শাহবাগ এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০: ৩৭
শুক্রবার রাত পৌনে ৮টার দিকে শাহবাগ মোড় থেকে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীকে সরিয়ে দেয় পুলিশ। স্ট্রিম ছবি

রাজধানীর শাহবাগ মোড় থেকে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীকে সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ৮টার দিকে তাদের লাঠিচার্জ করে সরিয়ে দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাহবাগ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা আশেপাশের এলাকায় অবস্থান নেন। সেখান থেকে মাঝেমধ্যে সড়কে এসে পুলিশ লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ছে। পুলিশও তাদের ধাওয়া দিয়ে সরানোর চেষ্টা করছে।

এর আগে বিকেলে যমুনা অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করলে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীকে বাধা দেয় পুলিশ। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ অন্তত ৪০ জন আহত হন বলে দাবি সংগঠনটির।

পরে হামলার প্রতিবাদে আন্দোলনকারীরা প্রথমে শাহবাগ মোড়, পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে জড়ো হয়ে সমাবেশ করেন। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। এক পর্যায়ে রাত পৌনে ৮টার দিকে পুলিশ তাদের লাঠিচার্জ করে শাহবাগ মোড় থেকে সরিয়ে দেয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী যমুনার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তাদের দাবি, শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের জন্য শুক্রবারের মধ্যে চিঠি পাঠাতে হবে।

এ সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তী সরকার বিবৃতি দিয়ে বলেছে, সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ এলাকায় আন্দোলন করাই নিয়মতান্ত্রিকভাবে তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছত্রভঙ্গ করেছে। কিন্তু এ সময় কোনো আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি।

ইনকিলাম মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার স্পষ্টভাবে পুনর্ব্যক্ত করছে– শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারে সরকার বদ্ধপরিকর। জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত পরিচালনার আইনগত দিক সরকার গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে এবং এ বিষয়ে আগামী রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠাবে।

সম্পর্কিত