বিশ্বকাপের নক্ষত্র—৪
স্পোর্টস ডেস্ক

নেইমার জুনিয়রকে বর্তমান ফুটবলে সাম্বা ঘরানার ‘জোগো বোনিতো’র (সুন্দর ফুটবল) শেষ বাহক ধরা হয়। দুর্দান্ত ড্রিবলিংয়ে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিতে নেইমারের জুড়ি নেই। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে উইঙ্গার হিসেবে খেললেও, বর্তমানে নেইমার ‘প্লে-মেকার’ হিসেবেই পরিচিত।
৩৪ বছর বয়সী নেইমার ডা সিলভা সান্তোস জুনিয়র লেফট উইঙ্গার, অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বা ফলস নাইনে খেলেন। এখন তিনি তাঁর শৈশবের ক্লাব সান্তোসের হয়ে খেলছেন। ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে ৭৯ গোল ও ৫৯ অ্যাসিস্ট রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।
ব্রাজিলের বর্তমান কোচ কার্লো আনচেলত্তি বলছেন, ‘নেইমারের পায়ে যখন বল তখন মাঠের পরিধিও ছোট হয়ে আসে। নেইমার যখন ছন্দে ফুটবল তখন শিল্পে পরিণত হয়। ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে পারে ওর ক্যারিয়ারের মধুর প্রতিশোধের মঞ্চ।’
বার্সেলোনার হয়ে নেইমারের ঝুলিতে আছে ১৫৩ গোল ও ৭৪ অ্যাসিস্ট। ফরাসি ক্লাব পিএসজির হয়ে করেছেন ১০৫ গোল ও ৭৬ অ্যাসিস্ট। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে তাঁর নামের পাশে রয়েছে ৪৩ গোল ও ৩৭ অ্যাসিস্ট।
বার্সেলোনার হয়ে ‘ট্রেবল’ এবং উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয় করেন নেইমার। ২০১৪-১৫ মৌসুমে ১০ গোল করে চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন তিনি। বার্সেলোনার জার্সিতে ২টি লা লিগা এবং পিএসজির হয়ে ৫টি ফরাসি লিগ ওয়ান শিরোপা জেতেন নেইমার। ২০১১ সালে ফিফা পুসকাস পুরস্কারও জিতেছেন তিনি।
জাতীয় দলের হয়ে ২০১৩ সালের ফিফা কনফেডারেশনস কাপ এবং ২০১৬ রিও অলিম্পিকে দেশকে ফুটবলে প্রথম স্বর্ণপদক উপহার দেন নেইমার। ফুটবল ইতিহাসের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ এবং কোপা লিবার্তোদোরেসের ফাইনালে গোল করার ও জেতার রেকর্ড নেইমারের দখলে।
বিশ্বকাপের মঞ্চে নেইমারের গল্পটা বারবার ইনজুরি আর আক্ষেপের সমার্থক। ২০১৪ সালে ঘরের মাঠে দুর্দান্ত শুরু করলেও কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়ান ডিফেন্ডারের ফাউলে পিঠে গুরুতর আঘাত পান তিনি। সেই ইনজুরির কারণে জার্মানির বিপক্ষে সেমিফাইনাল মিস করেন তিনি। ব্রাজিল ওই ম্যাচে শোচনীয়ভাবে হারে।

২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের কাছে হেরে বিদায় নেয় তাঁর দল। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে দুর্দান্ত গোল করেও দলকে জেতাতে পারেননি তিনি। টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিতে হয় ব্রাজিলকে।
২০২৬ বিশ্বকাপ নেইমারের ক্যারিয়ারের চতুর্থ এবং নিশ্চিতভাবেই চূড়ান্ত বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। এসিএল ইনজুরির দীর্ঘ বিরতি ও পুনর্বাসনের পর আবার মাঠে ফিরেছেন তিনি। ২৪ বছরের বিশ্বকাপ খরা কাটিয়ে ‘হেক্সা’ (ষষ্ঠ বিশ্বকাপ) উঁচিয়ে ধরে নিজের ক্যারিয়ারকে পূর্ণতা দেওয়ার অপেক্ষায় থাকবেন ব্রাজিলের নম্বর টেন।
ব্রাজিলের ক্লাব সান্তোসে খেলার সময় থেকেই নেইমারকে ফুটবলে মেসি-রোনালদোর নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হয়েছিল। ২০১৭ সালে ফুটবল ইতিহাসের অল-টাইম রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিস সাঁ-জার্মেইতে (পিএসজি) যোগ দেন তিনি।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বলিভিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে ব্রাজিলের জার্সিতে ৭৯ গোল হয় নেইমারের। এর মাধ্যমে ফুটবল সম্রাট পেলের ৭৭ গোলের রেকর্ড ভেঙে ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসন নিজের করে নেন তিনি।

নেইমার জুনিয়রকে বর্তমান ফুটবলে সাম্বা ঘরানার ‘জোগো বোনিতো’র (সুন্দর ফুটবল) শেষ বাহক ধরা হয়। দুর্দান্ত ড্রিবলিংয়ে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিতে নেইমারের জুড়ি নেই। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে উইঙ্গার হিসেবে খেললেও, বর্তমানে নেইমার ‘প্লে-মেকার’ হিসেবেই পরিচিত।
৩৪ বছর বয়সী নেইমার ডা সিলভা সান্তোস জুনিয়র লেফট উইঙ্গার, অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বা ফলস নাইনে খেলেন। এখন তিনি তাঁর শৈশবের ক্লাব সান্তোসের হয়ে খেলছেন। ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে ৭৯ গোল ও ৫৯ অ্যাসিস্ট রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।
ব্রাজিলের বর্তমান কোচ কার্লো আনচেলত্তি বলছেন, ‘নেইমারের পায়ে যখন বল তখন মাঠের পরিধিও ছোট হয়ে আসে। নেইমার যখন ছন্দে ফুটবল তখন শিল্পে পরিণত হয়। ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে পারে ওর ক্যারিয়ারের মধুর প্রতিশোধের মঞ্চ।’
বার্সেলোনার হয়ে নেইমারের ঝুলিতে আছে ১৫৩ গোল ও ৭৪ অ্যাসিস্ট। ফরাসি ক্লাব পিএসজির হয়ে করেছেন ১০৫ গোল ও ৭৬ অ্যাসিস্ট। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে তাঁর নামের পাশে রয়েছে ৪৩ গোল ও ৩৭ অ্যাসিস্ট।
বার্সেলোনার হয়ে ‘ট্রেবল’ এবং উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয় করেন নেইমার। ২০১৪-১৫ মৌসুমে ১০ গোল করে চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন তিনি। বার্সেলোনার জার্সিতে ২টি লা লিগা এবং পিএসজির হয়ে ৫টি ফরাসি লিগ ওয়ান শিরোপা জেতেন নেইমার। ২০১১ সালে ফিফা পুসকাস পুরস্কারও জিতেছেন তিনি।
জাতীয় দলের হয়ে ২০১৩ সালের ফিফা কনফেডারেশনস কাপ এবং ২০১৬ রিও অলিম্পিকে দেশকে ফুটবলে প্রথম স্বর্ণপদক উপহার দেন নেইমার। ফুটবল ইতিহাসের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ এবং কোপা লিবার্তোদোরেসের ফাইনালে গোল করার ও জেতার রেকর্ড নেইমারের দখলে।
বিশ্বকাপের মঞ্চে নেইমারের গল্পটা বারবার ইনজুরি আর আক্ষেপের সমার্থক। ২০১৪ সালে ঘরের মাঠে দুর্দান্ত শুরু করলেও কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়ান ডিফেন্ডারের ফাউলে পিঠে গুরুতর আঘাত পান তিনি। সেই ইনজুরির কারণে জার্মানির বিপক্ষে সেমিফাইনাল মিস করেন তিনি। ব্রাজিল ওই ম্যাচে শোচনীয়ভাবে হারে।

২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের কাছে হেরে বিদায় নেয় তাঁর দল। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে দুর্দান্ত গোল করেও দলকে জেতাতে পারেননি তিনি। টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিতে হয় ব্রাজিলকে।
২০২৬ বিশ্বকাপ নেইমারের ক্যারিয়ারের চতুর্থ এবং নিশ্চিতভাবেই চূড়ান্ত বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। এসিএল ইনজুরির দীর্ঘ বিরতি ও পুনর্বাসনের পর আবার মাঠে ফিরেছেন তিনি। ২৪ বছরের বিশ্বকাপ খরা কাটিয়ে ‘হেক্সা’ (ষষ্ঠ বিশ্বকাপ) উঁচিয়ে ধরে নিজের ক্যারিয়ারকে পূর্ণতা দেওয়ার অপেক্ষায় থাকবেন ব্রাজিলের নম্বর টেন।
ব্রাজিলের ক্লাব সান্তোসে খেলার সময় থেকেই নেইমারকে ফুটবলে মেসি-রোনালদোর নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হয়েছিল। ২০১৭ সালে ফুটবল ইতিহাসের অল-টাইম রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিস সাঁ-জার্মেইতে (পিএসজি) যোগ দেন তিনি।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বলিভিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে ব্রাজিলের জার্সিতে ৭৯ গোল হয় নেইমারের। এর মাধ্যমে ফুটবল সম্রাট পেলের ৭৭ গোলের রেকর্ড ভেঙে ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসন নিজের করে নেন তিনি।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
১৬ ঘণ্টা আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
১৭ ঘণ্টা আগে
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
২০ ঘণ্টা আগে