তৌফিক হাসান

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জামানত হারিয়েছেন এক হাজার ৩৬৫ প্রার্থী। ৫০ হাজার টাকা জামানত হিসাবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কোষাগারে ঢুকেছে ৬ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আরপিও অনুযায়ী, আসনে কাস্ট ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশ উৎরে গেছেন বিএনপির সব প্রার্থী। জামায়াতে ইসলামী তিন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের আট প্রার্থীর জন্য দিয়েছেন সাড়ে ৫ লাখ টাকা। তবে প্রার্থীদের ভরাডুবিতে সবচেয়ে বেশি গচ্চা গেছে চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ২৪৮ প্রার্থী বাবদ ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা।
ইসি প্রকাশিত নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ঢাকা জেলার ২০টি আসনে, ১৫৭ প্রার্থীর জামানত বাবদ পেয়েছে ৭৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সবচেয়ে কম জামানত বাজেয়াপ্ত চুয়াডাঙ্গা ও বান্দরবানে। দুই জেলার তিনটি আসনে দুজন করে প্রার্থী থেকে ইসির কোষাগারে জমা হয়েছে দুই লাখ টাকা।
এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৫, কুমিল্লায় ৫৯, চাঁদপুরে ২৫, ফেনীতে ২০, নোয়াখালীতে ৩৫, লক্ষ্মীপুরে ২০, মেহেরপুরে ৩, কুষ্টিয়ায় ১৭, ঝিনাইদহে ১২, যশোরে ২৪, মাগুরায় ৭, নড়াইলে ১১, বাগেরহাটে ১৪, খুলনায় ২৬, সাতক্ষীরায় ১১, চট্টগ্রামে ৭৭, কক্সবাজারে ১০, খাগড়াছড়িতে ৭, রাঙামাটিতে ৬, বান্দরবানে ২, পঞ্চগড়ে ১১, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪, দিনাজপুরে ২৭, নীলফামারীতে ১৮, লালমনিরহাটে ১৬, রংপুরে ৩১, কুড়িগ্রামে ১৮, গাইবান্ধায় ২৮, বরগুনায় ১১, পটুয়াখালীতে ২০, ভোলায় ২১, বরিশালে ২১, ঝালকাঠিতে ১৪, পিরোজপুরে ৮, টাঙ্গাইলে ২৭, জামালপুরে ২৪, শেরপুরে ৫, ময়মনসিংহে ৩৭, নেত্রকোনায় ১৩, কিশোরগঞ্জে ৩৪, রাজবাড়ীতে ৮, ফরিদপুরে ১৯, গোপালগঞ্জে ২০, মাদারীপুরে ১৭, শরীয়তপুরে ১৫, মানিকগঞ্জে ১৩, মুন্সীগঞ্জে ১২, গাজীপুরে ৩২, নরসিংদীতে ২৯, নারায়ণগঞ্জে ৩৬, জয়পুরহাটে ৪, বগুড়ায় ২০, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০, নওগাঁয় ২০, রাজশাহীতে ২০, নাটোরে ১৮, সিরাজগঞ্জে ২৭, পাবনায় ১৮, সুনামগঞ্জে ১২, সিলেটে ২০, মৌলভীবাজারে ১৪ ও হবিগঞ্জে ১৬ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।
বেশি অর্থ গচ্চা চরমোনাই পীর ও জাপার
দুটি জেলা বাদে ২৫৮ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন। তাদের ২৪৮ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ায় ইসির কোষাগারে জমা হয়েছে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা। লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) ১৯০, বাইসাইকেল প্রতীকে জাতীয় পার্টির (জেপি) ১৩ ও কাঁঠাল প্রতীকে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির ছয় প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই তিন দল থেকে ইসি পেয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ টাকা।
জামায়াত-এনসিপি দিল সাড়ে ৫ লাখ টাকা
জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট সঙ্গী এনসিপির কাছ থেকে জামানত বাবদ সাড়ে ৫ লাখ টাকা পেয়েছে ইসি। এর মধ্যে এনসিপির ৮ ও জামায়াতের ৩ প্রার্থীর জামানত হারিয়েছে।
গণসংহতি-গণঅধিকারের গচ্চা ৫৪ লাখ টাকা
ভোটে জিতে বিএনপির মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তবে এই দুই দল থেকে ইসির কোষাগারে যুক্ত হয়েছে ৫৪ লাখ টাকা। কারণ গণঅধিকারের ৯২ ও গণসংহতির ১৬ জন জামানত হারিয়েছেন।
বাম দলগুলো থেকে পেল ৯০ লাখ টাকা
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাংলাদেশ জাসদ) ও বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টির কাছ থেকে ৯০ লাখ টাকা পেয়েছে ইসি। সিপিবির ৬৩, জেএসডির ২৮, বাসদের ৩৬, বাসদ মার্কসবাদীর ৩৩ ও বাংলাদেশ জাসদের ১৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
স্বতন্ত্র ও ছোট দল থেকে পেয়েছে ২ কোটি টাকা
