স্ট্রিম প্রতিবেদক

নতুন বন্দোবস্ত ও শক্তির কথা বলা অন্তর্বর্তী সরকার একটি ক্ষুদ্র ও উগ্র গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ও অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে লেকশোর হোটেলে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬: আগামী সরকারের জন্য নাগরিক সুপারিশ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সিটিজেন প্লাটফর্ম ফর এসডিজি বাংলাদেশের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, পুরোনো বন্দোবস্তের সবচেয়ে বড় রক্ষক হলো আমলাতন্ত্র। এই আমলাতন্ত্রকে ফিরে আসার সবচেয়ে বড় সুযোগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকার যেই সংস্কারের কথা বলল, সেই সংস্কার কার্যকরে যে সক্ষমতা ও অংশীজনের অংশগ্রহণ দরকার সেটা তারা দেখাতে পারলেন না। শেষ পর্যন্ত তাঁরা নতুন শক্তির কথা বলে একটি ক্ষুদ্র ও উগ্র গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি হয়ে গেলেন।’
তিনি জানান, নতুন বন্দোবস্ত সৃষ্টির জন্য তারা সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন সংস্কারের উপর। তবে এই সংস্কারগুলো সবকিছুই ছিল উপরি কাঠামো। এজন্য তারা বলেছেন, শাসনতান্ত্রিক ভাষা আনতে হবে। গণতন্ত্রকে ঠিক করতে হলে সংবিধান পরিবর্তন করতে হবে অথবা আমলাতন্ত্রের যে আচরণ আছে সেগুলো বদলাতে হবে। কিন্তু তা হয়নি।
দেশে নতুন বন্দোবস্তের কথা যারা বলেছিলেন তাদের সমালোচনা করে এ গবেষক বলেন, ‘যারা নতুন বন্দোবস্তের কারিগর হতে চেয়েছিলেন তারা পুরোনো বন্দোবস্তের অংশ পেয়ে গেলেন। তাঁরা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ঢুকে গেলেন। ওই ব্যয়বহুল নির্বাচনের অংশ হয়ে গেলেন। তাঁরা মনে করলেন, আগামী দিনে হয়তো কিছুটা আগানো যাবে। এই সুযোগে যারা পুরোনো বন্দোবস্তের ধারক-বাহক ছিল তাদের কিন্তু আবার উত্থান হলো।’
নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়ে দেবপ্রিয় বলেন, ‘প্রশ্ন হচ্ছে তারা কি নিরপেক্ষভাবে নির্বাচনটাও করতে পারবেন? এই নতুন বন্দোবস্ত করার ক্ষেত্রে আমাদের যেই সব অভিজ্ঞতা হলো এগুলোকে আগামী দিনে কাজে লাগাতে হবে। শুধু উপরিকাঠামো পরিবর্তন করে নতুন বন্দোবস্ত করা যায় না। যে শক্তি এটার পক্ষের শক্তি তাকে সংগঠিত করতে হয়। তার জন্য নতুন রাজনীতি লাগে।’
দেশের গণমাধ্যমে কোনো সংস্কার হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মিডিয়া কমিশনের কোনো সিদ্ধান্তই বাস্তবায়ন হয়নি। মিডিয়া কমিশনের অন্যতম প্রস্তাব ছিল, মিডিয়া হাউসগুলো নিজেদের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। সে যদি তার নিজের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত না করে অন্যের কাছে আর্থিক স্বচ্ছতা চাওয়ার অধিকার তার সীমিত হয়ে যায়। এ ছাড়া মিডিয়ার যে সব পেশাজীবী সংগঠন আছে তারাও যথোপযুক্ত স্বাধীন ভূমিকা নিতে পারেন না। কারণ, তারা রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত ছিলেন। মিডিয়া যদি রাজনীতি করে, মিডিয়া যদি রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত থাকে অবশ্যই তাদের কণ্ঠস্বরের গ্রহণযোগ্যতা অনেক কমে যায়।’
আগামী সরকারের জন্য নাগরিক সুপারিশ তুলে ধরে দেবপ্রিয় বলেন, ‘আমাদের ইশতেহারে নীতি কাঠামোর কথা বলেছি এবং সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি দিয়ে সেগুলো বাস্তবায়নের পথনির্দেশিকা দিয়েছি। এই ইশতেহারে ভিন্নতা হলো, এটা বাস্তবায়নে কত খরচ হতে পারে সেটার একটা মূল্যায়ন করেছি এবং ওই টাকা সংস্থানের সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে বলে আমরা বিশ্বাস করি। সুশাসনের ভেতর দিয়ে এই সম্পদ সংগ্রহ এবং ব্যবহার করা সম্ভব বলে আমরা মনে করি।’

