জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

গভর্নর পদে রদবদলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৫ মার্চ ২০২৬, ১৭: ১০
হাইকোর্ট ভবন। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদ থেকে অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুরকে অপসারণ এবং মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন জনস্বার্থে রিটটি করেন। এতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং নবনিযুক্ত গভর্নর মোস্তাকুর রহমানকে বিবাদী করা হয়েছে।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তি বাতিল করা হয়। একই দিন পৃথক প্রজ্ঞাপনে নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেয় সরকার। রিটে এই দুই প্রজ্ঞাপনের কার্যকারিতা স্থগিতের নির্দেশনার পাশাপাশি এগুলো কেন অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না— তা জানতে চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার–১৯৭২’ অনুযায়ী গভর্নরের পদটি সংবিধিবদ্ধ পদ। এই আইনের ১৫(১)(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট কারণ (যেমন- স্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালনে অক্ষমতা, বিশ্বাসভঙ্গ বা ব্যাংকের স্বার্থবিরোধী কাজ) ছাড়া কোনো গভর্নরকে অপসারণ করা যায় না। তবে ড. মনসুরকে অপসারণের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোনো কারণ দেখানো হয়নি, কোনো তদন্ত হয়নি এবং তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগও দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে, মোস্তাকুর রহমানের নিয়োগ বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডারের ১০(৯) অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন বলে রিটে দাবি করা হয়েছে। নতুন গভর্নরের যোগ্যতা ও আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রিটকারীর আইনজীবী এম সারওয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘নতুন গভর্নর স্পষ্টভাবে একজন লোন ডিফল্টার (ঋণখেলাপি)। পত্রিকায় বেরিয়েছে, বর্তমান গভর্নরের সঙ্গে ব্যাংক লুটপাটকারী এস আলমের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে শেয়ার ও যোগসাজশ রয়েছে। ধারণা করা হয়, এস আলম ম্যানিপুলেট করে তাকে এইখানে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ করতে সমর্থ হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, আইনে স্পষ্ট আছে কোনো গভর্নরকে সরাতে হলে তার অদক্ষতা ও ইনক্যাপাসিটি দেখাতে হবে। আর নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে কেউ ব্যাংক ডিফল্টার হলে, তাকে নিয়োগ দেওয়া যায় না। আমরা আশা করব, আদালতে শুনানির পর এই অপসারণ ও নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া অবৈধ ঘোষণা করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত