leadT1ad

গণমাধ্যমের কার্যালয়ে হামলা: ৩১ জন শনাক্ত, গ্রেপ্তার ৯

১৮ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাত ১২টার দিকে একদল আন্দোলনকারী প্রথমে দৈনিক প্রথম আলো এবং পরে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। সংগৃহীত ছবি

প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার ভবন এবং ছায়ানট ও উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কার্যালয়ে হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ সকালে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে সাতজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন– কাশেম ফারুক, সাইদুর রহমান, রাকিব হোসেন, মো. নাইম, ফয়সাল আহমেদ প্রান্ত, সোহেল রানা ও শফিকুল ইসলাম। পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশ আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের পরিচয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তার কাশেম ফারুক বগুড়ার আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্র এবং ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা। সাইদুর রহমান ফরিদপুরের ভাঙ্গার নোয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। শেরপুরের বাসিন্দা রাকিব হোসেন প্রথম আলো এবং দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে ভিডিও ফুটেজে শনাক্ত হয়েছেন। তাঁর ফেসবুক আইডি থেকে ধ্বংসস্তূপের ছবি তুলে পোস্ট করা হয় এবং উসকানিমূলক পোস্ট দিয়েছেন।

এতে বলা হয়, ঢাকার তেজগাঁওয়ের কুনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা নাইমকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে এ ঘটনায় লুট হওয়া ৫০ হাজার টাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাইম স্বীকার করেছেন– তিনি মোট এক লাখ ২৩ হাজার টাকা লুট করেছেন। লুট করা টাকা দিয়ে মোহাম্মদপুর থেকে একটি টিভি ও একটি ফ্রিজ কিনেছিলেন, যা ইতোমধ্যে জব্দ করা হয়েছে।

ঢাকার কারওয়ান বাজার রেললাইন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার সোহেল রানার বিরুদ্ধে মাদকসহ অন্যান্য আইনে ঢাকার বিভিন্ন থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে। একই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অতীতে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার অন্যান্যদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

এর আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ৩১ জনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের বাসভবন এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টাকারীদের মধ্যে তিনজনকে ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত