স্ট্রিম প্রতিবেদক

দিল্লিতে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক শেখ হাসিনাকে সংবাদ সম্মেলনের সুযোগ করে দেওয়ার বিষয়টি ভারতীয় নীতি-নির্ধারকদের পরিকল্পিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পলাতক একজন আসামি। তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ হত্যা ও দুর্নীতির বিভিন্ন মামলার বিচার চলছে। ২০১৩ সালের বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাঁকে ফেরত আনার জন্য বাংলাদেশ সরকার চিঠি দিলেও ভারত এ বিষয়ে কোনো জবাব দেয়নি।
তিনি বলেন, একজন পলাতক আসামিকে তার রাজনৈতিক বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা মনে করি, আমাদের পারস্পরিক বিশ্বাস ও সম্মানকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়েও এটি এক ধরনের হস্তক্ষেপ।
বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার বিষয়টি ভারত সরকারকে অবহিত করলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দিন ৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে তাঁর বক্তব্যের আয়োজন করা হয়েছে, যা ভারতীয় নীতি-নির্ধারকদের পরিকল্পিত পদক্ষেপ।
রিজভী বলেন, যেদিন গণআন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার পতন ঘটে, যেদিন গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন সফল হয়, ঠিক সেই দিনেই তাঁকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এটি কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং ওই আন্দোলনে নিহতদের প্রতিও অসম্মান।

দিল্লিতে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক শেখ হাসিনাকে সংবাদ সম্মেলনের সুযোগ করে দেওয়ার বিষয়টি ভারতীয় নীতি-নির্ধারকদের পরিকল্পিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পলাতক একজন আসামি। তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ হত্যা ও দুর্নীতির বিভিন্ন মামলার বিচার চলছে। ২০১৩ সালের বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাঁকে ফেরত আনার জন্য বাংলাদেশ সরকার চিঠি দিলেও ভারত এ বিষয়ে কোনো জবাব দেয়নি।
তিনি বলেন, একজন পলাতক আসামিকে তার রাজনৈতিক বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা মনে করি, আমাদের পারস্পরিক বিশ্বাস ও সম্মানকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়েও এটি এক ধরনের হস্তক্ষেপ।
বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার বিষয়টি ভারত সরকারকে অবহিত করলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দিন ৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে তাঁর বক্তব্যের আয়োজন করা হয়েছে, যা ভারতীয় নীতি-নির্ধারকদের পরিকল্পিত পদক্ষেপ।
রিজভী বলেন, যেদিন গণআন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার পতন ঘটে, যেদিন গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন সফল হয়, ঠিক সেই দিনেই তাঁকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এটি কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং ওই আন্দোলনে নিহতদের প্রতিও অসম্মান।
.png)

পাইলট প্রকল্প শেষে আগামী ১৬ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। কিশোরগঞ্জ সদরের লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই উদ্বোধন করবেন। এরপর চার বছরে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।
২৪ মিনিট আগে
হামের উপসর্গে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের কারও হাম শনাক্ত হয়নি। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময়ে দেশে ৭৩৩ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর চালুর প্রথম দিনেই টিকিট নিয়ে বিশৃঙ্খলার দেখা গেছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হলেও টিকিট জটিলতায় দীর্ঘ অপেক্ষায়ও অনেকে ঢুকতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে
যান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের রেলবাজার এলাকায় ২০২৩ সালে রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ-প্রকল্প হাতে নেয় সওজ। এক বছরে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা শেষ হয়নি তিন বছরেও। এরই মধ্যে দুই দফায় প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে ৪০ শতাংশ। কাজ বন্ধ থাকায় যানজট নিরসনের প্রকল্পই উল্টো সৃষ্টি করছে তীব্র যানজট।
২ ঘণ্টা আগে