স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ইনকিলাব মঞ্চের অনেক নেতাকর্মী চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, চিকিৎসা নিতে আসাদের মধ্যে কারও শরীরে গুলি লাগেনি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন ঢামেক পরিচালক। তিনি বলেন, পুলিশের সঙ্গের সংঘর্ষের পরে অনেকেই ঢামেকে চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তবে আমরা গুলিবিদ্ধ কাউকে পাইনি।
আসাদুজ্জামান বলেন, অনেকের মাথা ফেটে গেছে, কারও পা কেটে গেছে। অনেকে টিয়ার গ্যাসের শেলের কারণে শ্বাসকষ্টে ভুগেছেন। সবাইকে সাধ্যমতো চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের টিকিট কাউন্টার সূত্র জানায়, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ৯৯ জন চিকিৎসা নিতে এসেছেন। সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কাউকে ভর্তি হতে হয়নি।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের জন্য শুক্রবারের মধ্যে চিঠি পাঠানোর দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে যমুনার সামনে অবস্থান নেন নেতাকর্মী। এরই ধারাবাহিকতায় আজ শুক্রবার বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে এগিয়ে যেতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ।
এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ার গ্যাসের শেল ছোড়ে। বেলা ৫টা পর্যন্ত বাংলামোটর এলাকায় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ইনকিলাব মঞ্চের অনেক নেতাকর্মী চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, চিকিৎসা নিতে আসাদের মধ্যে কারও শরীরে গুলি লাগেনি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন ঢামেক পরিচালক। তিনি বলেন, পুলিশের সঙ্গের সংঘর্ষের পরে অনেকেই ঢামেকে চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তবে আমরা গুলিবিদ্ধ কাউকে পাইনি।
আসাদুজ্জামান বলেন, অনেকের মাথা ফেটে গেছে, কারও পা কেটে গেছে। অনেকে টিয়ার গ্যাসের শেলের কারণে শ্বাসকষ্টে ভুগেছেন। সবাইকে সাধ্যমতো চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের টিকিট কাউন্টার সূত্র জানায়, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ৯৯ জন চিকিৎসা নিতে এসেছেন। সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কাউকে ভর্তি হতে হয়নি।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের জন্য শুক্রবারের মধ্যে চিঠি পাঠানোর দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে যমুনার সামনে অবস্থান নেন নেতাকর্মী। এরই ধারাবাহিকতায় আজ শুক্রবার বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে এগিয়ে যেতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ।
এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ার গ্যাসের শেল ছোড়ে। বেলা ৫টা পর্যন্ত বাংলামোটর এলাকায় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, যারা আমাদের ওপর হামলা করেছে, তারা যেকোনো মুহূর্তে যমুনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর আক্রমণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছি। কারণ হামলার সঙ্গে শেখ হাসিনার পুলিশ লীগের আক্রমণের পুরোপুরি মিলে যাচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
শাহবাগ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা আশেপাশের এলাকায় অবস্থান নেন। সেখান থেকে মাঝেমধ্যে সড়কে এসে পুলিশ লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইনকিলাব মঞ্চের চিকিৎসাধীন সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিকেলে গেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।
২ ঘণ্টা আগে
আন্দোলনরত ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তা বাহিনী আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার করেনি বলে দাবি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুকের পোস্টে এ দাবি করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে