষ্কাল নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে সংস্থাটি জানায়, SEA-ME-WE-5 ক্যাবলের সক্ষমতা এখনো ফুরিয়ে যায়নি; বর্তমানে এর ৭১২ জিবিপিএস সক্ষমতা অব্যবহৃত রয়েছে এবং ২০৩৭ সাল পর্যন্ত সচল থাকবে। একইভাবে SEA-ME-WE-4 ক্যাবলটি ২০৩০ সাল পর্যন্ত কার্যকর এবং এর পর্যাপ্ত ব্যান্ডউইডথ মজুত রয়েছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে বিএসসিপিএলসি জানায়, ২০২৭ সালের শুরুতে SEA-ME-WE-6 ক্যাবল চালু হলে দেশে আরও ৩০ হাজার জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ যুক্ত হবে। এর ফলে ২০২৭ সাল নাগাদ রাষ্ট্রীয় সাবমেরিন ক্যাবলগুলোর মোট সক্ষমতা দাঁড়াবে প্রায় ৩৮ হাজার জিবিপিএস।
বিজ্ঞপ্তিতে দেশের সব ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের বিভ্রান্তিকর খবরে প্রভাবিত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
.png)

রাজধানীর ভাটারা নতুন বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ তিনজনই মারা গেছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাতীয় বান ইনস্টিটিউটে গৃহবধূ ফাহিমা আক্তারের (২১) মৃত্যু হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের কাছে ছাতায় লুকিয়ে রাখা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) নিষ্ক্রিয় করার পরে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তাদের ভাষ্য, এটি সময় নিয়ন্ত্রিত। সেট করা সময়ের পরে বিস্ফোরণ ঘটতো। অতীতে উগ্রবাদী সংগঠনের আইইডির সঙ্গে এটির গঠনগত মিল রয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে এক ছাত্রকে (১২) বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক শাহজালাল হককে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগী ছাত্রের বাবা বাদী হয়ে আদিতমারী থানায় একটি মামলা করেন। আজ শনিবার ওই শিক্ষককে আদালতে সোপর্দ হলে তাঁকে কারাগারে পাঠান বিচারক।
১৩ ঘণ্টা আগে
মসজিদ, পাশেই ধানখেত। মসজিদের আঙিনায় জাতীয় পতাকার সঙ্গে উড়ছে বিএনপির পতাকা। সেখানেই খুপড়ি ঘরে বসবাস রাজীব শাহের। খোদ রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বুকে তিনি সাম্রাজ্য গড়ে নাম দিয়েছেন ‘নবাবপাড়া’।
১৪ ঘণ্টা আগে