ছোট ১৮টি দল ছাড়াও ২১৭ স্বতন্ত্র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এখান থেকে ইসি পেয়েছে ২ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যার মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের রয়েছে ১ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
এবার নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৫০টির মধ্যে ১২টি ইসলামী দলের প্রার্থীরা জামানত হারিয়েছেন। ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামী ছাড়া বাকি দল হলো– ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ (২০), খেলাফত মজলিস (১৫), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন (৯), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (৯), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (১৭), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট (১৯), ইসলামী ঐক্যজোট (২), জাকের পার্টি (৫), বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি (২) ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি-বিএসপি (১৮)।
এই ১০ দলের ১১৬ প্রার্থীর জামানত থেকে ইসি পেয়েছে ৫৮ লাখ টাকা। এর বাইরে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি), বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ), গণতন্ত্রী পার্টি ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) মাত্র একজন করে জামানত হারিয়েছেন। এসব দল থেকে ইসির আয় আড়াই লাখ টাকা।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জামানত হারিয়েছেন এক হাজার ৩৬৫ প্রার্থী। ৫০ হাজার টাকা জামানত হিসাবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কোষাগারে ঢুকেছে ৬ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আরপিও অনুযায়ী, আসনে কাস্ট ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশ উৎরে গেছেন বিএনপির সব প্রার্থী। জামায়াতে ইসলামী তিন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের আট প্রার্থীর জন্য দিয়েছেন সাড়ে ৫ লাখ টাকা। তবে প্রার্থীদের ভরাডুবিতে সবচেয়ে বেশি গচ্চা গেছে চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ২৪৮ প্রার্থী বাবদ ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা।
ইসি প্রকাশিত নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ঢাকা জেলার ২০টি আসনে, ১৫৭ প্রার্থীর জামানত বাবদ পেয়েছে ৭৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সবচেয়ে কম জামানত বাজেয়াপ্ত চুয়াডাঙ্গা ও বান্দরবানে। দুই জেলার তিনটি আসনে দুজন করে প্রার্থী থেকে ইসির কোষাগারে জমা হয়েছে দুই লাখ টাকা।
এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৫, কুমিল্লায় ৫৯, চাঁদপুরে ২৫, ফেনীতে ২০, নোয়াখালীতে ৩৫, লক্ষ্মীপুরে ২০, মেহেরপুরে ৩, কুষ্টিয়ায় ১৭, ঝিনাইদহে ১২, যশোরে ২৪, মাগুরায় ৭, নড়াইলে ১১, বাগেরহাটে ১৪, খুলনায় ২৬, সাতক্ষীরায় ১১, চট্টগ্রামে ৭৭, কক্সবাজারে ১০, খাগড়াছড়িতে ৭, রাঙামাটিতে ৬, বান্দরবানে ২, পঞ্চগড়ে ১১, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪, দিনাজপুরে ২৭, নীলফামারীতে ১৮, লালমনিরহাটে ১৬, রংপুরে ৩১, কুড়িগ্রামে ১৮, গাইবান্ধায় ২৮, বরগুনায় ১১, পটুয়াখালীতে ২০, ভোলায় ২১, বরিশালে ২১, ঝালকাঠিতে ১৪, পিরোজপুরে ৮, টাঙ্গাইলে ২৭, জামালপুরে ২৪, শেরপুরে ৫, ময়মনসিংহে ৩৭, নেত্রকোনায় ১৩, কিশোরগঞ্জে ৩৪, রাজবাড়ীতে ৮, ফরিদপুরে ১৯, গোপালগঞ্জে ২০, মাদারীপুরে ১৭, শরীয়তপুরে ১৫, মানিকগঞ্জে ১৩, মুন্সীগঞ্জে ১২, গাজীপুরে ৩২, নরসিংদীতে ২৯, নারায়ণগঞ্জে ৩৬, জয়পুরহাটে ৪, বগুড়ায় ২০, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০, নওগাঁয় ২০, রাজশাহীতে ২০, নাটোরে ১৮, সিরাজগঞ্জে ২৭, পাবনায় ১৮, সুনামগঞ্জে ১২, সিলেটে ২০, মৌলভীবাজারে ১৪ ও হবিগঞ্জে ১৬ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।
বেশি অর্থ গচ্চা চরমোনাই পীর ও জাপার
দুটি জেলা বাদে ২৫৮ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন। তাদের ২৪৮ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ায় ইসির কোষাগারে জমা হয়েছে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা। লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) ১৯০, বাইসাইকেল প্রতীকে জাতীয় পার্টির (জেপি) ১৩ ও কাঁঠাল প্রতীকে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির ছয় প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই তিন দল থেকে ইসি পেয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ টাকা।
