স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর রমনায় ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলাকালে সংবাদ সংগ্রহের সময় কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ অবশ্য বলছে, এই ব্যাপারে তাদের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি।
আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় অন্তত ৬ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন—দৈনিক কলের কণ্ঠের রায়হান, দৈনিক যুগান্তরের আবু সালেহ মুসা, আরটিএনএন’র আবু বকর সিদ্দিক ও আবু বকর সিদ্দিক, বর্ণজয় নিউজের সাব্বির আহমেদ ও মাইটিভির মো. জাকিরুল ইসলাম। আহতরা মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার। এছাড়া জাকিরুল মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি।
হামলার শিকার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে চড়াও হয় পুলিশ। এ সময় লাটিচার্জ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এছাড়া, যাত্রীবাহী বাস থেকে যাত্রী নামিয়ে ও ভিডিও করতে থাকা পথচারীদের পেটানোর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়। এসব ঘটনার প্রতিবাদ করলে সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয় পুলিশ।
আরটিএনএন’র মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আবু বকর অভিযোগ করে স্ট্রিমকে বলেন, ‘ছাত্রজনতাকে সরিয়ে দিতে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। এক পর্যায়ে বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে পেটানো শুরু করে। আমি তখন কাজ করছিলাম। আমার বুম, ক্যামেরা ছিল। বাস থেকে যাত্রী নামিয়ে পেটানো শুরু করলে আমি প্রতিবাদ জানাই। পরে কয়েকজন পুলিশ আমাকে টেনে নিয়ে গিয়ে পিটিয়েছে৷'
মাইটিভির সাংবাদিক ও মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি মো. জাকিরুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা কাজ করছিলাম। পুলিশ অনৈতিকভাবে আমাদের ওপর হামলা করেছে। আমরা এই হামলার বিচার চাই।’
আরটিএনএন’র আবু বকর সিদ্দিক স্ট্রিমকে বলেন, ‘পুলিশ ছাত্রজনতার ওপর চড়াও হলে সাধারণ পথচারী ও দোকানিরা ভিডিও করছিলেন। এসময় পুলিশ ওই সাধারণ মানুষের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে। আমি তখন পুলিশের কাছে জানতে চাই, এটা আইনিভাবে বৈধ কিনা? তারপর পুলিশ আমার ওপর চড়াও হয়। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে। পুলিশের লাঠির আঘাতেতে আমার ফোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
এই ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার (মিডিয়া) তালেবুর রহমান রাত সোয়া ৭টার দিকে স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা এ ব্যাপারে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি।’
এর আগে, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রবেশের চেষ্টাকালে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন।
প্রসঙ্গত, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার ও জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের দাবিতে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে যমুনা ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থান নেয় ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। টানা অবস্থানের পর আজ বিকেল ৪টার দিকে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনা অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন তাঁরা। এরপর আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়।

রাজধানীর রমনায় ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলাকালে সংবাদ সংগ্রহের সময় কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ অবশ্য বলছে, এই ব্যাপারে তাদের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি।
আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় অন্তত ৬ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন—দৈনিক কলের কণ্ঠের রায়হান, দৈনিক যুগান্তরের আবু সালেহ মুসা, আরটিএনএন’র আবু বকর সিদ্দিক ও আবু বকর সিদ্দিক, বর্ণজয় নিউজের সাব্বির আহমেদ ও মাইটিভির মো. জাকিরুল ইসলাম। আহতরা মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার। এছাড়া জাকিরুল মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি।
হামলার শিকার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে চড়াও হয় পুলিশ। এ সময় লাটিচার্জ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এছাড়া, যাত্রীবাহী বাস থেকে যাত্রী নামিয়ে ও ভিডিও করতে থাকা পথচারীদের পেটানোর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়। এসব ঘটনার প্রতিবাদ করলে সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয় পুলিশ।
আরটিএনএন’র মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আবু বকর অভিযোগ করে স্ট্রিমকে বলেন, ‘ছাত্রজনতাকে সরিয়ে দিতে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। এক পর্যায়ে বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে পেটানো শুরু করে। আমি তখন কাজ করছিলাম। আমার বুম, ক্যামেরা ছিল। বাস থেকে যাত্রী নামিয়ে পেটানো শুরু করলে আমি প্রতিবাদ জানাই। পরে কয়েকজন পুলিশ আমাকে টেনে নিয়ে গিয়ে পিটিয়েছে৷'
মাইটিভির সাংবাদিক ও মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি মো. জাকিরুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা কাজ করছিলাম। পুলিশ অনৈতিকভাবে আমাদের ওপর হামলা করেছে। আমরা এই হামলার বিচার চাই।’
আরটিএনএন’র আবু বকর সিদ্দিক স্ট্রিমকে বলেন, ‘পুলিশ ছাত্রজনতার ওপর চড়াও হলে সাধারণ পথচারী ও দোকানিরা ভিডিও করছিলেন। এসময় পুলিশ ওই সাধারণ মানুষের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে। আমি তখন পুলিশের কাছে জানতে চাই, এটা আইনিভাবে বৈধ কিনা? তারপর পুলিশ আমার ওপর চড়াও হয়। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে। পুলিশের লাঠির আঘাতেতে আমার ফোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
এই ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার (মিডিয়া) তালেবুর রহমান রাত সোয়া ৭টার দিকে স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা এ ব্যাপারে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি।’
এর আগে, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রবেশের চেষ্টাকালে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন।
প্রসঙ্গত, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার ও জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের দাবিতে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে যমুনা ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থান নেয় ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। টানা অবস্থানের পর আজ বিকেল ৪টার দিকে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনা অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন তাঁরা। এরপর আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়।

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, যারা আমাদের ওপর হামলা করেছে, তারা যেকোনো মুহূর্তে যমুনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর আক্রমণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছি। কারণ হামলার সঙ্গে শেখ হাসিনার পুলিশ লীগের আক্রমণের পুরোপুরি মিলে যাচ্ছে।
১৩ মিনিট আগে
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ইনকিলাব মঞ্চের অনেক নেতাকর্মী চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, চিকিৎসা নিতে আসাদের মধ্যে কারও শরীরে গুলি লাগেনি।
৪২ মিনিট আগে
শাহবাগ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা আশেপাশের এলাকায় অবস্থান নেন। সেখান থেকে মাঝেমধ্যে সড়কে এসে পুলিশ লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইনকিলাব মঞ্চের চিকিৎসাধীন সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিকেলে গেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।
১ ঘণ্টা আগে