নতুন বন্দোবস্ত ও শক্তির কথা বলা অন্তর্বর্তী সরকার একটি ক্ষুদ্র ও উগ্র গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ও অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে লেকশোর হোটেলে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬: আগামী সরকারের জন্য নাগরিক সুপারিশ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সিটিজেন প্লাটফর্ম ফর এসডিজি বাংলাদেশের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, পুরোনো বন্দোবস্তের সবচেয়ে বড় রক্ষক হলো আমলাতন্ত্র। এই আমলাতন্ত্রকে ফিরে আসার সবচেয়ে বড় সুযোগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকার যেই সংস্কারের কথা বলল, সেই সংস্কার কার্যকরে যে সক্ষমতা ও অংশীজনের অংশগ্রহণ দরকার সেটা তারা দেখাতে পারলেন না। শেষ পর্যন্ত তাঁরা নতুন শক্তির কথা বলে একটি ক্ষুদ্র ও উগ্র গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি হয়ে গেলেন।’
তিনি জানান, নতুন বন্দোবস্ত সৃষ্টির জন্য তারা সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন সংস্কারের উপর। তবে এই সংস্কারগুলো সবকিছুই ছিল উপরি কাঠামো। এজন্য তারা বলেছেন, শাসনতান্ত্রিক ভাষা আনতে হবে। গণতন্ত্রকে ঠিক করতে হলে সংবিধান পরিবর্তন করতে হবে অথবা আমলাতন্ত্রের যে আচরণ আছে সেগুলো বদলাতে হবে। কিন্তু তা হয়নি।
দেশে নতুন বন্দোবস্তের কথা যারা বলেছিলেন তাদের সমালোচনা করে এ গবেষক বলেন, ‘যারা নতুন বন্দোবস্তের কারিগর হতে চেয়েছিলেন তারা পুরোনো বন্দোবস্তের অংশ পেয়ে গেলেন। তাঁরা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ঢুকে গেলেন। ওই ব্যয়বহুল নির্বাচনের অংশ হয়ে গেলেন। তাঁরা মনে করলেন, আগামী দিনে হয়তো কিছুটা আগানো যাবে। এই সুযোগে যারা পুরোনো বন্দোবস্তের ধারক-বাহক ছিল তাদের কিন্তু আবার উত্থান হলো।’
নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়ে দেবপ্রিয় বলেন, ‘প্রশ্ন হচ্ছে তারা কি নিরপেক্ষভাবে নির্বাচনটাও করতে পারবেন? এই নতুন বন্দোবস্ত করার ক্ষেত্রে আমাদের যেই সব অভিজ্ঞতা হলো এগুলোকে আগামী দিনে কাজে লাগাতে হবে। শুধু উপরিকাঠামো পরিবর্তন করে নতুন বন্দোবস্ত করা যায় না। যে শক্তি এটার পক্ষের শক্তি তাকে সংগঠিত করতে হয়। তার জন্য নতুন রাজনীতি লাগে।’
দেশের গণমাধ্যমে কোনো সংস্কার হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মিডিয়া কমিশনের কোনো সিদ্ধান্তই বাস্তবায়ন হয়নি। মিডিয়া কমিশনের অন্যতম প্রস্তাব ছিল, মিডিয়া হাউসগুলো নিজেদের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। সে যদি তার নিজের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত না করে অন্যের কাছে আর্থিক স্বচ্ছতা চাওয়ার অধিকার তার সীমিত হয়ে যায়। এ ছাড়া মিডিয়ার যে সব পেশাজীবী সংগঠন আছে তারাও যথোপযুক্ত স্বাধীন ভূমিকা নিতে পারেন না। কারণ, তারা রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত ছিলেন। মিডিয়া যদি রাজনীতি করে, মিডিয়া যদি রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত থাকে অবশ্যই তাদের কণ্ঠস্বরের গ্রহণযোগ্যতা অনেক কমে যায়।’
আগামী সরকারের জন্য নাগরিক সুপারিশ তুলে ধরে দেবপ্রিয় বলেন, ‘আমাদের ইশতেহারে নীতি কাঠামোর কথা বলেছি এবং সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি দিয়ে সেগুলো বাস্তবায়নের পথনির্দেশিকা দিয়েছি। এই ইশতেহারে ভিন্নতা হলো, এটা বাস্তবায়নে কত খরচ হতে পারে সেটার একটা মূল্যায়ন করেছি এবং ওই টাকা সংস্থানের সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে বলে আমরা বিশ্বাস করি। সুশাসনের ভেতর দিয়ে এই সম্পদ সংগ্রহ এবং ব্যবহার করা সম্ভব বলে আমরা মনে করি।’

বাংলাদেশকে বন্ধু বলতে পেরে যুক্তরাষ্ট্র গর্বিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দুই দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান ও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করেছি।’
৮ মিনিট আগে
বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ডা. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ। বাকি তিন প্রতিনিধি হলেন, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জসিম উদ্দিন সরকার।
৯ মিনিট আগে
হোস্টিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘হোস্টিং ডটকম’ বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল শেরাটনে এর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা (২০২৬-২০৫০) চূড়ান্ত করতে অন্তর্বর্তী সরকার তাড়াহুড়া করছে বলে অভিযোগ করেছে গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। নির্বাচনের মাত্র এক মাস আগে কার স্বার্থে ও কেন এ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার তোড়জোড়, সে প্রশ্নও তুলেছে সংস্থাটি।
২৯ মিনিট আগে