জামায়াত-এনসিপি দিল সাড়ে ৫ লাখ টাকা
জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট সঙ্গী এনসিপির কাছ থেকে জামানত বাবদ সাড়ে ৫ লাখ টাকা পেয়েছে ইসি। এর মধ্যে এনসিপির ৮ ও জামায়াতের ৩ প্রার্থীর জামানত হারিয়েছে।
গণসংহতি-গণঅধিকারের গচ্চা ৫৪ লাখ টাকা
ভোটে জিতে বিএনপির মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তবে এই দুই দল থেকে ইসির কোষাগারে যুক্ত হয়েছে ৫৪ লাখ টাকা। কারণ গণঅধিকারের ৯২ ও গণসংহতির ১৬ জন জামানত হারিয়েছেন।
বাম দলগুলো থেকে পেল ৯০ লাখ টাকা
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাংলাদেশ জাসদ) ও বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টির কাছ থেকে ৯০ লাখ টাকা পেয়েছে ইসি। সিপিবির ৬৩, জেএসডির ২৮, বাসদের ৩৬, বাসদ মার্কসবাদীর ৩৩ ও বাংলাদেশ জাসদের ১৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
স্বতন্ত্র ও ছোট দল থেকে পেয়েছে ২ কোটি টাকা
ছোট ১৮টি দল ছাড়াও ২১৭ স্বতন্ত্র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এখান থেকে ইসি পেয়েছে ২ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যার মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের রয়েছে ১ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
এবার নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৫০টির মধ্যে ১২টি ইসলামী দলের প্রার্থীরা জামানত হারিয়েছেন। ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামী ছাড়া বাকি দল হলো– ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ (২০), খেলাফত মজলিস (১৫), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন (৯), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (৯), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (১৭), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট (১৯), ইসলামী ঐক্যজোট (২), জাকের পার্টি (৫), বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি (২) ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি-বিএসপি (১৮)।
এই ১০ দলের ১১৬ প্রার্থীর জামানত থেকে ইসি পেয়েছে ৫৮ লাখ টাকা। এর বাইরে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি), বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ), গণতন্ত্রী পার্টি ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) মাত্র একজন করে জামানত হারিয়েছেন। এসব দল থেকে ইসির আয় আড়াই লাখ টাকা।
.png)

সাতক্ষীরার তালায় চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে নিয়ে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে দুই যুবক ও তাদের সহযোগী এক নারীর বিরুদ্ধে তালা থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী।
৩ মিনিট আগে-9002dc.jpeg)
সংসারের অভাব দূর করার লক্ষ্যে সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে চাকরি নিয়েছিলেন গাইবান্ধার রানা মিয়া (২৩) ও খোকন মিয়া (২৬)। কিন্তু শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে গ্যাস বিষক্রিয়ার ঘটনায় প্রাণ হারান তারা। দুজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হয়ে গেল দুটি পরিবারের স্বচ্ছলতায় ফেরার আশা।
২০ মিনিট আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ১৫ আগস্ট উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। ভোজে গরুর নাম ‘বাকশাল’ রেখে জবাই করা হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের নেতৃত্বে হওয়া এ আয়োজন ঘিরে সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জের নিউ চাষাড়ায় মাদক কারবারিদের ধরতে অভিযানে গিয়ে গুলি ও ইট-পাটকেল হামলার শিকার হয়েছে পুলিশ। এতে পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চিহ্নিত মাদক কারবারি জসিম ও তাঁর সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে নগরীর ফতুল্লা থানার নিউ চাষাঢ়া ইসদাইর রেলল
১ ঘণ্টা আগে