স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর চালুর প্রথম দিনেই টিকিট নিয়ে বিশৃঙ্খলার দেখা গেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হলেও টিকিট জটিলতায় দীর্ঘ অপেক্ষায়ও অনেকে ঢুকতে পারেননি।
অনলাইনে টিকিট না পাওয়া এবং সরাসরি টিকিট বিক্রিতে অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা দর্শনার্থীরা। তাদের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার কারণ বা প্রবেশের বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি কর্তৃপক্ষ।
সরেজমিনেও জাদুঘর কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা চোখে পড়েছে। পুরো জাদুঘরে পুলিশ, নিরাপত্তারক্ষী, টিকিট বিক্রেতা ও চেকার ছাড়া ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তাকে দেখা যায়নি। সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়ার মতো কেউই ছিলেন না।
এর আগে সকালেই জাদুঘরের সামনে দর্শনার্থীদের লম্বা সারি তৈরি হয়। বেলা ১১টার দিকে জাদুঘর খোলার পর অনলাইনে যারা টিকিট কেটেছেন তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়। তবে সরাসরি টিকিট বিক্রি শুরু হয় এরও পরে। এতে তাদের ঢুকতে এক ঘণ্টা দেরি হয়।
কয়েকজন দর্শনার্থী জানান, তারা অনলাইনে টিকিট কাটার বিষয়টি জানতেন না। সরাসরি টিকিট কাটার ব্যবস্থা থাকলে তথ্য দেওয়ার মতো কাউকে দেখাই যায়নি।
জুলাই জাদুঘর দেখতে নোয়াখালী থেকে বাবার সঙ্গে রাজধানীতে আসা হাবিবুর রহমান বলেন, আমি গতকাল এসেছি বাবার সঙ্গে জাদুঘর দেখতে। কালকে তো ঢুকতে দেয়নি। তাই আজকেও এসেছি।
গাজীপুর থেকে আসা মো. রাকিব বলেন, সকাল ৯টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখন প্রায় ১২টা বাজে। কিন্তু ঢুকতে দেয় না। কিছু বলেও না। এটা কোনো কথা!
নড়াইল থেকে জাদুঘর দেখতে আসা আব্দুল কাদের বলেন, সকাল থেকেই বিশৃঙ্খলা চলছে। এরা সঠিকভাবে কোনো তথ্য দিচ্ছে না। একবার বলছে অনলাইনে টিকিট কাটা থাকলে ঢোকা যাবে। আবার বলছে অফলাইনে টিকিট কাটা যাবে। একেক সময় একেক কথা বলছে।
জুরাইন থেকে আসা ফয়জুল হোসেন নিজেকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ দাবি করে বলেন, আমরা জুলাই যোদ্ধা। এখানে কেন টিকিট লাগবে? এখানে কীসের ব্যবসা। সকাল ৮টা থেকে দাঁড়িয়ে আছি। দুবার বৃষ্টিতে ভিজেছি আবার শুকিয়েছি। টিকিট কাটার ব্যবস্থাও করে নাই। আমরা তো অনলাইনে টিকিট কাটতে পারি না। আমাদের কেন ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলতে হবে।
সাভার থেকে বন্ধুদের নিয়ে এসেছেন রাজ। তিনি বলেন, সকাল ৯টার দিকে এসেছি। অনলাইনে টিকিট দেখাচ্ছে ১০ তারিখ পর্যন্ত বুক। এখন অফলাইনে কোথায় টিকিট কাটব তাও দেখছি না। কখন ঢুকতে পারব সেটার বুঝছি না।
ফার্মগেট থেকে ছেলে নিয়ে সকাল ৮টার দিকে জাদুঘরের সামনে আসা বাবলু আক্তার বলেন, কখনো দেখি কিছু মানুষ ঢুকছে, আবার গেট বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। কী চলছে বুঝছি না।
সার্বিক বিষয়ে জানতে জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক এবং জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের দায়িত্বে থাকা তানজিম ইবনে ওয়াহাবের মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর চালুর প্রথম দিনেই টিকিট নিয়ে বিশৃঙ্খলার দেখা গেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হলেও টিকিট জটিলতায় দীর্ঘ অপেক্ষায়ও অনেকে ঢুকতে পারেননি।
অনলাইনে টিকিট না পাওয়া এবং সরাসরি টিকিট বিক্রিতে অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা দর্শনার্থীরা। তাদের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার কারণ বা প্রবেশের বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি কর্তৃপক্ষ।
