স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রথম আলো ভবনে দেওয়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রথমা প্রকাশনের বইয়ের দোকান ও অনলাইন স্টোরের বিপুল বইয়ের ভান্ডার। বৃহস্পতিবার রাতের আগুনে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ২৩ হাজার বই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এই হামলা ও অগ্নিকাণ্ডে সব মিলিয়ে ৯০ লাখ ৬০ হাজার টাকারও বেশি মূল্যের বই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
প্রথমা প্রকাশন সূত্রে জানা গেছে, আগুনে প্রথমা বইয়ের দোকানের মোট ৭ হাজার ৬৩৯টি বই পুড়ে গেছে। যার আর্থিক মূল্য ৩৫ লাখ ১৯ হাজার ৯২৬ টাকা। এর বাইরে ১ হাজার ৫০০ কপি ম্যাগাজিন ছিল, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।
দোকানের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনলাইনশপ ‘প্রথমা ডটকম’-এর মজুদও। সেখানে থাকা ১৫ হাজার ৩৫৪ কপি বই আগুনে নষ্ট হয়েছে, যার বাজারমূল্য ৫৫ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৭ টাকা।
সব মিলিয়ে আগুনে ২২ হাজার ৯৯৩ কপি বই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব বইয়ের মোট বাজারমূল্য ৯০ লাখ ৬০ হাজার ৪৯৩ টাকা।
আগুনে পুড়ে যাওয়া বইয়ের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান, ইতিহাস, অর্থনীতি, গল্প-উপন্যাস এবং দেশি-বিদেশি ও ম্যাগাজিন যেমন ছিল, তেমনি ছিল বিপুলসংখ্যক ধর্মীয় বই। পবিত্র কোরান শরীফের সরল বঙ্গানুবাদ, সিরাত ও হাদিসের বইগুলোও আগুনের গ্রাস থেকে রক্ষা পায়নি।
বইয়ের পাশাপাশি দোকানের বিক্রয়কর্মীর ব্যক্তিগত সম্পদও নষ্ট হয়েছে। বিক্রয়কর্মীর ব্যক্তিগত এবং সেলসের বা ক্যাশ বাক্সের প্রায় ১০-১২ হাজার টাকা পাওয়া যায়নি।
প্রথমা প্রকাশনের উপ-ব্যবস্থাপক কাউছার আহম্মেদ জানান, ‘দোকানের বিল ভাউচার বা নথিপত্রের কোনো কিছুই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ধ্বংসস্তূপ থেকে অল্প কিছু ছেঁড়া, আধপোড়া ও ভেজা বই পাওয়া গেছে, যা বিক্রয়যোগ্য নয়।’
বইয়ের দোকানে এমন হামলায় ক্ষোভ ও দুঃখপ্রকাশ করেছেন লেখক এবং পাঠকেরা। লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘লেখক, প্রকাশক ও পাঠকের ক্ষতি হলো। আর যাঁরা পুড়িয়েছেন, তাঁরা তো বই পড়েন না, তাই তাদের কিছু যায় আসে না।’

প্রথম আলো ভবনে দেওয়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রথমা প্রকাশনের বইয়ের দোকান ও অনলাইন স্টোরের বিপুল বইয়ের ভান্ডার। বৃহস্পতিবার রাতের আগুনে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ২৩ হাজার বই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এই হামলা ও অগ্নিকাণ্ডে সব মিলিয়ে ৯০ লাখ ৬০ হাজার টাকারও বেশি মূল্যের বই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
প্রথমা প্রকাশন সূত্রে জানা গেছে, আগুনে প্রথমা বইয়ের দোকানের মোট ৭ হাজার ৬৩৯টি বই পুড়ে গেছে। যার আর্থিক মূল্য ৩৫ লাখ ১৯ হাজার ৯২৬ টাকা। এর বাইরে ১ হাজার ৫০০ কপি ম্যাগাজিন ছিল, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।
দোকানের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনলাইনশপ ‘প্রথমা ডটকম’-এর মজুদও। সেখানে থাকা ১৫ হাজার ৩৫৪ কপি বই আগুনে নষ্ট হয়েছে, যার বাজারমূল্য ৫৫ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৭ টাকা।
সব মিলিয়ে আগুনে ২২ হাজার ৯৯৩ কপি বই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব বইয়ের মোট বাজারমূল্য ৯০ লাখ ৬০ হাজার ৪৯৩ টাকা।
আগুনে পুড়ে যাওয়া বইয়ের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান, ইতিহাস, অর্থনীতি, গল্প-উপন্যাস এবং দেশি-বিদেশি ও ম্যাগাজিন যেমন ছিল, তেমনি ছিল বিপুলসংখ্যক ধর্মীয় বই। পবিত্র কোরান শরীফের সরল বঙ্গানুবাদ, সিরাত ও হাদিসের বইগুলোও আগুনের গ্রাস থেকে রক্ষা পায়নি।
বইয়ের পাশাপাশি দোকানের বিক্রয়কর্মীর ব্যক্তিগত সম্পদও নষ্ট হয়েছে। বিক্রয়কর্মীর ব্যক্তিগত এবং সেলসের বা ক্যাশ বাক্সের প্রায় ১০-১২ হাজার টাকা পাওয়া যায়নি।
প্রথমা প্রকাশনের উপ-ব্যবস্থাপক কাউছার আহম্মেদ জানান, ‘দোকানের বিল ভাউচার বা নথিপত্রের কোনো কিছুই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ধ্বংসস্তূপ থেকে অল্প কিছু ছেঁড়া, আধপোড়া ও ভেজা বই পাওয়া গেছে, যা বিক্রয়যোগ্য নয়।’
বইয়ের দোকানে এমন হামলায় ক্ষোভ ও দুঃখপ্রকাশ করেছেন লেখক এবং পাঠকেরা। লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘লেখক, প্রকাশক ও পাঠকের ক্ষতি হলো। আর যাঁরা পুড়িয়েছেন, তাঁরা তো বই পড়েন না, তাই তাদের কিছু যায় আসে না।’

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) কার্যকর হবে ১ জুলাই থেকে। এরপর ধাপে ধাপে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। বিএনপি সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এসব প্রস্তাব রয়েছে।
১ মিনিট আগে
বাজেটের আকার বৃদ্ধির চেয়ে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ ও সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, খুব বড় বাজেট দিয়ে আবার যদি কোনো কারণে ২০-৩০ শতাংশ লোপাট হয়ে যায়, তাহলে তো কোনো লাভ নেই।
২২ মিনিট আগে
জামালপুরের বকশীগঞ্জের কামালপুর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে বৃদ্ধ ষষ্টি চন্দ্র বর্মনকে স্থানীয় বকশীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সীমান্তের ১০৮২ নম্বর পিলারের কাছ থেকে তাঁকে বাংলাদেশের ভেতর আনে বিজিবি।
১ ঘণ্টা আগে
সবার কাছে অর্থনীতির সুফল পৌঁছানোর বিষয়টি মাথায় রেখে এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, একটি সমাজকল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করাই এই বাজেটের লক্ষ্য।
২ ঘণ্টা আগে