স্ট্রিম প্রতিবেদক

জামায়াতের নারী সদস্যদের পোশাক নিয়ে বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। রবিবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। এ সময় তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে উভয়পক্ষের মধ্যে হট্টগোল তৈরি হয়।
এক পর্যায়ে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল হট্টগোলটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সংসদ সদস্যের বক্তব্য এক্সপাঞ্চ করা হচ্ছে বলে জানান। কিন্তু পরবর্তীতে এ বক্তব্য ধরে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম কথা বললে পুনরায় হট্টগোল তৈরি হয়। যা প্রায় ৫ মিনিট ধরে অব্যাহত থাকে।
সংসদে বাজেট নিয়ে কথা বলার সময় জামায়াতের দিকে ইঙ্গিত তুলে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, আমাদের হাউসে আমাদের বোনেরা আসছেন এমপি হইয়া। আপনি অভিনন্দন জানিয়েছেন, আমিও অভিনন্দন জানিয়েছি। সবাই মেধাবী। দুইজনের বক্তৃতা শুনছি, আগামী দিনে কিছু করতে পারবে। ভালো শিক্ষা আছে, লেখাপড়া জানা। কিন্তু বুঝলাম না তো আপনারা কারা? আপনারা এদিকে দেখতে পারেন, আমরা এদিকে দেখলে কি আছে এটা বুঝব না, এটা ঠিক না।’
সংসদ সদস্যের এই বক্তব্যের পরই হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা উঠে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন। এ সময় তাঁদেরকে থামিয়ে স্পিকার সংসদ সদস্যের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মাননীয় সদস্য, ব্যক্তিগত ফ্রিডম নিয়ে কথা বলা উচিত না। এটা ঠিক না। আপনি যে বক্তব্য দিয়েছেন পার্সোনাল ফ্রিডম নিয়ে, এই অংশটুকু এক্সপাঞ্চ করা হলো।’
স্পিকারের এই বক্তব্যের পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং সংসদ সদস্য বাজেট বিষয়ে তাঁর বক্তৃতা শেষ করে। পরবর্তী আধা ঘণ্টার বিরতি দিয়ে সংসদ মূলতবি ঘোষণা করে স্পিকার। কিন্তু বিরতির পর এ বিষয় নিয়ে আবারো কথা বলতে চায় নাহিদ ইসলাম। এর ফলে আবার উভয়পক্ষের মধ্যে হট্টগোল তৈরি হয়।
বিরতির পর স্পিকারের অনুমতি নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য বিভিন্ন সময় বক্তব্য দেন, আমরা মনোযোগ দিয়ে উনার কথা শুনি। উনার বক্তব্যে সূক্ষ্ম রসবোধ, ইতিহাস চেতনা—সবকিছুই আমরা গভীরভাবে মান্য। কিন্তু মাননীয় স্পিকার, আজকে উনি উনার বক্তব্যে যা বলেছেন তা আসলে সংসদীয় রীতিনীতি এবং আমাদের সাংবিধানিক অধিকার—সকল কিছুর সীমা অতিক্রম করে গিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, উনি উনার বক্তব্যে আমাদের নারী সংসদ সদস্যদের তাদের পোশাক নিয়ে যে ধরনের কথা বললেন, তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতাকে হরণ করার সম্পর্কিত যে ধরনের বক্তব্য দিলেন, আমরা মনে করি একটি অমার্জনীয় অপরাধ। প্রত্যেকটা ব্যক্তির গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে তার ধর্মীয় স্বাধীনতা রয়েছে, পোশাকের স্বাধীনতা রয়েছে। উনি একজন সংসদ সদস্য হিসেবে সেই স্বাধীনতাকে লঙ্ঘন করে এই ধরনের হীন বক্তব্য দিয়েছেন, উনার হীন মানসিকতার পরিচয় পাওয়া গেছে এবং আমরা মনে করি উনি উনার বক্তব্যে একটি বর্ণবাদী আচরণ মাননীয় স্পিকার বহিঃপ্রকাশ পেয়েছে উনার বক্তব্যের মাধ্যমে। ফলে আমরা আশা করব ভবিষ্যতে এই ধরনের বক্তব্য আমরা কোনো সংসদ সদস্যের কাছ থেকে যাতে মহান এই জাতীয় সংসদে আর উচ্চারিত না হয়।’
নাহিদ ইসলামের বক্তব্য শেষ হতেই তাঁর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘এই সংসদে আমার তিনবার আসার সুযোগ হয়েছে। আমরা পার্লামেন্টে অনেক কথাবার্তা পক্ষে-বিপক্ষে অনেক সময় হাসি ঠাট্টার আলোকেও কিন্তু অনেক কথা চলে আসে।’
তিনি আরো বলেন, ‘মনিরুল হক চৌধুরী এমন কোন কথা বলেন নাই যে স্পেসিফিক কাউকে আঘাত করে এবং ব্যক্তিগতভাবে এমন কোন কথা বলেছেন যেটার জন্য এখানে এক্সপাঞ্জ করার মত কোন কথা আসবে।’