সরেজমিনেও জাদুঘর কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা চোখে পড়েছে। পুরো জাদুঘরে পুলিশ, নিরাপত্তারক্ষী, টিকিট বিক্রেতা ও চেকার ছাড়া ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তাকে দেখা যায়নি। সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়ার মতো কেউই ছিলেন না।
এর আগে সকালেই জাদুঘরের সামনে দর্শনার্থীদের লম্বা সারি তৈরি হয়। বেলা ১১টার দিকে জাদুঘর খোলার পর অনলাইনে যারা টিকিট কেটেছেন তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়। তবে সরাসরি টিকিট বিক্রি শুরু হয় এরও পরে। এতে তাদের ঢুকতে এক ঘণ্টা দেরি হয়।
কয়েকজন দর্শনার্থী জানান, তারা অনলাইনে টিকিট কাটার বিষয়টি জানতেন না। সরাসরি টিকিট কাটার ব্যবস্থা থাকলে তথ্য দেওয়ার মতো কাউকে দেখাই যায়নি।
জুলাই জাদুঘর দেখতে নোয়াখালী থেকে বাবার সঙ্গে রাজধানীতে আসা হাবিবুর রহমান বলেন, আমি গতকাল এসেছি বাবার সঙ্গে জাদুঘর দেখতে। কালকে তো ঢুকতে দেয়নি। তাই আজকেও এসেছি।
গাজীপুর থেকে আসা মো. রাকিব বলেন, সকাল ৯টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখন প্রায় ১২টা বাজে। কিন্তু ঢুকতে দেয় না। কিছু বলেও না। এটা কোনো কথা!
নড়াইল থেকে জাদুঘর দেখতে আসা আব্দুল কাদের বলেন, সকাল থেকেই বিশৃঙ্খলা চলছে। এরা সঠিকভাবে কোনো তথ্য দিচ্ছে না। একবার বলছে অনলাইনে টিকিট কাটা থাকলে ঢোকা যাবে। আবার বলছে অফলাইনে টিকিট কাটা যাবে। একেক সময় একেক কথা বলছে।
জুরাইন থেকে আসা ফয়জুল হোসেন নিজেকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ দাবি করে বলেন, আমরা জুলাই যোদ্ধা। এখানে কেন টিকিট লাগবে? এখানে কীসের ব্যবসা। সকাল ৮টা থেকে দাঁড়িয়ে আছি। দুবার বৃষ্টিতে ভিজেছি আবার শুকিয়েছি। টিকিট কাটার ব্যবস্থাও করে নাই। আমরা তো অনলাইনে টিকিট কাটতে পারি না। আমাদের কেন ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলতে হবে।
সাভার থেকে বন্ধুদের নিয়ে এসেছেন রাজ। তিনি বলেন, সকাল ৯টার দিকে এসেছি। অনলাইনে টিকিট দেখাচ্ছে ১০ তারিখ পর্যন্ত বুক। এখন অফলাইনে কোথায় টিকিট কাটব তাও দেখছি না। কখন ঢুকতে পারব সেটার বুঝছি না।
ফার্মগেট থেকে ছেলে নিয়ে সকাল ৮টার দিকে জাদুঘরের সামনে আসা বাবলু আক্তার বলেন, কখনো দেখি কিছু মানুষ ঢুকছে, আবার গেট বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। কী চলছে বুঝছি না।
সার্বিক বিষয়ে জানতে জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক এবং জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের দায়িত্বে থাকা তানজিম ইবনে ওয়াহাবের মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি।
.png)

পাইলট প্রকল্প শেষে আগামী ১৬ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। কিশোরগঞ্জ সদরের লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই উদ্বোধন করবেন। এরপর চার বছরে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।
৩ মিনিট আগে
দিল্লিতে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক শেখ হাসিনাকে সংবাদ সম্মেলনের সুযোগ করে দেওয়ার বিষয়টি ভারতীয় নীতি-নির্ধারকদের পরিকল্পিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
২৫ মিনিট আগে
হামের উপসর্গে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের কারও হাম শনাক্ত হয়নি। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময়ে দেশে ৭৩৩ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
যান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের রেলবাজার এলাকায় ২০২৩ সালে রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ-প্রকল্প হাতে নেয় সওজ। এক বছরে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা শেষ হয়নি তিন বছরেও। এরই মধ্যে দুই দফায় প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে ৪০ শতাংশ। কাজ বন্ধ থাকায় যানজট নিরসনের প্রকল্পই উল্টো সৃষ্টি করছে তীব্র যানজট।
২ ঘণ্টা আগে