স্ট্রিম প্রতিবেদক

সশস্ত্রবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের জন্য ‘ওয়ান র্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন (ওআরওপি)’ নীতি প্রণয়ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বিএনপি। সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির ঘোষিত ইশতেহারে ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ অনুচ্ছেদে এই বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ইশতেহার ঘোষণা করে দলটি।
ইশতেহারে বলা হয়, এখন দেশের সামরিক বাহিনীর প্রায় ৯৭ শতাংশ সদস্য ৪০ থেকে ৪৫ বছর বয়সে অবসর নেন। ফলে, তাঁরা জীবনের দীর্ঘ একটি সময় আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটান। অবসরকালীন ভাতার পরিমাণ সময়ের সঙ্গে মূল্যহ্রাসের কারণে অপ্রতুল হয়ে পড়ে। এরসঙ্গে যুক্ত হয় নতুন বেতন স্কেলের সুবিধা। যা কেবল সাম্প্রতিক অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে পুরোনো অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের সঙ্গে নতুনদের চরম আর্থিক বৈষম্য তৈরি হয়।
বিএনপি বলছে, ওআরওপি নীতির মাধ্যমে একই পদে ও সমান মেয়াদে কর্মরত সামরিক বাহিনীর সব সদস্য সমান পেনশন সুবিধা পাবেন। অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের মধ্যে ন্যায়বিচার ও আর্থিক সমতা নিশ্চিত করাই এই নীতির মূল লক্ষ্য।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে ওআরওপি বাস্তবায়ন হলে এটি জাতির প্রতি সেনাসদস্যদের আজীবন সেবার এক ঐতিহাসিক স্বীকৃতি হিসেবে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এটি অবসরপ্রাপ্তদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সম্মান দুইই বৃদ্ধি করবে।
এর আগে, ২০১৪ সালে ভারত সরকার, তাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার (বিজেপির ইশতেহার) অনুযায়ী ওআরওপি কার্যকর করে।
তবে, বাংলাদেশে পূর্ণমাত্রায় ওআরওপি বাস্তবায়নের জন্য আনুমানিক ২ হাজার ৫০ কোটি টাকার অতিরিক্ত বাজেট প্রয়োজন হবে। নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়ে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করলে প্রতি বছর ৪৫০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নীতি বাস্তবায়ন সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সশস্ত্র বাহিনীকে একটি আধুনিক, ক্ষিপ্র, সদা প্রস্তুত ও শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বাত্মক উদ্যোগ নেবে বিএনপি। সশস্ত্র বাহিনীর স্বকীয় মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখে একে সব রাজনৈতিক বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা হবে।
জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যুগোপযোগী, স্বয়ংসম্পূর্ণ ও চতুর্মাত্রিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার মাধ্যমে বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধ সক্ষমতা (ক্রেডিবল ডিটারেন্স) নিশ্চিত করা হবে।
জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা, সশস্ত্র বাহিনীর বিরাজনীতিকরণ এবং পেশাদারিত্ব জোরদার করার জন্য বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য দলটি একটি জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন করবে। এই কৌশলের ভিত্তিতে সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে একটি সর্বাত্মক প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তিতে মাল্টি-ডোমেন যুদ্ধ সক্ষমতা, স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর শক্তিমত্তা এবং দেশীয় প্রযুক্তিতে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
যুগোপযোগী প্রতিরক্ষা নীতি ও ডকট্রিন
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ‘পিপলস ওয়ারফেয়ার ডকট্রিন’-এর আলোকে একটি আধুনিক প্রতিরক্ষা নীতি ও প্রতিরক্ষা ডকট্রিন প্রণয়ন করা হবে এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সকল নীতিমালার কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে।
শক্তিশালী বিমান বাহিনী
বিমান বাহিনীর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ‘জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ’ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে ফাস্ট ট্র্যাক প্রক্রিয়ায় কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
সমুদ্র নিরাপত্তা ও নৌবাহিনী: বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার অর্থনীতি এবং ভবিষ্যৎ সমুদ্রকেন্দ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা সচল রাখতে নৌ যোগাযোগপথ বা ‘সি লেন অব কমিউনিকেশন’ নিরাপদ রাখা নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা অর্জনে বিএনপি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে। আমাদের সমুদ্রসীমানা সুরক্ষিত করা হবে।
দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প
সশস্ত্র বাহিনীর চাহিদা পূরণে স্বনির্ভর ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলা হবে। গণতান্ত্রিক সমাজের উপযোগী সামরিক-বেসামরিক সম্পর্কের একটি সুষ্ঠু কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হবে। জাতীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা হবে।
সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিএনপি।
শূন্য সহনশীলতা ও জাতীয় ঐকমত্য: বিএনপি সরকার বাংলাদেশের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদী তৎপরতা বরদাস্ত করবে না এবং কোনো সন্ত্রাসবাদীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে না। জঙ্গিবাদ, উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যমত্য গড়ে তোলা হবে এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এসব অপশক্তিকে নির্মূল করা হবে।
সামাজিক ও প্রতিরোধমূলক কৌশল: জঙ্গিবাদ, উগ্রবাদ ও সন্ত্রাস দমনে দারিদ্র্য দূরীকরণ, বেকারত্ব হ্রাস এবং সামাজিক বৈষম্য কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী শান্তি ও সম্প্রীতির মূল্যবোধ জোরদার করা হবে এবং আন্তঃধর্মীয় সংলাপ উৎসাহিত করে সামাজিক সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা সুদৃঢ় করা হবে।

সশস্ত্রবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের জন্য ‘ওয়ান র্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন (ওআরওপি)’ নীতি প্রণয়ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বিএনপি। সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির ঘোষিত ইশতেহারে ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ অনুচ্ছেদে এই বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ইশতেহার ঘোষণা করে দলটি।
ইশতেহারে বলা হয়, এখন দেশের সামরিক বাহিনীর প্রায় ৯৭ শতাংশ সদস্য ৪০ থেকে ৪৫ বছর বয়সে অবসর নেন। ফলে, তাঁরা জীবনের দীর্ঘ একটি সময় আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটান। অবসরকালীন ভাতার পরিমাণ সময়ের সঙ্গে মূল্যহ্রাসের কারণে অপ্রতুল হয়ে পড়ে। এরসঙ্গে যুক্ত হয় নতুন বেতন স্কেলের সুবিধা। যা কেবল সাম্প্রতিক অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে পুরোনো অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের সঙ্গে নতুনদের চরম আর্থিক বৈষম্য তৈরি হয়।
বিএনপি বলছে, ওআরওপি নীতির মাধ্যমে একই পদে ও সমান মেয়াদে কর্মরত সামরিক বাহিনীর সব সদস্য সমান পেনশন সুবিধা পাবেন। অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের মধ্যে ন্যায়বিচার ও আর্থিক সমতা নিশ্চিত করাই এই নীতির মূল লক্ষ্য।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে ওআরওপি বাস্তবায়ন হলে এটি জাতির প্রতি সেনাসদস্যদের আজীবন সেবার এক ঐতিহাসিক স্বীকৃতি হিসেবে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এটি অবসরপ্রাপ্তদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সম্মান দুইই বৃদ্ধি করবে।
এর আগে, ২০১৪ সালে ভারত সরকার, তাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার (বিজেপির ইশতেহার) অনুযায়ী ওআরওপি কার্যকর করে।
তবে, বাংলাদেশে পূর্ণমাত্রায় ওআরওপি বাস্তবায়নের জন্য আনুমানিক ২ হাজার ৫০ কোটি টাকার অতিরিক্ত বাজেট প্রয়োজন হবে। নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়ে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করলে প্রতি বছর ৪৫০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নীতি বাস্তবায়ন সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সশস্ত্র বাহিনীকে একটি আধুনিক, ক্ষিপ্র, সদা প্রস্তুত ও শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বাত্মক উদ্যোগ নেবে বিএনপি। সশস্ত্র বাহিনীর স্বকীয় মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখে একে সব রাজনৈতিক বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা হবে।
জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যুগোপযোগী, স্বয়ংসম্পূর্ণ ও চতুর্মাত্রিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার মাধ্যমে বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধ সক্ষমতা (ক্রেডিবল ডিটারেন্স) নিশ্চিত করা হবে।
জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা, সশস্ত্র বাহিনীর বিরাজনীতিকরণ এবং পেশাদারিত্ব জোরদার করার জন্য বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য দলটি একটি জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন করবে। এই কৌশলের ভিত্তিতে সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে একটি সর্বাত্মক প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তিতে মাল্টি-ডোমেন যুদ্ধ সক্ষমতা, স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর শক্তিমত্তা এবং দেশীয় প্রযুক্তিতে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
যুগোপযোগী প্রতিরক্ষা নীতি ও ডকট্রিন
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ‘পিপলস ওয়ারফেয়ার ডকট্রিন’-এর আলোকে একটি আধুনিক প্রতিরক্ষা নীতি ও প্রতিরক্ষা ডকট্রিন প্রণয়ন করা হবে এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সকল নীতিমালার কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে।
শক্তিশালী বিমান বাহিনী
বিমান বাহিনীর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ‘জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ’ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে ফাস্ট ট্র্যাক প্রক্রিয়ায় কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
সমুদ্র নিরাপত্তা ও নৌবাহিনী: বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার অর্থনীতি এবং ভবিষ্যৎ সমুদ্রকেন্দ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা সচল রাখতে নৌ যোগাযোগপথ বা ‘সি লেন অব কমিউনিকেশন’ নিরাপদ রাখা নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা অর্জনে বিএনপি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে। আমাদের সমুদ্রসীমানা সুরক্ষিত করা হবে।
দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প
সশস্ত্র বাহিনীর চাহিদা পূরণে স্বনির্ভর ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলা হবে। গণতান্ত্রিক সমাজের উপযোগী সামরিক-বেসামরিক সম্পর্কের একটি সুষ্ঠু কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হবে। জাতীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা হবে।
সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিএনপি।
শূন্য সহনশীলতা ও জাতীয় ঐকমত্য: বিএনপি সরকার বাংলাদেশের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদী তৎপরতা বরদাস্ত করবে না এবং কোনো সন্ত্রাসবাদীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে না। জঙ্গিবাদ, উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যমত্য গড়ে তোলা হবে এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এসব অপশক্তিকে নির্মূল করা হবে।
সামাজিক ও প্রতিরোধমূলক কৌশল: জঙ্গিবাদ, উগ্রবাদ ও সন্ত্রাস দমনে দারিদ্র্য দূরীকরণ, বেকারত্ব হ্রাস এবং সামাজিক বৈষম্য কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী শান্তি ও সম্প্রীতির মূল্যবোধ জোরদার করা হবে এবং আন্তঃধর্মীয় সংলাপ উৎসাহিত করে সামাজিক সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা সুদৃঢ় করা হবে।

সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শুরু করেছে প্রথম কাউন্সিলের প্রস্তুতি। একই সঙ্গে দলের পরিসর বাড়ানোর চেষ্টাও চলছে। এজন্য দলটি বেরিয়ে যাওয়া নেতাকর্মীকে ফেরানোর পাশাপাশি বিএনপিসহ অন্য দলের ‘বঞ্চিতদেরও’ টানার চেষ্টা করছে।
১ দিন আগে
নুতন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই দেশের ৮ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পরিবর্তনকে অস্বাভাবিক ও উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। কোন যুক্তিতে এবং কী অপরাধের ভিত্তিতে আগের অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়োগ করা উপাচার্যদের অপসারণ করা হয়েছে সরকারের কাছে তা জানতে
১ দিন আগে