ডিজিটাল কার্ড পেলেন ১০০ হকার, বসতে হবে নির্ধারিত স্থানে

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ২১: ০৫
গুলিস্তানের ১০০ হকারকে ডিজিটাল পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

এখন থেকে নির্ধারিত স্থান ও সময়ে ব্যবসা করতে হবে হকারদের। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) গুলিস্তানের ১০০ হকারকে ডিজিটাল পরিচয়পত্র প্রদানের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অডিটোরিয়ামে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত করতে এবং হকারদের পুনর্বাসনে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, হকারদের কিউআর কোড সম্বলিত ডিজিটাল পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। ট্রাফিক পুলিশ সহজেই হকারদের বৈধতা ও বসার স্থান যাচাই করতে পারবে। হকার বসার পরও ফুটপাতে পথচারীদের জন্য ৫-৬ ফুট জায়গা রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

প্রশাসক সালাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় হকার ব্যবস্থাপনা শুরু হয়েছে। এর ফলে নিরাপদ ও পথচারীবান্ধব ফুটপাত নিশ্চিত করা হবে। সড়ক ও ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফিরলে মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। হকার নিবন্ধন ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়ন হবে। পুনর্বাসিত হকারদের বরাদ্দকৃত জায়গার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার এবং সকল বিধিবিধান মেনে বৈধ ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানান তিনি।

প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত এলাকায় হকারদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। গুলিস্তানের রমনা ভবন সংলগ্ন লিংক রোডে প্রতিদিনের বাজার বসবে। মতিঝিল এজিবি কলোনি মাঠ ও ইসলাম চেম্বার এলাকায় সন্ধ্যাবাজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব বাজারে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যবসা করা যাবে। রাজউক ভবনের পেছনে এবং টুইন টাওয়ার গলিতে প্রতিদিনের বাজার থাকবে। বায়তুল মোকাররম পূর্ব গেট এবং নিউ মার্কেটের দক্ষিণ গেটেও জায়গা দেওয়া হয়েছে। শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনির মাঠ সংলগ্ন রাস্তায় হকাররা বসতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, খেলার মাঠ বা ধর্মীয় উপাসনালয়ের সামনে কোনো বাজার বসানো যাবে না। নীতিমালা লঙ্ঘন করলে বা লাইসেন্স না থাকলে যেকোনো সময় উচ্ছেদ করা হবে। হকারদের কাছ থেকে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর থাকবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব পরিমল সরকার ও ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান।

সম্পর্কিত