স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়ানো কয়েকটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ ও ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম ‘অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির আমন্ত্রণে’ যুক্তরাজ্যে গেছেন। (১,২) কিন্তু যাচাইয়ে দেখা যায়, তারা অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির নয়, অক্সফোর্ড ইউনিয়নের একটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং অক্সফোর্ড ইউনিয়ন এক প্রতিষ্ঠান নয়। অক্সফোর্ড ইউনিয়নের ওয়েবসাইটে প্রতিষ্ঠানটিকে ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের থেকে আলাদা একটি স্বাধীন ছাত্রদের দিয়ে পরিচালিত সংগঠন। অর্থাৎ অক্সফোর্ড ইউনিয়নে কোনো অনুষ্ঠান হওয়া বা সেখানে বক্তব্য দেওয়া মানেই তা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণ বা আয়োজন নয়।
আরও দেখা যায়, অক্সফোর্ড ইউনিয়নের Private Hire পেজে তাদের ভবন ও ডিবেটিং চেম্বার ভাড়া নিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগের কথা বলা আছে।
বাংলাদেশের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, হাসনাত আব্দুল্লাহ, আলী আহসান জুনায়েদ ও আবু সাদিক কায়েম অক্সফোর্ড ইউনিয়নের আমন্ত্রণ পেয়েছেন। আজকের পত্রিকা লিখেছে, অক্সফোর্ড ইউনিয়নের সভাপতি স্বাক্ষরিত চিঠিতে অক্সফোর্ড বাংলা সমিতির সঙ্গে যৌথ অনুষ্ঠানে তাঁদের অতিথি ও আলোচক হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর কথা বলা হয়েছে। জাগো নিউজও একই ধরনের তথ্য প্রকাশ করেছে।
অন্যদিকে, ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে অক্সফোর্ডের ছাত্র সংবাদমাধ্যম চেরওয়েল জানায়, ‘ছাত্র-নেতৃত্বাধীন অভ্যুত্থান এবং বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনাটি অক্সফোর্ড বাংলা সোসাইটি আয়োজন করেছিল এবং অনুষ্ঠানটি অক্সফোর্ড ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে সাদিক কায়েম ও হাসনাত আব্দুল্লাহকে আলোচনার অংশগ্রহণকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অর্থাৎ, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও আবু সাদিক কায়েম অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে যুক্তরাজ্যে গেছেন, এমন দাবি সঠিক নয়।

সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়ানো কয়েকটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ ও ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম ‘অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির আমন্ত্রণে’ যুক্তরাজ্যে গেছেন। (১,২) কিন্তু যাচাইয়ে দেখা যায়, তারা অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির নয়, অক্সফোর্ড ইউনিয়নের একটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং অক্সফোর্ড ইউনিয়ন এক প্রতিষ্ঠান নয়। অক্সফোর্ড ইউনিয়নের ওয়েবসাইটে প্রতিষ্ঠানটিকে ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের থেকে আলাদা একটি স্বাধীন ছাত্রদের দিয়ে পরিচালিত সংগঠন। অর্থাৎ অক্সফোর্ড ইউনিয়নে কোনো অনুষ্ঠান হওয়া বা সেখানে বক্তব্য দেওয়া মানেই তা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণ বা আয়োজন নয়।
আরও দেখা যায়, অক্সফোর্ড ইউনিয়নের Private Hire পেজে তাদের ভবন ও ডিবেটিং চেম্বার ভাড়া নিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগের কথা বলা আছে।
বাংলাদেশের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, হাসনাত আব্দুল্লাহ, আলী আহসান জুনায়েদ ও আবু সাদিক কায়েম অক্সফোর্ড ইউনিয়নের আমন্ত্রণ পেয়েছেন। আজকের পত্রিকা লিখেছে, অক্সফোর্ড ইউনিয়নের সভাপতি স্বাক্ষরিত চিঠিতে অক্সফোর্ড বাংলা সমিতির সঙ্গে যৌথ অনুষ্ঠানে তাঁদের অতিথি ও আলোচক হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর কথা বলা হয়েছে। জাগো নিউজও একই ধরনের তথ্য প্রকাশ করেছে।
অন্যদিকে, ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে অক্সফোর্ডের ছাত্র সংবাদমাধ্যম চেরওয়েল জানায়, ‘ছাত্র-নেতৃত্বাধীন অভ্যুত্থান এবং বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনাটি অক্সফোর্ড বাংলা সোসাইটি আয়োজন করেছিল এবং অনুষ্ঠানটি অক্সফোর্ড ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে সাদিক কায়েম ও হাসনাত আব্দুল্লাহকে আলোচনার অংশগ্রহণকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অর্থাৎ, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও আবু সাদিক কায়েম অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে যুক্তরাজ্যে গেছেন, এমন দাবি সঠিক নয়।

ফেসবুকে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে দেখা যায়, ভাসানীর গলায় ফুলের মালা, পেছনে মানুষের ভিড় এবং তাঁর পায়ের নিচে ভারতের পতাকা।
১৯ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি পোস্ট ছড়িয়ে বলা হচ্ছে, বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিষয়ের অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে। ফটোকার্ডে আরও বলা হয়েছে, পাঠ্যক্রমে যুক্ত হবে এআই, সাইবার সিকিউরিটি, আউটসোর্সিং ও অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর বিষয়।
৬ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, ডিভোর্সের পর কেউ দায়িত্ব না নেওয়ায় শিশু সন্তানকে এতিমখানায় ফেলে গেছেন জন্মদাতা বাবা-মা।
৬ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, মাইন পাতার জন্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী বিএসএফের এক গুপ্তচরকে আটক করেছে বিজিবি। ভিডিওর ওপর বসানো লেখায় বলা হয়েছে, ‘সীমান্তে মাইন পাতার সময় ভারতীয় গুপ্তচর আটক।’
৭ দিন আগে