জামায়াতের নারী সদস্যদের পোশাক নিয়ে বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। রবিবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। এ সময় তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে উভয়পক্ষের মধ্যে হট্টগোল তৈরি হয়।
এক পর্যায়ে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল হট্টগোলটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সংসদ সদস্যের বক্তব্য এক্সপাঞ্চ করা হচ্ছে বলে জানান। কিন্তু পরবর্তীতে এ বক্তব্য ধরে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম কথা বললে পুনরায় হট্টগোল তৈরি হয়। যা প্রায় ৫ মিনিট ধরে অব্যাহত থাকে।
সংসদে বাজেট নিয়ে কথা বলার সময় জামায়াতের দিকে ইঙ্গিত তুলে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, আমাদের হাউসে আমাদের বোনেরা আসছেন এমপি হইয়া। আপনি অভিনন্দন জানিয়েছেন, আমিও অভিনন্দন জানিয়েছি। সবাই মেধাবী। দুইজনের বক্তৃতা শুনছি, আগামী দিনে কিছু করতে পারবে। ভালো শিক্ষা আছে, লেখাপড়া জানা। কিন্তু বুঝলাম না তো আপনারা কারা? আপনারা এদিকে দেখতে পারেন, আমরা এদিকে দেখলে কি আছে এটা বুঝব না, এটা ঠিক না।’
সংসদ সদস্যের এই বক্তব্যের পরই হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা উঠে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন। এ সময় তাঁদেরকে থামিয়ে স্পিকার সংসদ সদস্যের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মাননীয় সদস্য, ব্যক্তিগত ফ্রিডম নিয়ে কথা বলা উচিত না। এটা ঠিক না। আপনি যে বক্তব্য দিয়েছেন পার্সোনাল ফ্রিডম নিয়ে, এই অংশটুকু এক্সপাঞ্চ করা হলো।’
স্পিকারের এই বক্তব্যের পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং সংসদ সদস্য বাজেট বিষয়ে তাঁর বক্তৃতা শেষ করে। পরবর্তী আধা ঘণ্টার বিরতি দিয়ে সংসদ মূলতবি ঘোষণা করে স্পিকার। কিন্তু বিরতির পর এ বিষয় নিয়ে আবারো কথা বলতে চায় নাহিদ ইসলাম। এর ফলে আবার উভয়পক্ষের মধ্যে হট্টগোল তৈরি হয়।
বিরতির পর স্পিকারের অনুমতি নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য বিভিন্ন সময় বক্তব্য দেন, আমরা মনোযোগ দিয়ে উনার কথা শুনি। উনার বক্তব্যে সূক্ষ্ম রসবোধ, ইতিহাস চেতনা—সবকিছুই আমরা গভীরভাবে মান্য। কিন্তু মাননীয় স্পিকার, আজকে উনি উনার বক্তব্যে যা বলেছেন তা আসলে সংসদীয় রীতিনীতি এবং আমাদের সাংবিধানিক অধিকার—সকল কিছুর সীমা অতিক্রম করে গিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, উনি উনার বক্তব্যে আমাদের নারী সংসদ সদস্যদের তাদের পোশাক নিয়ে যে ধরনের কথা বললেন, তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতাকে হরণ করার সম্পর্কিত যে ধরনের বক্তব্য দিলেন, আমরা মনে করি একটি অমার্জনীয় অপরাধ। প্রত্যেকটা ব্যক্তির গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে তার ধর্মীয় স্বাধীনতা রয়েছে, পোশাকের স্বাধীনতা রয়েছে। উনি একজন সংসদ সদস্য হিসেবে সেই স্বাধীনতাকে লঙ্ঘন করে এই ধরনের হীন বক্তব্য দিয়েছেন, উনার হীন মানসিকতার পরিচয় পাওয়া গেছে এবং আমরা মনে করি উনি উনার বক্তব্যে একটি বর্ণবাদী আচরণ মাননীয় স্পিকার বহিঃপ্রকাশ পেয়েছে উনার বক্তব্যের মাধ্যমে। ফলে আমরা আশা করব ভবিষ্যতে এই ধরনের বক্তব্য আমরা কোনো সংসদ সদস্যের কাছ থেকে যাতে মহান এই জাতীয় সংসদে আর উচ্চারিত না হয়।’
নাহিদ ইসলামের বক্তব্য শেষ হতেই তাঁর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘এই সংসদে আমার তিনবার আসার সুযোগ হয়েছে। আমরা পার্লামেন্টে অনেক কথাবার্তা পক্ষে-বিপক্ষে অনেক সময় হাসি ঠাট্টার আলোকেও কিন্তু অনেক কথা চলে আসে।’
তিনি আরো বলেন, ‘মনিরুল হক চৌধুরী এমন কোন কথা বলেন নাই যে স্পেসিফিক কাউকে আঘাত করে এবং ব্যক্তিগতভাবে এমন কোন কথা বলেছেন যেটার জন্য এখানে এক্সপাঞ্জ করার মত কোন কথা আসবে।’
.png)

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি শিশুদের প্রতি বছর অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর অনুরোধ করেছেন।
৯ মিনিট আগে
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বান্দরবানে পাহাড়ের কোনো মানুষ ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হবে না। একসঙ্গে বন্যায় যেসব ঘর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে গেছে, সেগুলো সরকারি উদ্যোগে পুনর্নির্মাণ করা হবে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মওলানা ভাসানী সেতুর সংযোগ সড়কের একাংশে গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতেই ধস দেখা দিয়েছে। যান চলাচল শুরুর বছর না গড়াতেই ৯০০ কোটি টাকার সেতুর সড়কে গর্ত তৈরি হওয়ায় নির্মাণকাজ ও মেয়াদ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। যার প্রভাবে সমুদ্র বিক্ষুব্ধ থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
৩ ঘণ্টা আগে