স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইনকিলাব মঞ্চের চিকিৎসাধীন সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গেছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।
আজ বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের নেতৃত্বে ঢামেকে পৌঁছেন জামায়াত নেতারা।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের আহতদের প্রতি সহমর্মিতা ও সমবেদনা জানান। তাঁদের চিকিৎসার খোঁজ নেন এবং দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ ন্যক্কারজনক। বিশেষ করে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের ও রাকসুর জিএস আম্মারের আহত হওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনক। আমি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ী পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
ইতিমধ্যে জামায়াত ইনকিলাব মঞ্চের নেতাদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়ন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। আজ সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জাবেরের গুলিবিদ্ধ হওয়া এবং শতাধিক আন্দোলনকারীর আহত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে।
ওই বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাত্রারত নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়ন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ন্যায়বিচারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার। সেই অধিকারকে সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল, বুট ও গুলির মাধ্যমে দমন করার ঘটনা নিন্দনীয়।

ইনকিলাব মঞ্চের চিকিৎসাধীন সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গেছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।
আজ বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের নেতৃত্বে ঢামেকে পৌঁছেন জামায়াত নেতারা।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের আহতদের প্রতি সহমর্মিতা ও সমবেদনা জানান। তাঁদের চিকিৎসার খোঁজ নেন এবং দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ ন্যক্কারজনক। বিশেষ করে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের ও রাকসুর জিএস আম্মারের আহত হওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনক। আমি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ী পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
ইতিমধ্যে জামায়াত ইনকিলাব মঞ্চের নেতাদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়ন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। আজ সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জাবেরের গুলিবিদ্ধ হওয়া এবং শতাধিক আন্দোলনকারীর আহত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে।
ওই বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাত্রারত নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়ন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ন্যায়বিচারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার। সেই অধিকারকে সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল, বুট ও গুলির মাধ্যমে দমন করার ঘটনা নিন্দনীয়।

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, যারা আমাদের ওপর হামলা করেছে, তারা যেকোনো মুহূর্তে যমুনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর আক্রমণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছি। কারণ হামলার সঙ্গে শেখ হাসিনার পুলিশ লীগের আক্রমণের পুরোপুরি মিলে যাচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ইনকিলাব মঞ্চের অনেক নেতাকর্মী চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, চিকিৎসা নিতে আসাদের মধ্যে কারও শরীরে গুলি লাগেনি।
২ ঘণ্টা আগে
শাহবাগ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা আশেপাশের এলাকায় অবস্থান নেন। সেখান থেকে মাঝেমধ্যে সড়কে এসে পুলিশ লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ছে।
২ ঘণ্টা আগে
আন্দোলনরত ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তা বাহিনী আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার করেনি বলে দাবি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুকের পোস্টে এ দাবি করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে