জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ বিতর্ক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ বিষয়ে আলোচনার জন্য বিশেষ কমিটি দুই দলের সমানসংখ্যক সদস্য নিয়ে গঠনের দাবি জানিয়েছেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তবে সমানসংখ্যক সদস্য রাখা বৈষম্য বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫-এর নির্ধারিত আলোচনায় এসব বিষয় উঠে আসে।
এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ নিয়ে আলোচনার জন্য বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমেদ।
প্রস্তাবের পর বিরোধী দলীয় নেতা সংসদে বলেন, ‘সংস্কার পরিষদের ওপর যে আলোচনা হলো, তাকে একটি জায়গায় পৌঁছানোর জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করা যেতে পারে। তবে, সেখানে আমাদের আহ্বান থাকবে, সরকারি ও বিরোধী দল থেকে সমানসংখ্যক সদস্য নিয়ে এই কমিটি গঠন করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কমিটি গঠন করা হলে সেখানে বিরোধী দলের মতামতের কোনও মূল্যায়ন হবে না এবং শেষ পর্যন্ত তা যে লাউ সেই কদুতেই আটকে যাবে।’
বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘২১৯ জন এমপির প্রতিনিধিরা ৫০ শতাংশ আর ৭৭ জনের প্রতিনিধিরা ৫০ শতাংশ পাবেন, এটা বৈষম্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই আদেশের ১২ ধারাতেই বলা আছে জুলাই সনদকে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার কথা। তার মানে ৭২-এর সংবিধানই আমাদের বেসিস। এই সংবিধানকে সামনে রেখেই আমরা যাবতীয় সংশোধনী আনতে পারব।’
জুলাই আদেশ কেন আইন নয় তার ব্যাখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট অনুযায়ী কোনো অর্ডারের আইনি ব্যাকিং থাকতে হয়। এই আদেশের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। এটি একটি কালারেবল লেজিসলেশন। সংবিধানে যে পাওয়ার দেওয়া নেই, সেই পাওয়ার এখানে এক্সারসাইজ করা হয়েছে। চতুর্থ তফসিলের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা অনেক আগেই বন্ধ হয়ে গেছে।’

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ বিষয়ে আলোচনার জন্য বিশেষ কমিটি দুই দলের সমানসংখ্যক সদস্য নিয়ে গঠনের দাবি জানিয়েছেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তবে সমানসংখ্যক সদস্য রাখা বৈষম্য বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫-এর নির্ধারিত আলোচনায় এসব বিষয় উঠে আসে।
এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ নিয়ে আলোচনার জন্য বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমেদ।
প্রস্তাবের পর বিরোধী দলীয় নেতা সংসদে বলেন, ‘সংস্কার পরিষদের ওপর যে আলোচনা হলো, তাকে একটি জায়গায় পৌঁছানোর জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করা যেতে পারে। তবে, সেখানে আমাদের আহ্বান থাকবে, সরকারি ও বিরোধী দল থেকে সমানসংখ্যক সদস্য নিয়ে এই কমিটি গঠন করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কমিটি গঠন করা হলে সেখানে বিরোধী দলের মতামতের কোনও মূল্যায়ন হবে না এবং শেষ পর্যন্ত তা যে লাউ সেই কদুতেই আটকে যাবে।’
বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘২১৯ জন এমপির প্রতিনিধিরা ৫০ শতাংশ আর ৭৭ জনের প্রতিনিধিরা ৫০ শতাংশ পাবেন, এটা বৈষম্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই আদেশের ১২ ধারাতেই বলা আছে জুলাই সনদকে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার কথা। তার মানে ৭২-এর সংবিধানই আমাদের বেসিস। এই সংবিধানকে সামনে রেখেই আমরা যাবতীয় সংশোধনী আনতে পারব।’
জুলাই আদেশ কেন আইন নয় তার ব্যাখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট অনুযায়ী কোনো অর্ডারের আইনি ব্যাকিং থাকতে হয়। এই আদেশের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। এটি একটি কালারেবল লেজিসলেশন। সংবিধানে যে পাওয়ার দেওয়া নেই, সেই পাওয়ার এখানে এক্সারসাইজ করা হয়েছে। চতুর্থ তফসিলের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা অনেক আগেই বন্ধ হয়ে গেছে।’
.png)

হামের উপসর্গে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের কারও হাম শনাক্ত হয়নি। রোববার (২৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময়ে দেশে ৯৯০ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
১১ মিনিট আগে
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গড়ে তোলা রাজীব শাহের ‘নবাবপাড়া’ গুঁড়িয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও গণপূর্ত অধিদপ্তর যৌথভাবে এই অভিযান চালায়।
২৮ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক কিশোরকে তুলে নিয়ে নির্যাতনে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি মো. নুরুল ইসলাম ওরফে ইরান (৪০) পিটুনিতে নিহত হয়েছেন। পরে তাঁর বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় এলাকার বিক্ষুব্ধরা। তবে বাড়িতে হামলায় ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও স্থানীয় ইউপি সদস্য নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে নিহতের ছেলে।
৩০ মিনিট আগে
সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি রোববার (২৬ জুলাই) শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। পরে স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন।
২ ঘণ্টা আগে