স্ট্রিম সংবাদদাতা

বাংলা নববর্ষ উদযাপনে রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অংশ নিয়েছেন চীনের কয়েক নাগরিক। তারা এই উৎসব উপভোগ করেন এবং নিজ দেশের বর্ষবরণের সঙ্গে পার্থক্য তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে গোদাগাড়ী উপজেলা চত্বরে নববর্ষ উদযাপনে অংশ নিয়ে চীনের নাগরিকরা পান্তা-ইলিশের স্বাদ নেন। তারা গোদাগাড়ীতে রাজশাহী ওয়াসার সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট প্রকল্পে কর্মরত। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে চীনের হুনান কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি।
অনুষ্ঠানে চীনা নাগরিকদের সঙ্গে এসেছিলেন প্রকল্পের ডেপুটি ম্যানেজার ইয়াসির আরাফাত। তিনি জানান, চীনের কর্মীরা শুরু থেকেই বাংলা নববর্ষ উদযাপন কাছ থেকে দেখার ব্যাপারে আগ্রহী ছিলেন। সেই আগ্রহ থেকেই এই আয়োজনে অংশ নেন।
প্রকল্পের পরিচালক মি. জু বলেন, বাংলাদেশের বর্ষবরণ উৎসব অত্যন্ত প্রাণবন্ত। বাংলাদেশের মানুষ খুবই বন্ধুসুলভ ও অতিথিপরায়ণ। তিনি বলেন, চীনেও আমরা নববর্ষ উদযাপন করি। তবে বাঙালি বর্ষবরণের সঙ্গে আমাদের উৎসবের যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে চীনে আতশবাজির ব্যবহার বেশি। কিন্তু বাংলাদেশের নববর্ষে লোকজ সংস্কৃতির অনুপম উপস্থিতি বেশি।
গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসন জানায়, বিদেশি নাগরিকদের এই আয়োজনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুল ইসলাম বলেন, চীনের নাগরিকরা বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার আগ্রহ থেকেই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে লোকশিল্প, সাংস্কৃতিক চেতনা ও স্বাধীনতার মূল্যবোধ তুলে ধরা হয়। শোভাযাত্রায় ছিল প্রতীকী মুখোশ, গ্রামীণ জীবনের নানা অনুষঙ্গ ও লোকজ উপকরণ। সবকিছুই উপভোগ করেছেন চীনের নাগরিকরা।
জানা যায়, চীনের নাগরিকরা গত তিন বছর ধরে রাজশাহীতে অবস্থান করছেন। শুরু থেকেই বাংলা নববর্ষ নিয়ে তাদের কৌতূহল ছিল। এবার তারা সরাসরি পয়লা বৈশাখের উৎসব উপভোগ করার সুযোগ পান। সকাল সোয়া ৯টার দিকে আনন্দ শোভাযাত্রা শুরুর আগেই তারা উৎসবের আবহে মিশে যান। কেউ আদিবাসীদের সঙ্গে নাচ উপভোগ করেন। কেউ ছবি তোলেন, আবার কেউ ভিডিও ধারণে ব্যস্ত ছিলেন। ঢাক-ঢোল ও একতারার তালে তালে তাদের উচ্ছ্বাস নজর কাড়ে উপস্থিত সবার।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুস সাদত রত্ন বলেন, পয়লা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে এই উৎসবের মূল চেতনা অসাম্প্রদায়িকতা। বিদেশি নাগরিকদের অংশগ্রহণ আমাদের সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বাংলা নববর্ষ উদযাপনে রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অংশ নিয়েছেন চীনের কয়েক নাগরিক। তারা এই উৎসব উপভোগ করেন এবং নিজ দেশের বর্ষবরণের সঙ্গে পার্থক্য তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে গোদাগাড়ী উপজেলা চত্বরে নববর্ষ উদযাপনে অংশ নিয়ে চীনের নাগরিকরা পান্তা-ইলিশের স্বাদ নেন। তারা গোদাগাড়ীতে রাজশাহী ওয়াসার সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট প্রকল্পে কর্মরত। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে চীনের হুনান কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি।
অনুষ্ঠানে চীনা নাগরিকদের সঙ্গে এসেছিলেন প্রকল্পের ডেপুটি ম্যানেজার ইয়াসির আরাফাত। তিনি জানান, চীনের কর্মীরা শুরু থেকেই বাংলা নববর্ষ উদযাপন কাছ থেকে দেখার ব্যাপারে আগ্রহী ছিলেন। সেই আগ্রহ থেকেই এই আয়োজনে অংশ নেন।
প্রকল্পের পরিচালক মি. জু বলেন, বাংলাদেশের বর্ষবরণ উৎসব অত্যন্ত প্রাণবন্ত। বাংলাদেশের মানুষ খুবই বন্ধুসুলভ ও অতিথিপরায়ণ। তিনি বলেন, চীনেও আমরা নববর্ষ উদযাপন করি। তবে বাঙালি বর্ষবরণের সঙ্গে আমাদের উৎসবের যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে চীনে আতশবাজির ব্যবহার বেশি। কিন্তু বাংলাদেশের নববর্ষে লোকজ সংস্কৃতির অনুপম উপস্থিতি বেশি।
গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসন জানায়, বিদেশি নাগরিকদের এই আয়োজনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুল ইসলাম বলেন, চীনের নাগরিকরা বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার আগ্রহ থেকেই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে লোকশিল্প, সাংস্কৃতিক চেতনা ও স্বাধীনতার মূল্যবোধ তুলে ধরা হয়। শোভাযাত্রায় ছিল প্রতীকী মুখোশ, গ্রামীণ জীবনের নানা অনুষঙ্গ ও লোকজ উপকরণ। সবকিছুই উপভোগ করেছেন চীনের নাগরিকরা।
জানা যায়, চীনের নাগরিকরা গত তিন বছর ধরে রাজশাহীতে অবস্থান করছেন। শুরু থেকেই বাংলা নববর্ষ নিয়ে তাদের কৌতূহল ছিল। এবার তারা সরাসরি পয়লা বৈশাখের উৎসব উপভোগ করার সুযোগ পান। সকাল সোয়া ৯টার দিকে আনন্দ শোভাযাত্রা শুরুর আগেই তারা উৎসবের আবহে মিশে যান। কেউ আদিবাসীদের সঙ্গে নাচ উপভোগ করেন। কেউ ছবি তোলেন, আবার কেউ ভিডিও ধারণে ব্যস্ত ছিলেন। ঢাক-ঢোল ও একতারার তালে তালে তাদের উচ্ছ্বাস নজর কাড়ে উপস্থিত সবার।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুস সাদত রত্ন বলেন, পয়লা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে এই উৎসবের মূল চেতনা অসাম্প্রদায়িকতা। বিদেশি নাগরিকদের অংশগ্রহণ আমাদের সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

নোয়াখালীর সেনবাগে প্রকাশ্য স্থানে গাঁজা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আরাফাত হোসেন ফাহিম (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হোসেনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বুধবার (১০ জুন) রাতে লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগেঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর খাইয়ারা রাস্তার মাথা এলাকায় থেমে থাকা ট্রাকের পেছনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছে। স্থানীয়সহ আহত হয়েছেন আরও আটজন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে যুবদল নেতা মনির খানের (৩৮) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে স্বজনের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে