স্ট্রিম ডেস্ক

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে তুলে ধরেছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স। প্রায় ১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসনে থাকার পর তাঁর দেশে ফেরা বিএনপির জন্য বড় রাজনৈতিক অর্জন বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
একই সঙ্গে আসন্ন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে শীর্ষ দাবিদার এবং সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনের ব্যক্তিগত মূল্যায়নের পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রভাব, জনসমাবেশ এবং স্থিতিশীলতা-সংক্রান্ত ঝুঁকির দিকগুলো গুরুত্ব পেয়েছে।
রয়টার্স এই বিষয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রথম প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, ‘বাংলাদেশের সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাসন থেকে নির্বাচনের আগে দেশে ফিরছেন।’ এতে বলা হয়, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বিএনপি ‘অভূতপূর্ব’ জনসমাবেশের প্রস্তুতি নিয়েছে। বিমানবন্দর থেকে সংবর্ধনা স্থল পর্যন্ত পথে প্রায় ৫০ লাখ সমর্থক জড়ো করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতার উদ্ধৃতি দিয়ে এই ঘটনাকে ‘নির্ধারণী রাজনৈতিক মুহূর্ত’ বলা হয়।
ওই প্রতিবেদনে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) এক মুখপাত্রের বক্তব্যও তুলে ধরা হয়। তিনি বলেন, চরম চাপ ও হুমকির মুখে তারেক রহমানকে নির্বাসনে যেতে হয়েছিল। সে কারণে তাঁর দেশে ফেরা বিশেষ প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে। তাঁর আগমন বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আরও উদ্দীপ্ত করবে বলেও মন্তব্য করা হয়।
আরও বলা হয়, ১৯৯১ সাল থেকে বাংলাদেশে মূলত খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন দুই দলের মধ্যে ক্ষমতার পালাবদল হয়ে এসেছে। এর মধ্যে স্বল্প সময়ের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ফলে এবারের নির্বাচনে বিএনপি প্রভাবশালী অবস্থানে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রয়টার্সের দ্বিতীয় প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয় তারেক রহমানের দেশে পৌঁছানোর পর। প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘নির্বাসন থেকে নির্বাচনের আগে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী পদে শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত বাংলাদেশের নেতা’।
ওই প্রতিবেদনে তাঁর বাস্তব আগমনের দৃশ্য বর্ণনা করা হয়। সেখানে বলা হয়, তিনি খালি পায়ে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন এবং এক মুঠো মাটি হাতে তুলে নেন। এরপর তিনি হাসিমুখে সমর্থকদের উদ্দেশে হাত নাড়েন। রাস্তার দুই পাশে কয়েক লাখ মানুষ দলীয় পতাকা হাতে স্লোগান দিতে থাকে।
রয়টার্স তারেক রহমানকে ধারাবাহিকভাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে অসুস্থ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র এবং একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরাধিকারী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের এক জরিপ অনুযায়ী, বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে সংসদে সবচেয়ে বেশি আসন পেতে পারে। এই তথ্যের ভিত্তিতে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী পদে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা প্রার্থী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
রয়টার্স তারেক রহমানের ২০০৮ সালের নির্বাসনের বিষয়টিও তথ্যভিত্তিকভাবে উল্লেখ করেছে। শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে অর্থপাচার এবং হত্যাচেষ্টার ষড়যন্ত্রসহ একাধিক মামলায় অনুপস্থিতিতে সাজা দেওয়া হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর এসব রায় বাতিল হয়। এতে তাঁর দেশে ফেরার আইনি বাধা দূর হয়। প্রতিবেদনে তাঁর মায়ের দীর্ঘদিনের অসুস্থতার বিষয়টিও ব্যক্তিগত প্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুটি প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও তুলে ধরা হয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, শেখ হাসিনার পতনের পর নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব পালন করছে। এই সরকার একটি ভঙ্গুর রাজনৈতিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে দেশকে নির্বাচনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে দেশের স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে প্রতিবেদনে সতর্কতার কথাও বলা হয়েছে। বিচ্ছিন্ন সহিংসতা, গণমাধ্যমে হামলা এবং শেখ হাসিনার সমর্থকদের সম্ভাব্য অস্থিরতার আশঙ্কার কথা তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে বিএনপির শান্তিপূর্ণভাবে জনসমর্থন সংগঠিত করার সক্ষমতার পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি অন্তর্বর্তী সরকারের জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ, তারা কতটা বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারে।
সার্বিকভাবে রয়টার্স তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে বিএনপির পুনরুত্থানের একটি কৌশলগত ও নির্ধারণী মুহূর্ত হিসেবে দেখেছে। পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার দিকগুলোও ভারসাম্যপূর্ণভাবে তুলে ধরেছে।

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে তুলে ধরেছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স। প্রায় ১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসনে থাকার পর তাঁর দেশে ফেরা বিএনপির জন্য বড় রাজনৈতিক অর্জন বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
একই সঙ্গে আসন্ন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে শীর্ষ দাবিদার এবং সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনের ব্যক্তিগত মূল্যায়নের পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রভাব, জনসমাবেশ এবং স্থিতিশীলতা-সংক্রান্ত ঝুঁকির দিকগুলো গুরুত্ব পেয়েছে।
রয়টার্স এই বিষয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রথম প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, ‘বাংলাদেশের সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাসন থেকে নির্বাচনের আগে দেশে ফিরছেন।’ এতে বলা হয়, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বিএনপি ‘অভূতপূর্ব’ জনসমাবেশের প্রস্তুতি নিয়েছে। বিমানবন্দর থেকে সংবর্ধনা স্থল পর্যন্ত পথে প্রায় ৫০ লাখ সমর্থক জড়ো করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতার উদ্ধৃতি দিয়ে এই ঘটনাকে ‘নির্ধারণী রাজনৈতিক মুহূর্ত’ বলা হয়।
ওই প্রতিবেদনে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) এক মুখপাত্রের বক্তব্যও তুলে ধরা হয়। তিনি বলেন, চরম চাপ ও হুমকির মুখে তারেক রহমানকে নির্বাসনে যেতে হয়েছিল। সে কারণে তাঁর দেশে ফেরা বিশেষ প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে। তাঁর আগমন বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আরও উদ্দীপ্ত করবে বলেও মন্তব্য করা হয়।
আরও বলা হয়, ১৯৯১ সাল থেকে বাংলাদেশে মূলত খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন দুই দলের মধ্যে ক্ষমতার পালাবদল হয়ে এসেছে। এর মধ্যে স্বল্প সময়ের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ফলে এবারের নির্বাচনে বিএনপি প্রভাবশালী অবস্থানে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রয়টার্সের দ্বিতীয় প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয় তারেক রহমানের দেশে পৌঁছানোর পর। প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘নির্বাসন থেকে নির্বাচনের আগে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী পদে শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত বাংলাদেশের নেতা’।
ওই প্রতিবেদনে তাঁর বাস্তব আগমনের দৃশ্য বর্ণনা করা হয়। সেখানে বলা হয়, তিনি খালি পায়ে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন এবং এক মুঠো মাটি হাতে তুলে নেন। এরপর তিনি হাসিমুখে সমর্থকদের উদ্দেশে হাত নাড়েন। রাস্তার দুই পাশে কয়েক লাখ মানুষ দলীয় পতাকা হাতে স্লোগান দিতে থাকে।
রয়টার্স তারেক রহমানকে ধারাবাহিকভাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে অসুস্থ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র এবং একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরাধিকারী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের এক জরিপ অনুযায়ী, বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে সংসদে সবচেয়ে বেশি আসন পেতে পারে। এই তথ্যের ভিত্তিতে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী পদে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা প্রার্থী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
রয়টার্স তারেক রহমানের ২০০৮ সালের নির্বাসনের বিষয়টিও তথ্যভিত্তিকভাবে উল্লেখ করেছে। শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে অর্থপাচার এবং হত্যাচেষ্টার ষড়যন্ত্রসহ একাধিক মামলায় অনুপস্থিতিতে সাজা দেওয়া হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর এসব রায় বাতিল হয়। এতে তাঁর দেশে ফেরার আইনি বাধা দূর হয়। প্রতিবেদনে তাঁর মায়ের দীর্ঘদিনের অসুস্থতার বিষয়টিও ব্যক্তিগত প্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুটি প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও তুলে ধরা হয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, শেখ হাসিনার পতনের পর নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব পালন করছে। এই সরকার একটি ভঙ্গুর রাজনৈতিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে দেশকে নির্বাচনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে দেশের স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে প্রতিবেদনে সতর্কতার কথাও বলা হয়েছে। বিচ্ছিন্ন সহিংসতা, গণমাধ্যমে হামলা এবং শেখ হাসিনার সমর্থকদের সম্ভাব্য অস্থিরতার আশঙ্কার কথা তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে বিএনপির শান্তিপূর্ণভাবে জনসমর্থন সংগঠিত করার সক্ষমতার পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি অন্তর্বর্তী সরকারের জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ, তারা কতটা বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারে।
সার্বিকভাবে রয়টার্স তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে বিএনপির পুনরুত্থানের একটি কৌশলগত ও নির্ধারণী মুহূর্ত হিসেবে দেখেছে। পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার দিকগুলোও ভারসাম্যপূর্ণভাবে তুলে ধরেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ক্রমশ বিঘ্নিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত ডিজেল দেওয়ার অনুরোধ পেয়েছে ভারত। এখন সেই অনুরোধ বিবেচনা করছে দেশটি। তবে তার আগে নিজেদের চাহিদা এবং শোধনাগারের ক্ষমতা খতিয়ে দেখবে ভারত।
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি হওয়া মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এ সময় আওয়ামী লীগ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’আখ্যা দেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘পুলিশ হত্যা’র অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ ৪২ জনকে আসামি করে মামলার আবেদন করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য একগুচ্ছ নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। সড়ক, রেল ও নৌপথের যাত্রী এবং চালকদের প্রতি নিরাপত্তা দির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
২ ঘণ্টা আগে