ফাবিহা বিনতে হক

ইউরোপের একেবারে উত্তরের অঞ্চলকে বলা হয় স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চল। এর মধ্যে রয়েছে সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্কের মতো দেশ। গ্রীষ্মকালে এসব দেশে দিনের দৈর্ঘ্য অনেক বেড়ে যায়। অনেক সময় রাত বলতে গেলে প্রায় থাকেই না। এই ঘটনাকে বলা হয় ‘মিডনাইট সান’ বা মধ্যরাতের সূর্য। এ কারণে ওই দেশগুলোর মুসলিম নাগরিকদের গ্রীষ্মকালে রোজা রাখতে হয় প্রায় ১৮ থেকে ২০ ঘণ্টা।
এমন ভৌগোলিক বাস্তবতায় দীর্ঘ সময় ধরে রোজা রাখাটা সেই অঞ্চলের মুসলিমদের জন্য শারীরিক ও মানসিক শক্তির এক চরম পরীক্ষা। কীভাবে রমজানের পবিত্র দিনগুলো কাটান তারা?
তিনটি উপায়
এই দীর্ঘ সময় রোজা রাখার ক্ষেত্রে ইসলামি স্কলাররা বেশ কিছু নমনীয় ফতোয়া দিয়েছেন, যা সেখানকার মুসলিমদের জন্য রোজা রাখাকে খানিকটা সহজ করেছে। সাধারণত তিনটি উপায়ের যেকোনো একটি অনুসরণ করে তাঁরা রোজা রাখেন।
প্রথমত, দিন যত বড়ই হোক না কেন, যাঁরা শারীরিকভাবে সক্ষম তাঁরা স্থানীয় সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় অনুযায়ীই রোজা রাখেন। দ্বিতীয়ত, যেসব অঞ্চলে সূর্য একেবারেই ডোবে না বা রাতের সময় একদমই থাকে না, সেখানকার মুসলিমরা পবিত্র মক্কা বা মদিনার সময়সূচি অনুসরণ করে সেহরি ও ইফতার করেন। তৃতীয় ফতোয়া হিসেবে স্কলাররা বলছেন, স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর মধ্যে ভৌগোলিক অবস্থানের সবচেয়ে কাছের যে দেশে দিন ও রাতের স্বাভাবিক পার্থক্য রয়েছে, সেই দেশের সময়সূচি অনুসরণ করে তাঁরা সেহরি ও ইফতার করেন। এই নমনীয়তার কারণে চরম প্রতিকূল পরিবেশেও তারা ধর্মীয় অনুশাসন পালন করতে পারেন।
পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয় যেভাবে
যারা পুরো ১৮-২০ ঘণ্টা রোজা রাখার মতো কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যান, তাঁদের শরীর কীভাবে এই পরিবর্তিত অবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নেয়, এমন প্রশ্ন মনে জাগতেই পারে। বিশেষ করে তাঁদের শরীরে পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয় কী করে?
মাত্র ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে সারা দিনের পুষ্টি ও পানির চাহিদা মেটানো মোটেও সহজ কাজ নয়। তাই স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মুসলিমদের ইফতার ও সেহরির খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে করতে হয়। এত অল্প সময়ে একসঙ্গে অনেক খাবার খেলে হজমে মারাত্মক গোলমাল দেখা দিতে পারে।
তাই সেখানকার মুসলিমরা ‘পেসড ইটিং’ বা ধাপে ধাপে খাওয়ার কৌশল বেছে নেন। ইফতারের শুরুতে তারা কেবল খেজুর ও পানি বা পানিসমৃদ্ধ ফল দিয়ে রোজা ভাঙেন। এরপর মাগরিবের নামাজ আদায় করে পাকস্থলীকে খাবার হজম করার জন্য কিছুটা সময় দেন।
একবারে অনেক না খেয়ে, ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত সময়টাতে তারা কিছুক্ষণ পর পর পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করেন। এতে করে শরীর ধীরে ধীরে পুষ্টি শোষণ করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পায় এবং পেট ফাঁপা বা বদহজমের ঝুঁকি থাকে না।
এ ছাড়া এত দীর্ঘ সময় শরীরে শক্তির জোগান দিতে অনেকেই সাধারণ শর্করা বা সিম্পল কার্বোহাইড্রেট এড়িয়ে চলেন। এর বদলে তাঁদের খাদ্যতালিকায় প্রাধান্য পায় ‘জটিল শর্করা’ বা লো-গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত খাবার। ওটস, লাল আটার রুটি, বার্লি বা লাল চালের ভাতের মতো খাবারগুলো পাকস্থলীতে ধীরে ধীরে হজম হয় এবং রক্তে একটু একটু করে দীর্ঘক্ষণ ধরে গ্লুকোজ বা শক্তি সরবরাহ করতে থাকে।
অল্প সময়ে বেশি ক্যালরি এবং পুষ্টি পেতে তাঁরা কিছু শক্তিবর্ধক বা ‘এনার্জি ডেন্স’ খাবারও বেছে নেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো ‘ওভারনাইট ওটস’। এর সঙ্গে চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড এবং নানা ধরনের বেরি বা ফল মিশিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি, তাঁরা স্ন্যাকস হিসেবে ‘এনার্জি বাইটস’ বা প্রোটিন বল খেতে বেশ পছন্দ করেন। খেজুর, পিনাট বাটার, ওটস, ডার্ক চকোলেট এবং আখরোট বা কাঠবাদামের মতো বিভিন্ন বাদাম একসঙ্গে ব্লেন্ড করে ছোট ছোট লাড্ডুর মতো তৈরি করা হয় এই খাবার।
টানা ২০ ঘণ্টা পানি না খেয়ে থাকার পর শুধু সাধারণ পানি পান করে শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখা সম্ভব নয়। তাই ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত এই অল্প সময়ের মধ্যে তাঁরা নিয়ম করে কিছুক্ষণ পরপর পানি পান করার পাশাপাশি ‘হাইড্রেটিং’ বা জলীয় অংশ বেশি আছে এমন খাবারগুলো বেছে নেন।
এ ছাড়া স্ক্যান্ডিনেভিয়ান মুসলমানরা ইফতার ও সেহরির মাঝখানের এই অল্প সময়ে বিশেষ ধরনের স্মুদি বা ব্লেন্ড করা পানীয় পান করেন। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো ‘ডেট অ্যান্ড বানানা স্মুদি’। খেজুর, কলা, কাঠবাদাম বা কাজুবাদাম, এক চিমটি দারুচিনি এবং দুধ বা ওট মিল্ক দিয়ে তৈরি এই স্মুদিটি শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তির জোগান দেয়।
খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি মানুষের শরীর নিজেও এই দীর্ঘ রোজার সাথে মানিয়ে নেয়। পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, প্রথম ২-৩ দিন ১৮-২০ ঘণ্টার রোজায় শরীর কিছুটা ক্লান্ত হলেও ধীরে ধীরে আমাদের মেটাবলিজম এই নতুন রুটিনের সঙ্গে পুরোপুরি অভ্যস্ত হয়ে যায়। যখন খাবার থেকে পাওয়া গ্লুকোজ শেষ হয়ে যায়, তখন শরীর তার সঞ্চিত চর্বি বা ফ্যাট পুড়িয়ে ‘কিটোন বডি’ উৎপাদনের মাধ্যমে শক্তির জোগান দিতে শুরু করে। দেহের এই চমৎকার মেকানিজমের কারণেই কয়েক দিন যাওয়ার পর রোজাদাররা আগের মতো আর তীব্র ক্ষুধা বা দুর্বলতা অনুভব করেন না।
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলে এই দীর্ঘ সময় রোজা পালনে সবচেয়ে বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে তাঁদের মানসিক শক্তি ও মহান আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস।

ইউরোপের একেবারে উত্তরের অঞ্চলকে বলা হয় স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চল। এর মধ্যে রয়েছে সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্কের মতো দেশ। গ্রীষ্মকালে এসব দেশে দিনের দৈর্ঘ্য অনেক বেড়ে যায়। অনেক সময় রাত বলতে গেলে প্রায় থাকেই না। এই ঘটনাকে বলা হয় ‘মিডনাইট সান’ বা মধ্যরাতের সূর্য। এ কারণে ওই দেশগুলোর মুসলিম নাগরিকদের গ্রীষ্মকালে রোজা রাখতে হয় প্রায় ১৮ থেকে ২০ ঘণ্টা।
এমন ভৌগোলিক বাস্তবতায় দীর্ঘ সময় ধরে রোজা রাখাটা সেই অঞ্চলের মুসলিমদের জন্য শারীরিক ও মানসিক শক্তির এক চরম পরীক্ষা। কীভাবে রমজানের পবিত্র দিনগুলো কাটান তারা?
