দিল্লিতে ডা. জাহেদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা
এম. হুমায়ুন কবীর

দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, তা একেবারেই অপ্রত্যাশিত। পুরো বিষয়টি আমাকে বেশ বিস্মিত করেছে। কারণ মন্ত্রী পদমর্যাদার কোনো ব্যক্তি যখন অন্য কোনো দেশে সফরে যান, তখন প্রটোকল অনুযায়ী স্বাগতিক দেশের সরকারকে আগে থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। সেই অনুযায়ী স্বাগতিক দেশ বিমানবন্দরে এই ধরনের সম্মানিত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানোর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।
দ্বিতীয়ত, মন্ত্রী পর্যায়ের কোনো ব্যক্তির সফরের সময় তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে সংশ্লিষ্ট দেশে নিযুক্ত দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকার কথা। এ ধরনের ক্ষেত্রে ইমিগ্রেশন বা অন্য কোনো বিষয়ে প্রশ্ন উঠলেও, দূতাবাসের কর্মকর্তারা স্বাগতিক দেশের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে তাৎক্ষণিকভাবে তা সুরাহা করে নেন। প্রটোকলের এই দুই স্তরের ব্যবস্থা কার্যকর থাকলে এমন ঘটনা ঘটার কথা নয়।
জানা গেছে, এই সফরের বিষয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে পূর্বেই অবহিত করা হয়েছিল এবং তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে খোদ বাংলাদেশের হাইকমিশনার দিল্লি বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। এত সব প্রস্তুতির পরও যদি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাঁকে আটকে রাখে বা সাধারণ প্রক্রিয়ার চেয়ে অতিরিক্ত সময় বসিয়ে রাখে, তবে ধরে নিতে হবে এটি তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে হয়রানি করারই একটি অপচেষ্টা।
বিষয়টি যদি সত্যিই তা-ই হয়ে থাকে, তবে যথাযথ অনুসন্ধানের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকারের উচিত ভারতের কাছে এর আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দাবি করা। যেহেতু তিনি ভারতেরই একটি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে গিয়েছিলেন, তাই সেখানে তাঁর সাথে কেন এমন অপেশাদার আচরণ করা হলো, তার সুস্পষ্ট কারণ জানতে চাওয়া আমাদের কূটনৈতিক অধিকার।
এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার মতো উচ্চপদস্থ ব্যক্তি যখন এমন পরিস্থিতির শিকার হন, তখন বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ সহজেই ধরে নিতে পারে যে, প্রতিবেশী দেশটির আচরণ বন্ধুসুলভ নয়। এর ফলে সম্পর্কে একধরনের টানাপোড়েন সৃষ্টি হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক।
তবে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে আমাদের খতিয়ে দেখা দরকার ঠিক কী প্রেক্ষাপটে এ ঘটনা ঘটেছে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে স্বতঃস্ফূর্ত কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে, তার ভিত্তিতেই আমাদের পরবর্তী কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে চিন্তাভাবনা করা উচিত। পরিশেষে বলতে চাই, প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক সম্পর্কে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিব্রতকর ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, তা একেবারেই অপ্রত্যাশিত। পুরো বিষয়টি আমাকে বেশ বিস্মিত করেছে। কারণ মন্ত্রী পদমর্যাদার কোনো ব্যক্তি যখন অন্য কোনো দেশে সফরে যান, তখন প্রটোকল অনুযায়ী স্বাগতিক দেশের সরকারকে আগে থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। সেই অনুযায়ী স্বাগতিক দেশ বিমানবন্দরে এই ধরনের সম্মানিত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানোর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।
দ্বিতীয়ত, মন্ত্রী পর্যায়ের কোনো ব্যক্তির সফরের সময় তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে সংশ্লিষ্ট দেশে নিযুক্ত দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকার কথা। এ ধরনের ক্ষেত্রে ইমিগ্রেশন বা অন্য কোনো বিষয়ে প্রশ্ন উঠলেও, দূতাবাসের কর্মকর্তারা স্বাগতিক দেশের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে তাৎক্ষণিকভাবে তা সুরাহা করে নেন। প্রটোকলের এই দুই স্তরের ব্যবস্থা কার্যকর থাকলে এমন ঘটনা ঘটার কথা নয়।
জানা গেছে, এই সফরের বিষয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে পূর্বেই অবহিত করা হয়েছিল এবং তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে খোদ বাংলাদেশের হাইকমিশনার দিল্লি বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। এত সব প্রস্তুতির পরও যদি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাঁকে আটকে রাখে বা সাধারণ প্রক্রিয়ার চেয়ে অতিরিক্ত সময় বসিয়ে রাখে, তবে ধরে নিতে হবে এটি তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে হয়রানি করারই একটি অপচেষ্টা।
বিষয়টি যদি সত্যিই তা-ই হয়ে থাকে, তবে যথাযথ অনুসন্ধানের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকারের উচিত ভারতের কাছে এর আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দাবি করা। যেহেতু তিনি ভারতেরই একটি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে গিয়েছিলেন, তাই সেখানে তাঁর সাথে কেন এমন অপেশাদার আচরণ করা হলো, তার সুস্পষ্ট কারণ জানতে চাওয়া আমাদের কূটনৈতিক অধিকার।
এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার মতো উচ্চপদস্থ ব্যক্তি যখন এমন পরিস্থিতির শিকার হন, তখন বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ সহজেই ধরে নিতে পারে যে, প্রতিবেশী দেশটির আচরণ বন্ধুসুলভ নয়। এর ফলে সম্পর্কে একধরনের টানাপোড়েন সৃষ্টি হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক।
তবে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে আমাদের খতিয়ে দেখা দরকার ঠিক কী প্রেক্ষাপটে এ ঘটনা ঘটেছে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে স্বতঃস্ফূর্ত কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে, তার ভিত্তিতেই আমাদের পরবর্তী কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে চিন্তাভাবনা করা উচিত। পরিশেষে বলতে চাই, প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক সম্পর্কে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিব্রতকর ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

গত বছরের ১.৩৯ শতাংশ থেকে শিক্ষাবাজেট ২ শতাংশে উন্নীত হওয়াকে প্রথম দেখায় একটি বৈপ্লবিক লাফ মনে হতে পারে। কিন্তু আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও বৈশ্বিক সূচকের দিকে তাকালে এই উজ্জ্বল অঙ্কের পেছনের রূঢ় বাস্তবতা ধরা পড়ে।
২ ঘণ্টা আগে
জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়াতে শক্তিশালী বিনিয়োগের বিকল্প নেই। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই দেশে বিনিয়োগে খরা চলছে। এটা হঠাৎ শুরু হয়েছে, তা নয়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালেই বিনিয়োগে নাজুক পরিস্থিতি ছিল। তখন যে উচ্চ প্রবৃদ্ধি দেখানো হতো, সেটির সঙ্গে বিনিয়োগ পরিস্থিতির সংযোগ ছিল না বলেও অর্থনীতিবিদদের ধারণা।
১৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ঘরে, আঙিনায়, রাস্তায় এখন আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিলের পতাকা উড়ছে। গলিতে গলিতে বড় পর্দায় রাত জেগে খেলা দেখার আয়োজন। চায়ের দোকানে মেসি, নেইমার, ভিনিসিউসকে নিয়ে আলোচনার ঝড়। এ সবকিছুর মধ্যে আমার মাথায় একটা প্রশ্ন বারবার ঘুরে আসে—এই ভিড়ে নারীরা কতটা আছেন? আর যদি না-ই থাকেন, তাহলে কেন নেই?
১ দিন আগে
বাংলাদেশের মিয়ানমারনীতি নিয়ে কথা উঠলে সাধারণত রোহিঙ্গা সংকটের কথাই সামনে আসে। তবে রোহিঙ্গা সংকট ছাড়াও বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের বাস্তবতা দ্রুত বদলাচ্ছে। এখন শুধু রোহিঙ্গা নয়, সীমান্তসংক্রান্ত নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখেও পড়ছেন বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকরা।
১ দিন আগে