তিনটি উপায়
এই দীর্ঘ সময় রোজা রাখার ক্ষেত্রে ইসলামি স্কলাররা বেশ কিছু নমনীয় ফতোয়া দিয়েছেন, যা সেখানকার মুসলিমদের জন্য রোজা রাখাকে খানিকটা সহজ করেছে। সাধারণত তিনটি উপায়ের যেকোনো একটি অনুসরণ করে তাঁরা রোজা রাখেন।
প্রথমত, দিন যত বড়ই হোক না কেন, যাঁরা শারীরিকভাবে সক্ষম তাঁরা স্থানীয় সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় অনুযায়ীই রোজা রাখেন। দ্বিতীয়ত, যেসব অঞ্চলে সূর্য একেবারেই ডোবে না বা রাতের সময় একদমই থাকে না, সেখানকার মুসলিমরা পবিত্র মক্কা বা মদিনার সময়সূচি অনুসরণ করে সেহরি ও ইফতার করেন। তৃতীয় ফতোয়া হিসেবে স্কলাররা বলছেন, স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর মধ্যে ভৌগোলিক অবস্থানের সবচেয়ে কাছের যে দেশে দিন ও রাতের স্বাভাবিক পার্থক্য রয়েছে, সেই দেশের সময়সূচি অনুসরণ করে তাঁরা সেহরি ও ইফতার করেন। এই নমনীয়তার কারণে চরম প্রতিকূল পরিবেশেও তারা ধর্মীয় অনুশাসন পালন করতে পারেন।
পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয় যেভাবে
যারা পুরো ১৮-২০ ঘণ্টা রোজা রাখার মতো কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যান, তাঁদের শরীর কীভাবে এই পরিবর্তিত অবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নেয়, এমন প্রশ্ন মনে জাগতেই পারে। বিশেষ করে তাঁদের শরীরে পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয় কী করে?
মাত্র ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে সারা দিনের পুষ্টি ও পানির চাহিদা মেটানো মোটেও সহজ কাজ নয়। তাই স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মুসলিমদের ইফতার ও সেহরির খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে করতে হয়। এত অল্প সময়ে একসঙ্গে অনেক খাবার খেলে হজমে মারাত্মক গোলমাল দেখা দিতে পারে।
তাই সেখানকার মুসলিমরা ‘পেসড ইটিং’ বা ধাপে ধাপে খাওয়ার কৌশল বেছে নেন। ইফতারের শুরুতে তারা কেবল খেজুর ও পানি বা পানিসমৃদ্ধ ফল দিয়ে রোজা ভাঙেন। এরপর মাগরিবের নামাজ আদায় করে পাকস্থলীকে খাবার হজম করার জন্য কিছুটা সময় দেন।
একবারে অনেক না খেয়ে, ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত সময়টাতে তারা কিছুক্ষণ পর পর পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করেন। এতে করে শরীর ধীরে ধীরে পুষ্টি শোষণ করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পায় এবং পেট ফাঁপা বা বদহজমের ঝুঁকি থাকে না।
এ ছাড়া এত দীর্ঘ সময় শরীরে শক্তির জোগান দিতে অনেকেই সাধারণ শর্করা বা সিম্পল কার্বোহাইড্রেট এড়িয়ে চলেন। এর বদলে তাঁদের খাদ্যতালিকায় প্রাধান্য পায় ‘জটিল শর্করা’ বা লো-গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত খাবার। ওটস, লাল আটার রুটি, বার্লি বা লাল চালের ভাতের মতো খাবারগুলো পাকস্থলীতে ধীরে ধীরে হজম হয় এবং রক্তে একটু একটু করে দীর্ঘক্ষণ ধরে গ্লুকোজ বা শক্তি সরবরাহ করতে থাকে।
অল্প সময়ে বেশি ক্যালরি এবং পুষ্টি পেতে তাঁরা কিছু শক্তিবর্ধক বা ‘এনার্জি ডেন্স’ খাবারও বেছে নেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো ‘ওভারনাইট ওটস’। এর সঙ্গে চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড এবং নানা ধরনের বেরি বা ফল মিশিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি, তাঁরা স্ন্যাকস হিসেবে ‘এনার্জি বাইটস’ বা প্রোটিন বল খেতে বেশ পছন্দ করেন। খেজুর, পিনাট বাটার, ওটস, ডার্ক চকোলেট এবং আখরোট বা কাঠবাদামের মতো বিভিন্ন বাদাম একসঙ্গে ব্লেন্ড করে ছোট ছোট লাড্ডুর মতো তৈরি করা হয় এই খাবার।
টানা ২০ ঘণ্টা পানি না খেয়ে থাকার পর শুধু সাধারণ পানি পান করে শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখা সম্ভব নয়। তাই ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত এই অল্প সময়ের মধ্যে তাঁরা নিয়ম করে কিছুক্ষণ পরপর পানি পান করার পাশাপাশি ‘হাইড্রেটিং’ বা জলীয় অংশ বেশি আছে এমন খাবারগুলো বেছে নেন।
এ ছাড়া স্ক্যান্ডিনেভিয়ান মুসলমানরা ইফতার ও সেহরির মাঝখানের এই অল্প সময়ে বিশেষ ধরনের স্মুদি বা ব্লেন্ড করা পানীয় পান করেন। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো ‘ডেট অ্যান্ড বানানা স্মুদি’। খেজুর, কলা, কাঠবাদাম বা কাজুবাদাম, এক চিমটি দারুচিনি এবং দুধ বা ওট মিল্ক দিয়ে তৈরি এই স্মুদিটি শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তির জোগান দেয়।
খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি মানুষের শরীর নিজেও এই দীর্ঘ রোজার সাথে মানিয়ে নেয়। পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, প্রথম ২-৩ দিন ১৮-২০ ঘণ্টার রোজায় শরীর কিছুটা ক্লান্ত হলেও ধীরে ধীরে আমাদের মেটাবলিজম এই নতুন রুটিনের সঙ্গে পুরোপুরি অভ্যস্ত হয়ে যায়। যখন খাবার থেকে পাওয়া গ্লুকোজ শেষ হয়ে যায়, তখন শরীর তার সঞ্চিত চর্বি বা ফ্যাট পুড়িয়ে ‘কিটোন বডি’ উৎপাদনের মাধ্যমে শক্তির জোগান দিতে শুরু করে। দেহের এই চমৎকার মেকানিজমের কারণেই কয়েক দিন যাওয়ার পর রোজাদাররা আগের মতো আর তীব্র ক্ষুধা বা দুর্বলতা অনুভব করেন না।
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলে এই দীর্ঘ সময় রোজা পালনে সবচেয়ে বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে তাঁদের মানসিক শক্তি ও মহান আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস।

কেনিয়ার প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক শহর হলো নাকুরু। রাজধানী নাইরোবি থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হলো সাতসকালে। তখন ভোরের প্রথম আলো শহরের কংক্রিটের ভবনগুলোতে সোনালি আভা ছড়িয়ে দিচ্ছিল। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় চোখে পড়ল গ্রামীণ জীবনের চমৎকার সব দৃশ্য। কেউ গরুর চামড়া মাথায় নিয়ে বাজারে যাচ্ছে, কারও হাতে সবজিভর্তি ব
১২ ঘণ্টা আগে
ভারতের আলোকচিত্রকলার অন্যতম পথিকৃৎ এবং লেন্সের জাদুকর রঘু রাই আর নেই। গত দুই বছর ধরে তিনি প্রোস্টেট এবং পাকস্থলীর ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি ক্যানসার তাঁর মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়ে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে পর্যন্তও তিনি তাঁর প
১৪ ঘণ্টা আগে
আমাদের রান্নাঘরের অনেক জিনিসই প্লাস্টিকের তৈরি। তাই সহজেই এগুলো খাবারে মিশে যেতে পারে। তবে আমরা চাইলেই খাবারে প্লাস্টিকের উপস্থিতি কমানো সম্ভব। রান্নাঘরে কিছু ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারি।
১৮ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় মেলবোর্ন শহর থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরে ‘ফিলিপ আইল্যান্ড’ নামের এক অপূর্ব নৈসর্গিক জায়গায় আমরা এসেছি পেঙ্গুইনের খোঁজে! জি হ্যাঁ, পেঙ্গুইন! পেঙ্গুইন মানেই তো সেই কোট পরা ‘ভদ্রলোক’ পাখি! এর নাম শুনলেই আমাদের চোখে ভাসে, বরফ মহাদেশে হেঁটে যাচ্ছে গুটি গুটি পায়ে।
২ দিন আগে